বিদগ্ধ হৃদয়ের ক্রোন্দন

 

জীবনের সাথে প্রতিযোগিতায় নেমে
দুর্গম পথ চলার প্রতিটি পদক্ষেপে
দেখেছি কতযে ঢেউ উত্থান পতনে
শুনেছি কত গর্জন সমুদ্রের বুকেতে,
এদেশ ওদেশ কত দেশ দেশান্তরে
এ ঘর ও ঘর প্রতিটি ঘরেতে
সভ্য অসভ্য সব’ক’টি সমাজে
বিদগ্ধ হৃদয়ের চাপা ক্রোন্দনে
কম্পোন জাগে নিস্তেজ এ বিবেকে।

কত অবুজ জীবন শুধায় কাতরে
দেখেছ কি কভু জিজ্ঞাসিয়ে মোদেরে
কি পেয়েছি মোরা? কি ‘না’ পেয়েছি ভবে?
কি’বা দিতে পেরেছি কাউকে এ ধরাতে?
এমন জবাব কি বলো আছে তবো দ্বারে?

মনে মনে তাইতো ভেবেছি নিরবে
কি যে বলি এসব জেরার জবাবে!
ভাবনার সিড়িগুলোর এপিট ওপিটে
ছোট্ট কিছু জবাব নিলেম হাতিয়ে
প্রশ্নের পাতায় উঁকি ঝুঁকি মেরে
উত্তরের খাতায় দিলাম কিছু লিখে
জীবনগুলোকে বললাম ডেকে
জেনে নিও জবাব নীচের কলামে।

পাওয়ার খাতায় বাকিই থাকুক পড়ে
দুঃখ কি’বা ক্ষুভ যেন না হয় তাতে
দেবার খাতাটা যদি খালি পড়ে থাকে
এতে কি জীবনের কোন দাম রহে?
দেয়া পাওয়ার সব হিসাবের খাতে
দেয়ার পাল্লাটা যেন সদাই ভরে থাকে।

বিধাতার কাছে কোরোজোড় করে
এ মিনতি শুধু করি বারে বারে
এমন শ্রান্ত তুমি করো নাকো এ হীনরে
নেবার বেলাটা প্রভু দিয়ো না জীবনে
দেবার সামর্থ্য যেন দাও সর্বক্ষনে
তবেতো তৃপ্তি পাব যেয়েও ওপারে।

 

 

রওশন চৌধুরী- কবিও গবেষক৷   

আরও পড়ুন