কবিতার আলোচনা ১

 

কবি Nurealam Mukta’র কবিতা #ম কাব্য

একটিই নাম,

কবিতাটি নিয়ে আলোচনা করার একটা অন্তর্গত তাকিদ ছিলো আমার।
কিন্তু এরকম বিষয় নিয়ে লেখা কবিতার আলোচনা করার যে যোগ্যতা থাকা প্রয়োজন তা আমার নেই বলে সাহস পাচ্ছিলাম না।

তবে কবিতাটি নিয়ে আলোচনা করার একটা প্রবল ইচ্ছে আমাকে সাহসী করে তুলেছে।
কবিতাটি এখানে উল্লেখ করার পূর্বে কবিতা নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা করতে চাই।
কবিতা প্রসঙ্গে শুরুতেই আমি বলতে চাই,

সাহিত্য কোনো ওয়ানটাইম মেয়াদের ইলেক্ট্রোনিক্স পণ্য নয়।
সাহিত্যকে টিকে থাকার অন্তর্গত শক্তি অর্জন করতে হয়।
তাই নবীন হোক বা দুর্বল হোক সাহিত্যের মাঠে যারা পদচারণা করবেন তাদেরকে জানতে হবে কার লেখা টিকে থাকবে কিংবা কালের গর্ভে হারিয়ে যাবে।
রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যকে প্রত্যাখ্যান করে আবির্ভাব হয়েছিল পঞ্চপাণ্ডবের। তাদের যুক্তি অসার বা অবাস্তব ছিলো না।
তাহলে কেন রবীন্দ্রনাথ আজও সাহিত্যজগতে রাজত্ব করছে।
শুধু হাটলেই গন্তব পাওয়া যায় না। কোন পথে হাটলে সঠিক ঠিকানায় পৌঁছা যাবে সেটাও জানা জরুরী।
বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক দিক হচ্ছে এটাই যে, সঠিক পথ প্রদর্শন করার কোনো উদ্যোগই কারও নেই।
তাছাড়া বর্তমান সব সাহিত্যচর্চাকারীদের আগ্রহটাও কি আন্তরিক ও যথাযথ?
এ প্রশ্নটাও মনেহয় একদম অবাস্তব নয়।

যারা কবিতা লিখবেন বা লিখছেন তাদের অনেকেরই কবিতা সম্পর্কে জ্ঞানগত প্রবল ঘাটতি রয়েছে।
কবিতার প্রাথমিক কথা হচ্ছে,

ফুলের পাঁপড়ি বিন্যাসেও রয়েছে কাব্যময়তার অপরূপ বুনন।
আর ভেতরে রয়েছে সৌরভের বসবাস।
কবিতার মধ্যে
ভাষার ইন্দ্রজাল,শব্দের ঝঙ্কার এবং পদবিন্যাসের মাধুর্যতা থাকতেই হবে।

ক্রমশঃ

লেখকঃ আবু বকর সালেহ, কবি ও সাহিত্যিক।

আরও পড়ুন