যে কারণে আমার দৃষ্টিতে জাপানীরা সেরা জাতি

শাহীনুজ্জামানঃ

জাপানে আমার বসবাস এক বছর পেরিয়ে গেছে। এরই মাঝে এই দেশও জাতিকে নিয়ে কিছু ভালো অনুভুতি তৈরী হয়েছে। আমি আছি জাপানের এক বিশেষ প্রিফেকচারে, যার নাম ওকিনাওয়া। অনেকগুলো কারণেই ওকিনাওয়ার বিশেষত্ব আছে। বাংলাদেশের প্রায় সব চাকুরী প্রার্থীরাই ওকিনাওয়া সম্পর্কে কমবেশি জানে, এর কারণ হল এখানে আমেরিকান সেনা ঘাটি আছে। চাকুরীর পরীক্ষার জন্যে পঠিত সাধারণ জ্ঞানে এই বিষয়টি সবাইকেই পড়তে হয়। জাপানের মূল ভুখন্ড থেকে ৬৪০ কিলোমিটার দূরে প্রশান্ত মহাসাগরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অনেকগুলো দ্বীপ নিয়েই এই ওকিনাওয়া। এখান থেকে তাইওয়ান খুব নিকটে। একটা কৌতুক আছে, ওকিনাওয়ার বিলাসী ব্যক্তিরা প্রায়ই সকাল বেলার নাস্তা করতে তাইওয়ান যায়। তাইওয়ান যেতে এদের খুব কম বিমান ভাড়া লাগে, যার থেকে বেশী লাগে জাপানের মূল ভুখন্ডে যেতে। ওকিনাওয়া একসময় আমেরিকার অধীনে ছিল। ১৯৭২ সালের ১৫ই মে আমেরিকান সরকার জাপানের কাছে ওকিনাওয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করে। এর পিছনে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এইসাকো সাতো, যিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত একমাত্র জাপানীজ। এইসাকো সাতো তখন জাপানে অনেক জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ ছিলেন এবং একাধারে তিনবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন।

এবার মূল আলোচনায় আসা যাক। জাপানীজদেরকে ভালো লাগার শত-সহস্র কারণ থাকলেও একান্ত ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে আমি আজ কয়েকটি ভালো লাগার দিক নিয়ে কথা বলবো।

সঠিক শখ নির্ধারণে সহায়তাঃ সর্বপ্রথম জাপানে এসেই আমাকে যে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছিল তা হল, তোমার শখ (Hobby) কি? আমাদের চিরাচরিত ধারণা হল শখ মানে ক্ষতিকর কিছু যা সময় নষ্ট করে। আমাদের দেশে শখ হিসেবে আমরা যেসব কাজ পছন্দ করি সেগুলো প্রকৃত পক্ষে আমাদের অনেক ক্ষতি করে। আমরা শখের কাজ করতে গিয়ে জীবনের মূল লক্ষ্য থেকে পিছিয়ে পরি, জীবন যুদ্ধে হেরে যাই। আর জাপানীজদের কাছে শখ মানে হল ক্লান্তি ও অবসাধ দূর করার হাতিয়ার। জীবন চলতে গিয়ে যখন এরা ক্লান্ত হয়ে পড়ে তখন কিছুটা সময় শখের পিছনে ব্যয় করে আবার নিজের মধ্যে কর্মোদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে। এখানকার নিয়ম মতে প্রত্যেকটা ছাত্রকে হাই স্কুলে পড়াকালীন বাধ্যতামুলক যে কোন একটি খেলা বেছে নিতে হয়, সেটা হতে পারে ফুটবল, বলিবল, বর্ষা নিক্ষেপ এমনকি সঙ্গিত চর্চা। এরূপ এক্সট্রা কারিকুলার বিষয় যার যার ইচ্ছে মত বেঁচে নিতে পারে। এসব বিষয়ে পারদর্শী হতে কিছুটা সময় ব্যয় করে ঠিকই তবে সেটা সাপ্তাহিক ছুটির দিনে। পুরো সপ্তাহ কাজ বা পড়াশুনা নিয়ে শত ব্যতিব্যস্ততার পর শরীর ও মনকে উদ্দীপ্ত করতে সপ্তাহের শেষ দুই দিন (শনি ও রবিবার) এরা সবাই নিজের শখ নিয়ে ভালো কিছু সময় পার করে। এরপর সোমবার থেকে আবার পূর্ণোদ্দমে কাজের মাঝে ঝাপিয়ে পরে। আমাদের ক্ষেত্রে শখ গুলো জীবনে ধ্বংসাত্বক ভূমিকা রাখে বলেই আমাদের বাবা-মা প্রাণপণ চেষ্টা করে ছেলে মেয়েদের শখ থেকে দূরে রাখে। তাই আমরা শখকে সঠিকভাবে সংজ্ঞায়িত করতে শিখিনি। প্রফেসরের সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে আমাকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছিল, কারণ আর দশজন বন্ধুর মত আমারও কোন কনস্ট্রাকটিভ শখ নেই বললেই চলে।

