অবহেলিত নারী মুক্তিযোদ্ধারা।

নুরুন নাহার লিলিয়ান :

বাংলাদেশেরর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অামাদের গবেষনার জায়গা এবং সীমাবদ্ধতা  অনেক। তার মধ্যে নারী মুক্তি যোদ্ধাদের নিয়ে তেমন কোন গবেষনা  নেই।১৯৭১  সালের নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে অনেক নারী প্রত্যক্ষ  এবং পরোক্ষ ভাবে অংশ গ্রহন করেছিল।মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা উচিত। বাংলাদেশের অনেক গ্রামের নারীরা মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধে অংশগ্রহন করেছেন এবং প্রান দিয়েছেন। সেই সাথে অনেক নারী মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য  করতে গিয়ে পঙ্গুত্ব   বরণ করেছেন। কিন্তু  সঠিক তথ্য সরকারী  এবং বেসরকারি  কারো কাছেই নেই।তাছাড়া নারীদের যুদ্ধে অবদান কে সঠিক পর্যালোচনার জন্য তেমন কোন পদক্ষেপ  নেই। মুক্তিযুদ্ধ ভাতা নিয়েও অাছে অনেক সমালোচনা। কোথাও  দেখা যায় একজন মুক্তিযোদ্ধাই শুধু নয় তার অনেক  আত্মিয় সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে। অথচ অনেক জায়গায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা  প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত  হচ্ছে । নারী মুক্তিযোদ্ধাদের নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচয়  করিয়ে দেয়া এবং তাদের অবদানকে সঠিক মুল্যায়ন করা উচিত।। অামাদের  নতুন সময়ের কাছে যুদ্ধেরর সেই সময়টাকে অারো পরিস্কার করে  গর্বের সাথে তুলে ধরতে হবে। নারী মুক্তি যোদ্ধাদের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ অত্যাবশ্যক। অামাদের  দেশে নারী মুক্তিযোদ্ধারা  অত্যন্ত  অবহেলিত ।আমাদের দেশের গবেষনা  প্রতিষ্ঠান, পত্রিকা,টিভি এবং সরকারকে অারো সংবেদনশীল  এবং দায়িত্ব শীলতার পরিচয়  দিতে হবে।তাদের সম্মান এবং  ইতিহাস  সংরক্ষনে নতুন প্রজন্মকেও এগিয়ে অাসতে হবে। অামাদের ইতিহাস সংস্কৃতির প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে। একটি দেশের ভবিষ্যত নির্ভর করে সেই দেশে  অতীত ইতিহাসের উপর। একটি সুখী সমৃদ্ধশালী দেশ গড়তে হলে এবং বর্তমান প্রজন্মের নারীদের এগিয়ে নিতে হলে নারী মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ ও অবদানের ইতিহাস তুলে অানতে হবে। স্বপ্নের সোনার বাংলা রচনায় যে নারীদের অাত্যত্যাগ অামাদের উজজীবিত এবং  সসম্মানিত করে তারা যেন অন্ধকারে হারিয়ে না যায়। অাসুন অামরা নারী মুক্তিযোদ্ধাদের  প্রতি  দায়িত্বশীল হই।

Comment

Comment

   
ই-মেইলঃ mohioshi@outlook.com
ফেসবুকঃ www.facebook.com/mohioshibd
মোবাইলঃ ০১৭৯৯৩১৩০৭৮, ০১৭৯৯৩১৩০৭৯
ঠিকানাঃ ১০/৮, আরামবাগ, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
কপিরাইট ©  মহীয়সী