শত বাগিচা বিহারী

আজো তোমার দেয়া ফুলদানীটি
ভাবনার কেন্দ্রে থাকা কুসুমস্তবকে পুরি
হৃদয়ের ড্রয়িং রুমে সাজিয়ে রাখিনি
অদম্য ইচ্ছা নিয়েও আজোব্দি পারিনি
পুর্ণ করে নিতে তব হৃদের আকাঙ্ক্ষাটি
কেন যেন আমি বারংবার হয়েছি অকৃতী!
কত বৃক্ষের কাছে যেয়েও ফিরে আসি
তবুও পারিনিঃ
ছিড়ে নিতে সদ্য আসা কিছু পূর্ণবিকাশি
কিংবা তার নবজন্মা দুটি পুষ্পকলি
কতবার হাত বাড়িয়েও চিনতে পারিনি
একটি পুষ্পেরও আসল পরিচিতি।
খুব মনে আছে, একটুও ভুলিনি আমি
দানীটি দিয়ে তুমি বলেছিলে দু’হাত ধরি
যতনে রেখো যা দিলাম তোমায় হে মানবী
তুলি তব ছোঁয়া ভালোবাসার গোলাপগুলি
প্রভাতি আলোর স্নিগ্ধতায় রেখো হে হৃদি।
আমিও যে চাই তোমার এ দানীটি
সদ্য ফোটা শত কুসুম তোড়ায় ভরি
সদাসর্বদা সতেজ রাখি তব অমৃত স্মৃতি
কি লিখন যে লিখিল মোর বিধি
জীবনাব্দি না পেলাম তাঁর এতটুকু প্রীতি
ছোট্ট ফুলদানিটি পূর্ণ করে রাখি
মনের সেটুকু শক্তি না পাই আজো খুঁজি।
অনুরক্তির সম্পদটি বোধ করি
কেড়ে নিয়েছে কোন অজানা অপ্রত্যয়ী
তাইতো সৌরভহীন কোন ফুলের সন্ধান করি
আজো দেখি কত শত বাগানে বিহারী
পাইনি একটু দেখা সেই বাগিচার বুকে
শত ডালে ফোঁটা পবিত্র কোন গোলাপকলি।

রওশন চৌধুরী- কবিও সাহিত্যিক।    

আরও পড়ুন