২. শতভাগ পরোপকারি জাতি জাপানীজদেরকে শতভাগ পরোপকারি জাতি বলা যায়। নিজেদের কাজ নিয়ে এরা অনেক ব্যস্ত থাকলেও অন্যের উপকার করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করে না। জাপানীজ ভাষায় দক্ষতা না থাকার জন্যে সপ্তাহের প্রায় প্রতিদিনই ছোটখাটো কোন কাজে ল্যবমেটদের কাছে সাহায্য চাইতে হয়। সাহায্য যে শুধু ল্যাবেই লাগে তা না। বাজার করতে গেলেও সাহায্য লাগে, এই যেমন লবণ কিনবো, কিন্তু দেখে বোঝার উপায় নেই কোনটা লবণ। আমার সাহায্য লাগবে, এই কথাটা বলার পর এদের মুখের ভঙ্গি দেখলে নিজেকে বড় অসহায় লাগে। তখন এদের চেহারা দেখলে মনে হয় যে বিপদে আমি পড়িনি বরং সেই বিপদে পড়েছে। কিভাবে এখন এই বিপদ থেকে সে নিজেকে উদ্ধার করবে সেই চিন্তায় ব্যতিব্যস্ত। এই এক বছরের বেশী সময়ে কখনো সাহায্য পাইনি এমনটা হয়নি। আমি দৃঢ় চিত্তে বলতে পারি, যতদিন জাপানে থাকবো এসব ছোটখাট বিষয়ে সাহায্য পেতে কোন সমস্যা হবে না। এবার আমাদের কথাতে আসি। আমরা যেমন সাহায্য করতে অভ্যস্ত নই তেমনি সাহায্য পেতেও আমাদের অনেক বেগ পেতে হয়। অফিসে পাশাপাশি চেয়ারে বসলেও আমরা একে অন্যের কাজে খুব কমই সাহায্য করি। যদিও কখনো করি, তার বিনিময়টা খুব তিক্ততার মাঝ দিয়ে যায়।

৩. সত্যিকারের এক বিশ্বস্ত জাতি এই সল্প সময়ের জাপান জীবন থেকেই আমি অকপটে বলতে পারি, আমি চোখ বন্ধ করে যেকোন বিষয়ে এদেরকে বিশ্বাস করি। এরা সত্যিকারের এক বিশ্বস্ত জাতি, যাদের কাছ থেকে কখনো কেউ ঠকবেনা। ধরা যাক আপনি একটা টিশার্ট কিনতে গিয়েছেন। আপনি সেলস ম্যানের কাছে জানতে চাইলে সে অকপটেই বলে দিবে যে তুমি এটা নিওনা। এটা তোমাকে মানাবে না। আমাদের দেশ হলে সেলস ম্যানরা কিভাবে প্ররোচিত করতে পারে তা সবাই জানে। এখানে অনলাইন থেকে প্রায়ই আমাকে কেনাকাটা করতে হয়। অনেক ওয়েবসাইট জাপানী ভাষায় হওয়াতে আমার জন্যে কঠিন হয়ে যায়। তাই আমাকে জাপানীজ বন্ধুদের সাহায্য নিতে হয়। আমার ক্রেডিট কার্ডটি জাপানীজ বন্ধুর কাছে দিয়ে আমি তাকে বলে দেই যে তুমি তোমার সুবিধামত আমার জন্যে অর্ডার দিয়ে দাও। আমাদের বেলায় যা কল্পনা করা দুস্কর। কাউকে টাকা ধার দিলে ফিরে পাবার যেখানে কোন ভরসা থাকে না সেখানে ক্রেডিট কার্ড দিলে তো আর কিছু বলার অবকাশই নেই।

