ব্রাউজিং শ্রেণী

সাহিত্য

একুশ আমার অহংকার

শাহানারা শারমিন একুশ আমার বাংলা মায়ের মুখের মিষ্টি হাসি। একুশ আমার রাখাল ছেলের হাতের প্রিয় বাঁশি। একুশ আমার ঝিলে ফোটা সদ্য শাপলা ফুল। একুশ আমার গায়ের বধূর কানের ঝুমকো দুল। একুশ আমার নীল আকাশের মুক্ত স্বাধীন বলাকা। একুশ আমার শহীদ…

একুশ তুমি

এমদাদুল হক হীমু একুশ তুমি দৃপ্ত পদচ্ছাপ রেখে যাওয়া রক্ত ঝরানো কর্মসূচি। একুশ তুমি যৌবনের চলার ছন্দে বাঁধ ভাঙা জোয়ার   ফুঁসে ওঠা জলোচ্ছ্বাস; দানবেরও অরুচি। একুশ তুমি নির্লজ্জ ভীষণ বেহায়া সৈনিক অন্যায়ের মোকাবিলায় উঁচু মাথা, টুটি চেপে…

ভালোবাসার  স্বাদ!

মোঃ জাকির হোসেন শেখ আমি জীবন সায়াহ্নে দাড়িয়ে শীতের সকালে জানালা দিয়ে তাকিয়ে আছি চারদিক কুয়াশার চাদরে ঢাকা সবুজ রঙের পাতাগুলো ধূলোয় মলিন সূর্যের দেখা নেই কয়েকদিন যাবৎ... প্রকৃতি আজ রংহীন স্মৃতির ডায়েরির পাতাগুলোর ধূলোর আস্তরণ মুছে…

ফিরে এলো রংয়েরই ফাগুন

শাহীন খান বনে বনে পাখি ডেকে যায় কবিগণ লেখা লেখে যায় প্রজাপতি মেলেছে পাখা মধুক্ষণ আবিরে মাখা অলিরা করে গুনগুন। ফুলেরা গন্ধ বিলায় ছড়াকার ছন্দ মিলায় কোকিলা কুহুকুহু গায় দোয়েলা আঁড়ে আঁড়ে চায় এ মনটা করে টিনটুন। চাঁদমামা হেসে যে চলে…

প্রত্যাগত (পর্ব-৪)

আবু সাইফা সকাল সাতটার মধ্যে আনোয়ার জামা-জুতো পরে, গায়ে আতর খুশবু মেখে যতটা সাজগোজ পুরুষের জন্য প্রযোজ্য সাজলো। তারপর একলাফে গাড়ীতে চেপে বসলো। ভাগ্য সুপ্রসন্নই বলতে হয়, কারণ চালকের ঠিক পেছনের আসনটাতে শার্শির ধারে সে বসার সুযোগ পেয়ে গেল।…

কবির স্মরণে (কবি আল মাহমুদ স্মরণে)

ফারহানা শরমীন জেনী আমি শুধু ভাবি কেমন করে লেখ তুমি স্বপ্নচারী কবি? কি দিয়ে যে ভাব? স্বপ্ন আঁক রং দিয়ে যে সবই! পাঠে তোমার আনমনা মন বনে বাঁদাড়ে ছুটত সারাক্ষণ। দুধের বাটি উল্টানো চাঁদ তাই নিয়ে ভাবতে যেয়ে পাতলে লেখার ফাঁদ। পাখির মত বন্য…

প্রত্যাগত (পর্ব- ৩)

আবু সাইফা আনোয়ার পরবর্তী উইকেন্ডে রাতেরবেলা কল করলে সৌভাগ্যক্রমে কল রিসিভ করে বসল নাসরিনের ছোটবোন পুতুল। আল্লাহ-নবীর কসম দিয়ে আনোয়ার সংবাদটা গোপন রাখার শর্তে জানালো, সে আগামীকাল সকাল নয়টার মধ্যে তাদের বাড়িতে পৌঁছবে। পুতুল কথা দিল সংবাদ…

নায়রি (শেষ পর্ব)

ফারহানা শরমীন জেনী মেয়ে বাবা ভক্ত মারাত্মক। বাবা অন্ত প্রাণ। মেয়ের হাঁটা চলা হাসি কথা সবই যেন মাঝির কাছে উপভোগ্য।মেয়ে তার খুব আদরের।  সে তার বউকে বলে "শুন্যা রাখ্ বউ আমি আমার বিটিকে ছেল্যার মত কর‍্যা মানুষ করভহেনি।আমি মাছধরা থাইক্যা নৌকা…

নায়রি (পর্ব-৩)

ফারহানা শরমীন জেনী উনাকে ভালো করে চিনে রাখ।এখানে যতদিন থাকবে উনার সাথে বারবার দেখা হবে তোমার।কখনও নৌকায়, কখনও নদীর ঘাটে, কখনও বাঁধে অথবা চড়ে বালির মাঝে। এগুলোই তার আবাস। তৃণা খুব কাছে যেয়ে তাকে দেখার চেষ্টা করলো।একদম ভাবলেশহীন নির্লিপ্ত…

বিশ্বাস অবিশ্বাস

-সুমাইয়া আফরোজা ...আরে দোস্ত, বলতেছি তো যে আমি এখন টাঙাইলের ভেতরে, তোরে কতবার বললে তুই বুঝবি বল তো, ...এইডা কোন কথা, তোর বার্থ ডের কথা আমি কেমনি ভুলি, আমি সেই ভোরে রওনা দিছি, মন খারাপ করিস না দোস্ত, আর দু ঘন্টার মধ্যে আমি পৌঁছে যাবো…