বীজগণিত

বিপাশা হাবিব আরজু

শুন্যতার গহব্বরে রোজ যে আবর্জনা জমা হয়,
সেখানে অক্সিজেন না থাকলেও
দুর্গন্ধযু্ক্ত বিভীষিকা মূহুর্ত পেরিয়ে
ভালো সার কিংবা বায়বীয় গ্যাস তৈরি
করা যায়।

শুধু বাধ সাধে প্লাস্টিক গুলো।
অথচ সব জেনেও আমরা প্লাস্টিকের
বৈভবে আকৃষ্ট হতে পিছিয়ে আসিনা।

সময়ের কাছে হেরে যেতে যেতে
আয়নায় নিজের মুখ দেখাটাই ভুলে গেছি।

বহুদিন স্রোতস্বিনী নদীর কলকল ধ্বনি শুনিনা।
কি জানি হয়ত সে আমাকে বিশুদ্ধ বাতাস দিত!

পাড় ঘেঁষে সার্কাসের দলে চোখ রেখে
কতদিন বন্ধুর কাঁধ ঠেলে হেসে ওঠা হয়না।

কেবলই বিমূর্ত প্রতিকটা আমার
ওপারে যাওয়ার সময় গুনে যায়।
গোলমেলে হিসেব গোছাতে হবে
হিসেবেরা মুচকি হাসে,বিদ্রুপ করে
আমি অবশ্য অট্টহাসিই দেই।

বহুদূর চোখ যায়।হঠাৎ অভিভূত হই
যান্ত্রিকতার ভীড়ে এখনো কোন মাঝি
পালতোলা নৌকো বেয়ে চলে।

এখনো কোনো কোনো কৃষক
দোন সেচেই মায়া বুনে চলে।
জীবনের জন্য কতটুকই বা আর লাগে!

বিপাশা হাবিব আরজু কবি  ও সহ-সম্পাদক, মহীয়সী।

আরও পড়ুন