৪. সুশৃঙ্খল জীবন যাপন  জীবন যাপনে এরা অনেক সুশৃঙ্খল। প্রতিদিন ঠিক সময়ে এরা ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে কাজের জন্যে বের হয়ে পরে। আবার ঠিক সময়ে কাজ থেকে ফিরে আসে। এদেরকে কোন ট্রাফিক জ্যামে পরতে হয় না। পাবলিক বাসগুলো কখনো এখানে দেরী করে গন্তব্যে যায়না। ষাটোর্ধ বয়স্ক প্রফেসরকে যখন দেখি দুই একদিন ব্যতিক্রম বাদে প্রতিদিন ঠিক দুপুর  ১২.৩০ এ লাঞ্চ করতে যায় তখন এদের সময়জ্ঞান নিয়ে আর কোন প্রশ্ন থাকে না। জাপানে এসে আরও অবাক হয়েছি যখন দেখেছি এখানে একটি বিশেষ প্রাণি- মশার কোন অস্তিত্ব নেই। এর মূল কারণ হল- সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। এখানে রাস্তাঘাটে বা পানি নিষ্কাশনের ড্রেনে কোথাও ময়লা-আবর্জনা চোখে পড়ে না। এখানে যখন ঝুম বৃষ্টি নামে তখন রাস্তায় হাটতে ভালো লাগে। কারণ রাস্তায় তখন পানি জমে থাকে না। বরং পানি একটি সুন্দর ধারায় বয়ে চলে এবং নিমিষেই জলাধারে হারিয়ে যায়। সমুদ্র তীরে বেড়াতে গেলে ভালো লাগে, কারণ সমুদ্রের পানির অসাধারণ নীলাভ বর্ণ হৃদয়কে আপ্লুত করে। পার্কে বেড়াতে গেলে ভালো লাগে, কারণ সেখানে কোন চিপসের প্যাকেট পরে থাকতে দেখা যায় না।

. শত ভাগ আইন মেনে চলার প্রবণতা আমাদের দেশের সংবিধানে প্রায় প্রতি মাসেই নতুন নতুন আইনের সংযোজন বিয়োজন হলেও আমরা সমাজে নিরাপত্তা বোধ করি না। আমাদের সামাজিক নিরাপত্তা একদম শুন্যের কোঠায় বললেও ভুল হবে না। জাপানীজদের বেলায় বলতে গেলে পুরো বিপরীত। এদের বেলায় এত আইনের বালাই নেই। তবে এদের মধ্যে আইন মেনে চলার প্রবণতাটা অনেকগুন বেশী। এরা ভুল করেও কখনো আইনের ব্যতয় ঘটায়না। ছোট বেলায় এদের সবাইকে ৬ বছর বয়স পর্যন্ত শুধুমাত্র ম্যানার শেখানো হয়। এজন্যেই সবার মাঝে একই প্রবণতা দেখা যায়। রাস্তায় চলতে গেলে কখনো দেখা যায়না কেউ অন্য লেনে গাড়ি চালাচ্ছে। কখনো চোখে পরেনি যে কোন ভিআইপির জন্যে রাস্তা বন্ধ হয়ে আছে। এখানে সত্যিকারভাবেই আইন সবার জন্যে সমান, সে হোক  দেশের প্রধানমন্ত্রী বা হোক সিটি অফিসের ঝাড়ুদার।

