জাতের নামে বজ্জাতি

অলভ্য ঘোষ

একটা সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক উসকানিতে দেখতে পাচ্ছি সোশ্যাল মিডিয়া ভরে উঠছে। হাওয়া উত্তর প্রদেশ থেকে আসছে।অত্যন্ত ঘৃণা প্রকাশ করি ধর্মের নামে জাতের নামে এ ধরনের বজ্জাতি নোংরা রাজনীতি কে।ইন্ডিয়া মানে কেবল হিন্দু নয়। আর কারাকি জানার দরকার নেই। যারা ভারতের সার্বভৌমত্বতে আঘাত হানছে তারা দেশের সবথেকে বড় শত্রু।

হিন্দুস্তান নামটি এসেছে ফার্সি শব্দ “হিন্দু” থেকে। ফার্সি ভাষায় সিন্ধু নদকে বলা হত হিন্দু নদ।হিন্দুস্তানে স্তান অনুসর্গটি ও এসেছে ফার্সি থেকে ফার্সি ভাষায় যার অর্থ স্থান।আর হিন্দু সিন্ধু অববাহিকায় যারা থাকতো তাদের স্থান হিন্দুস্তান।হরপ্পা মহেঞ্জোদারো। আর এদেশের বাসিন্দারা দ্রাবিড় গোষ্ঠীর । আর্য এসেছে পারস্য থেকে। কেউ কেউ মনে করেন রাশিয়ার ইউরাল পর্বতের পাদদেশ থেকে ইন্দ্র ইরানি আর্য গোষ্ঠীর একটি শাখা দুই ভাগ হয়ে একটি ইরানে যায় ও অপরটি ভারতে  আসে। তার পর গ্রিক, শক ,হূন ,মুঘল ,পাঠান, বিট্রিশ ,পর্তুগীজ এসেছে এ দেশে।প্রাচীন বাঙালি জনগোষ্ঠীকে দু’ভাগে ভাগ করা যায়। প্রাক আর্য বা অনার্য জনগোষ্ঠী এবং আর্য জনগোষ্ঠী। আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠী মূলত চার ভাগে বিভক্ত- নেগ্রিটো, অস্ট্রিক, দ্রাবিড় ও ভোটচীনীয়। অস্ট্রিক গোষ্ঠী থেকে বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে বলে মনে করা হয়। অস্ট্রিক জাতিকে নিষাদ জাতিগোষ্ঠী নামেও অভিহিত করা হয়।  এই চার সম্প্রদায়ের রক্ত মিলে মিশে একাকার হয়ে ভারতের শিরা ধমনীতে প্রবাহিত হয়ে চলেছে। মূলত বাইরে  থেকে পুরুষেরা আসতো। নারী সঙ্গী বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এদেশ থেকে জুটাত কি লুট-করতো। ফলে শুনতে খারাপ লাগলেও সত্যি এটা আপনার আমার শরীরে প্রতিটি ভরতীয়ের অখণ্ড ভারতীয়ের শরীরে সংকর প্রজাতির রক্ত প্রবাহিত। তাই ভারতীয়দের মধ্যে চেহারার সাদৃশ্যে যে  বিভিন্নতা বৈচিত্র্য দেখা যায় তা পৃথিবীর  আর কোথাও নেই।

