রাধা দেখে বাজান বাঁশি, আর কৃষ্ণ দেখে সাজান হাসি !!

যূথিকা জাকারিয়া ঃ

আমরা মেয়েরা মধ্যবয়সী, ছোকড়া বহুরকমের পুরুষ দ্বারা নাজেহাল হই, আজকাল মুখও খুলি।ফেসবুকে কোন পুরুষ বেচাল করলে তার মুখোশ খুলে দেই।আবার আমাদের বন্ধু, ভাই স্বামীরাও বহু বাজে মেয়ের কারণে অস্হির হন সেটাও ভুলবার নয়।পঁয়ত্রিশ পরবর্তী একটা নারীর জীবন কেমন? বিবাহিতা নারীর একটা বিরাট অংশ এবয়সে নানান মানসিক, শারীরিক সমস্যায় ভুগে।দাম্পত্যজীবন হয় নিস্তেজ, রোজকার থোড়বড়িখাড়া।বয়ঃস্বন্ধিকাল থেকে শুরু হওয়া হরমোনের উঠাপড়া এই বয়সে এসে তুমুল আকার ধারণ করে। চল্লিশ ছুঁই ছুঁই বয়সে এসে বেশীরভাগ নারীই শিকার হয় এম্পটি নেস্ট সিনড্রোমে।

শুনতে খারাপ লাগে, সমাজ মানবেনা তবু এই যুগেও একজন নারীর রোজকার রিক্রিয়েশন কী!? চল্লিশ পেরিয়ে একজন নারী প্রায়শই প্রাত্যহিক জীবনে হন একা, তা তিনি বিবাহিত হন চাই অবিবাহিতা কিংবা তালাকপ্রাপ্তা।এই ফেসবুকে এমন কত মেয়ে আছেন যাদের পুরুষ শিকারী বললেও কম বলা হয়। পুরুষ স্রেফ এদের খেলার পাত্র।যেকোন সুখীগৃহকোণে যেকোন সময় এদের ছায়া পড়তেই পারে।ইনবক্স এদের শিকার ধরার অস্ত্র। কী নির্লজ্জভাবে এরা নিজেকে উপস্হাপন করে সেটা একজন নারী হয়ে বলতেও লজ্জা করে।কখনো কোন পুরুষকে তার সঙ্গে বিদেশ যেতে বলে তো কখনো নিজের শরীর দেখানো ছবি দেয়।কখনো অশ্লীল ভাষায় পুরুষকে আহবান জানায় তো কখনো ফেনসেক্স বা সেক্সচ্যাট করতে বলে টাকার বিনিময়ে।বহু পুরুষ নিজেকে সামলাতে না পেরে এদদের শিকারে পরিণত হয়, সব হারায়।আর কোন পুরুষ যদি এদের উপেক্ষা করে ব্লক করে তবে এরা আরো আগ্রাসী হয়।ওই পুরুষের কর্মস্থল, পরিবারকে টার্গেট করে।মিথ্যা স্ক্রিনশট বানিয়ে পুরুষটিকে পেতে চায়, এতোটাই এসব নারীর আক্রোশ। ফেসবুকে পোস্ট করা সুখী দম্পতির ছবি দেখে এরকম কত নোংরা মনের নারী বন্ধু সেজে তাদের ঘরে ঢুকে কত জানলাম।

নারী হয়ে আরেক নারীর স্বামীকে বশ করতে তার বউকে আপা বুবু ডেকে স্বামীর সম্পর্কে তথ্য নেয়। ইনবক্সে পাঠায় নোংরা মেসেজ। আদতে এসব নারীর মানসিকতা এমন, এদের কাছে একমাত্র আনন্দ এসব নোংরামি।বাচ্চাকে স্কুল বা কোচিং ক্লাসে আনা নেয়য়া, সংসারের সব কাজের সংগে চলে এসব নোংরামি।স্বামী তাদের কাছে স্রেফ সাইনবোর্ড, বলেছিল এমনি এক নারী যে আবার এক নামী পত্রিকার বার্তা সম্পাদকের স্ত্রী। আমার এক। বান্ধবী আছেন যার সংসারের খরচ ঈদ শপিং করে দেয় ফেসবুকের বন্ধুরা। রোজ চলে ভিডিও কল,ঘুরাফিরা। যেকোনো বয়সী পুরুষ তার জালে আটকায় যেন কোন পতঙ্গ।এক সাংবাদিক বান্ধবী আছেন ডিভোর্সী,জীবনে নামী হতে যার একমাত্র মাধ্যম পুরুষ শিকার।
বন্ধুরা শক্ত হও, একজোট হও।পুরুষ বেশী খারাপ না মেয়েরা ছলনাময়ী সেসব আলাপ অনেক তো হলো,এবার এসব নোংরামী একসাথে মোকাবেলা করতে হবে।

লেখক যূথিকা জাকারিয়া

Comment

Comment

   
ই-মেইলঃ mohioshi@outlook.com
ফেসবুকঃ www.facebook.com/mohioshibd
মোবাইলঃ ০১৭৯৯৩১৩০৭৮, ০১৭৯৯৩১৩০৭৯
ঠিকানাঃ ১০/৮, আরামবাগ, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
কপিরাইট ©  মহীয়সী