. সবক্ষেত্রে শিশু ও বয়স্কদের প্রাধান্য দেয়াঃ জাপানের সমাজব্যবস্থায় শিশুকালকে স্বর্গের সাথে তুলনা করা যায়। প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর সন্তানরা যার যার মত পৃথক হয়ে বাইরে চলে যায়। এরপর সামাজিক বন্ধনটা অনেক নড়বড়ে হয়ে যায়। বছরের নির্দিষ্ট দিন ছাড়া পরিবারের সদস্যদের মধ্যে দেখা হবার কোন সম্ভাবনা থাকেনা। তাই শিশুকাল এখানে অনেক মজার, যখন পরিবারের সবাই একসাথে একই বাড়িতে বসবাস করে। আমরা বক্তৃতা আলোচনায় সবসময় বলি শিশুরাই আগামীর ভবিষ্যৎ, কিন্তু বাস্তবে এমন কোন নির্যাতন নেই যা আমরা শিশুদের উপর করি না। যে দেশে আট মাসের শিশু ধর্ষিত হয় সেখানে এক বাক্যেই বলা যায় শিশুদের জীবনের কোন নিরাপত্তা নেই। জাপানে সবক্ষেত্রে  শিশুদের প্রাধান্য দেয়া হয়। যেসব মায়েদের সাথে ছোট বাচ্চা থাকে তাদেরকে সকল ক্ষেত্রেই ছাড় দেয়া হয়। লাইন লম্বা হলেও এক্ষেত্রে মায়েদের জন্যে জায়গা ছেড়ে দেয়া হয়। শিশুদের জন্যে যেসব দিবা যত্ন কেন্দ্র আছে সেগুলোতে গেলে দেখা যায় এরা শিশুদেরকে কি পরিমাণ আদর-যত্ন করে শিক্ষা দেয়। এখানে কেউ যদি তার সন্তানের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে তাহলে পুলিশের কাছে তাকে জবাবদিহী করতে হয়। পরিস্থিতি সুবিধাজনক মনে না হলে তখন রাষ্ট্র সেই সন্তানের দায়িত্ব নিয়ে নিতে পারে এবং সেই মায়ের শাস্তিও হতে পারে। শিশুদেরকে এরা যেমন প্রাধান্য দেয় তেমনি বৃদ্ধদের কেও এরা যথেষ্ট সন্মান করে। প্রায় বিকেলেই আমার চোখে পড়ে বৃদ্ধদের কে নিয়ে রাস্তায় অনেকেই হাত ধরে হাটছে। তাছাড়াও রাষ্ট্রীয়ভাবে বৃদ্ধদের সেবা যত্নের জন্যে এখানে বিশেষ ব্যবস্থা আছে।

