আনটোল্ড স্টোরি ফ্রম এ স্ট্রাগলার

ডাঃ সুলতানা আলগিনঃ  
____________________________

নাসিমুন নাহার মিম্ মি কে !
কি তাঁর পরিচয় ? আমার এই অত্যন্ত স্নেহভাজনকে আমি কোন পরিচয়ে ডাকবো ! তিনি ডাক্তার না লেখক ?

আমি ডা.নাসিমুন নাহার মিম্ মি’কে চিনতাম। অমন ভাল মেয়ে আর হয় না। যেমন বিনয়ী; তেমন আত্মমর্যাদা ও আত্মসম্মানের প্রশ্নে আপোষহীন ও দৃঢ়চেতা।
সেই প্রিয় নাসিমুন নাহারকে মিডিয়ার কল্যাণে একসময়ে আবিষ্কার করলাম একজন শক্তিমান লেখক কলামিস্ট হিসেবে।
সত্যি বলতে কি তার সরস ও মর্যাদাপূর্ণ লেখনীর আমিও একজন ভক্ত হয়ে উঠলাম।
তাঁর লেখনী তীব্র লক্ষ্যভেদী। যে কথা বলা দরকার; সেটা বলতে তিনি মোটেই দ্বিধা করেন না। এটাই তার লেখনীর অনন্যতা।

আমার প্রিয় মিম্ মি একদিন শক্তিশালী লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে , এটা ছিল সময়ের ব্যাপার। সেই বিষয়টি সত্যি হয়েছে। “আনটোল্ড স্টোরি ফ্রম এ স্ট্রাগলার” অনবদ্য এক কাহিনি।

জীবনের গল্প।একজন নারীর কাহিনী। এক মর্যাদাবান নারীর লড়াইয়ের অসামান্য কাহিনী। এই উপন্যাস পড়ে অবাক হয়েছি। একজন চিকিৎসক এত অসাধারণ ভাষায় কেমন করে লিখেন !

শুধু কি তাই ! মিম্ মি জীবনের গল্পই কেবল লেখেন নি। জীবনের গতিপথের সন্ধানও দিয়েছেন জীবনজয়ী অভিযাত্রীর দক্ষতায়।
আমরা নারীর নানা পর্বতশিখর জয়ের খবর জেনে আনন্দিত ও শিহরিত হই।

মিম্ মি এভারেস্ট জয়ের চেয়েও কঠিন অসাধ্য সাধন করেছেন বলে আমার মনে হয়েছে লেখাটি পড়ে।
জীবন নামক এভারেস্ট শিখর জয়ের জটিল সব সমস্যাদির বিবরণ যেমন দিয়েছেন। তেমনি দুরূহ সঙ্কট কিভাবে মোকাবেলা করতে হয়; বাঁচতে শেখার সেই পরামর্শও দিয়েছেন একজন কোমল মননশীল কথাশিল্পী হিসেবে।

“আনটোল্ড স্টোরি ফ্রম এ স্ট্রাগলার” –এর পাঠক হিসেবে আমি মুগ্ধ হয়েছি। মুগ্ধ হবেন সকল পাঠক। হবেন উপকৃত। উপন্যাসের মধ্যে জীবনের দিশা সন্ধান করেন হাজারও পাঠক; তারা সত্যিই পাবেন জীবনমুখী মনিমুক্তো।

উপরের আশীর্বাদ স্বরূপ কথাগুলো আমার প্রথম একক বইয়ের জন্য লিখে দিয়েছেন-

ডা. সুলতানা আলগিন

লেখকঃ  ডা. সুলতানা আলগিন 
সহযোগী অধ্যাপক , মনোরোগ বিদ্যা বিভাগ 
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্বািবদ্যালয় ,ঢাকা। 
এবং সম্পাদক অনলাইন পোর্টাল : ডাক্তার প্রতিদিন.কম।

Comment

Comment

   
ই-মেইলঃ mohioshi@outlook.com
ফেসবুকঃ www.facebook.com/mohioshibd
মোবাইলঃ ০১৭৯৯৩১৩০৭৮, ০১৭৯৯৩১৩০৭৯
ঠিকানাঃ ১০/৮, আরামবাগ, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
কপিরাইট ©  মহীয়সী