.অন্যের চাওয়া বা স্বপ্নকে সন্মান দেখানোর প্রবণতাঃ  অনেক গুলো ভালো দিকের মধ্যে জাপানীজদের ভালো লাগার উল্লেখযোগ্য কারণটা হল এরা অন্যের চাওয়া/স্বপ্নকে সন্মান করে। পিতা-মাতারা সন্তানের চাওয়াকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়। একটা উদাহরণ দিলেই বিষয়টা স্পষ্ট হয়ে যাবে। এক সিনিয়র প্রফেসরকে তার ছেলে মেয়ে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার পর যখন কোন বিষয়ে পড়ছে তা জিজ্ঞেস করা হল তখন অবাক করা একটা উত্তর শুনতে হয়েছিল। প্রফেসর বলেছিল আমার মেয়ে কোন বিষয়ে পড়ছে তা আমি সঠিক বলতে পাচ্ছিনা, তবে আমি শিউর যে সে বায়োকেমিস্ট্রিতে পড়ছেনা। উল্লেখ্য যে উনি বায়োকেমিস্ট্রির প্রফেসর। অর্থাৎ প্রফেসর নিজেই জানেনা তার মেয়ে কোন বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। আমাদের কাছে বিষয়টা অবাক করার মত ব্যাপার হলেও এখানকার বাস্তবতা ঠিক তাই। এখানে সন্তানরা সফল হয় শুধুমাত্র তাদের নিজস্ব স্বপ্ন অনুযায়ী। পিতা-মাতা সন্তানদের বেড়ে উঠার একটা পরিবেশ তৈরী করে দেন ঠিকই কিন্তু বড় হয়ে সন্তান কি হবে তা ঠিক করে দেন না। পিতা-মাতা যেহেতু হস্তক্ষেপ করে না কাজেই পরিবারের অন্য কারোর হস্তক্ষেপের প্রশ্নই আসে না। আমাদের দেশে এসবের বেলায় পরামর্শকের অভাব হয় না। নিকট আত্মীয় থেকে শুরু করে পাড়ার দোকানদার পর্যন্ত সবাই পরামর্শ দেয় আমি বড় হয়ে কি হলে ভালো হবে।

. অন্যের কাজের সত্যিকারের প্রশংসা করাঃ  এরা অকপটেই অন্যের কাজের প্রশংসা করে। সেটা লোক দেখানো না। আমরা সামনে লোক দেখানো প্রশংসা করলেও আড়ালে কুৎসা নিয়েই নিজেদের ব্যস্ত রাখি। এদের বেলায় এমন আচরণ দেখা যায় না। আমার কাজ যত খারাপই হোক, প্রফেসর শুরু করে ভালো শব্দ দিয়ে। অনেক গুলো ভালো কথা বলার পর অবশেষে একটিমাত্র শব্দ দিয়ে বোঝায় যে আমার এবারের কাজটি আরও ভালো হওয়া দরকার। এ থেকেই বোঝা যায় জাতি হিসেবে জাপানীজরা কতটা সভ্য। আমাদের ক্ষেত্রে এক বাবার ২টি সন্তান থাকলে তাদের দুইজনের আচরণ দুইরকম হয়। কিন্তু এদের বেলায় এমনটি আমি দেখিনি। ল্যাবের সবার মাঝেই আমি একইরকম আচরণ দেখি এবং যা দেখি তাই তাদের প্রকৃত আচরণ। এদের ক্ষেত্রে সামনে এক আর আড়ালে ভিন্ন বলে কোন অভ্যাস নেই।

জাপানীজদের ভালো দিক নিয়ে বলতে গেলে স্বল্প কথায় শেষ হবেনা। আমার চেয়ে দীর্ঘসময়ব্যাপী যারা জাপানে আছে তাদের অভিব্যক্তি শুনলেও জাপানিজদের আচরণ সম্পর্কে ইতিবাচক অনেক ধারণা পাওয়া যায়। সর্বপরি বলতে গেলে আচরণগত এমন অসংখ্য ভালো দিকের জন্যেই জাপান আজ পৃথিবীতে এক সভ্য দেশ হিসেবে পরিচিত। জীবনের সকল ক্ষেত্রে নিয়মানুবর্তিতা ও সময়জ্ঞানের মাধ্যমেই এরা ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর অতি অল্প সময়ে সমগ্র বিশ্বের কাছে নিজেদের একটা স্বতন্ত্র পরিচয় সৃষ্টি করতে পেরেছে।

লেখকঃ পি এইচ ডি গবেষক, রিয়ুকুস বিশ্ববিদ্যালয়, ওকিনাওয়া, জাপান

 

 

Comment

Comment

   
ই-মেইলঃ mohioshi@outlook.com
ফেসবুকঃ www.facebook.com/mohioshibd
মোবাইলঃ ০১৭৯৯৩১৩০৭৮, ০১৭৯৯৩১৩০৭৯
ঠিকানাঃ ১০/৮, আরামবাগ, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
কপিরাইট ©  মহীয়সী