আর দেশের শত্রু কেবল পাকিস্তান চায়না  বর্ডারে নেই;যারা ভাই আর ভাইয়ে ভেদ গড়ে দেয়; যারা নিজের দেশ মাতৃকাকে টুকরো টুকরো করতে চায় ;মানুষকে লুট করতে চায়;তারা সমান শত্রু।  হিন্দু ,মুসলমান, শিক, জৈন ,বৌদ্ধ, খৃষ্টান, জাতি ধর্ম নির্বিশেষে মানুষের মনে যখন প্রশ্ন-জাগতে শুরু করেছে স্বাধীনতার ৭০ বছর পরেও কেন বেকারত্ব, গরিবি, নিরক্ষরতা, অস্বাস্থ্য ভারত ভূমিকে অভিশাপের মত তাড়া করে বেড়াচ্ছে ।ঠিক তখনই অস্ত্রের কুচকাওয়াজ  ধর্মের আফিং  খাইয়ে বোকা জনগণকে সীমান্তের ওপারে শত্রু দেখিয়ে দৃষ্টি ভ্রম ঘটানো হচ্ছে।তাদের সমস্যা গুলো থেকে দৃষ্টি এড়াতে। ধর্মের  মহিমায় সাধারণ কে ঘুম পাড়িয়ে রাখছে ভারত ,পাকিস্তান ,বাংলাদেশের  মত তৃতীয় বিশ্বের রাজনৈতিক দল ও নেতা নেত্রীরা।  আর সংবাদ  মাধ্যম গুলো ঢাক ঢোল পিটিয়ে সে খবর বেচে  লালে লাল হচ্ছে। কেউ প্রশ্ন-করছেনা ভারত পাকিস্তানের নেতা নেত্রীদের;বাজেটের যত টাকায় আপনারা অস্ত্র কিনছেন;সে  টাকায়  কত  গুলো জাতীয় সরক হতে পারতো?কত গুলো হসপিটাল  হতে পারতো?কতগুলো স্কুল হতে পারতো?কতগুলো মানুষের অন্ন সংস্থানের ব্যবস্থা হতে পারতো? অস্ত্রের ঝনঝনানিতেতো পেট ভরবে না দাদা।একটা এমন সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করুন  দেখি অবৈধ কালো টাকা উদ্ধার হয়ে যাক। ভোটের আগের  সুইস ব্যাঙ্ক থেকে কালো টাকা উদ্ধার কিহলো ?সিবিআই  জুজু ? রোজভ্যালি, সারদা ,নারদা ?কেঁচো খুরতে গেলে কেউটে বের হয়ে যাবে। তার চেয়ে বরং আসুন মজে থাকি মেলা, পর্বনে , যুদ্ধে।রাম রহিমে। এ যেন ধারাবাহিক টিভি সিরিয়াল এলাস্টিকের মত টেনে টেনে লম্বা করা হচ্ছে।

মধ্যবিত্ত

পৃথিবীতে যেখানে যত পরিবর্তন হয়েছে মধ্যবিত্ত হয়েছে কাণ্ডারি।নিম্নবিত্তের ক্ষমতা আর উচ্চবিত্তের ইচ্ছা থাকে না পরিবর্তনের ।সর্বহারা হতে হবে প্রকৃত পরিবর্তন হলে উচ্চবিত্ত এটা ভালো করেই জানে।পৃথিবীর সব সম্পদে পৃথিবীর সকল মানুষের সমান অধিকার।  গরীবি কোন পাপ নয় অভিশাপ নয়। সম্পদ বা সম্পত্তি মুষ্টিমেয় মানুষের হাতে কুক্ষিগত (Monopolization) হলেই একদল মানুষ গরীব হয়।এটা নিয়ে আজ আর কেউ প্রশ্ন তোলার নেই।কর্পোরেটের চাপরাসি মধ্যবিত্তের শিরদাঁড়া ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে।এখন তারা ব্যস্ত আছে ভীরু ভাই আম্বানি হবার স্বপ্নে।স্মাট ফোনে গভীর রাতে প্রেম করার অবকাশ দেয়া হবে তাকে কিন্তু আর কখনোই ক্ষমতার পুঁজির কেন্দ্রিভুত করনের বিপক্ষে প্রশ্ন তোলার সুযোগ দেওয়া হবেনা।বাঙ্গালির মূল্যবোধের পোয়া মেরে ছেড়েছে সত্তর সালের পর থেকে।এখন সে শেয়ার বাজারে ঘোরা ঘুরি করে শখ করে কবিতা পড়ে কিংবা স্টেটাস রাখতে গুন গুন করে রবীন্দ্র চর্চা ।ছেলেকে কনভেন্ট স্কুলে পড়ায় বাংলায় কম নম্বর পেলে বুলেট ক্যাপসুলের বিজ্ঞাপনের মত বলে “দুষ্টু” একদম পড়া শোনা করে না। (মনে মনে খুশি হয় ;ওটা পড়ে কি ছিড়বে?) নিজামের বিরিয়ানি তে পাটি দেয়।বৌয়ের জন্য ভ্যালেন্টাইন গিফট নিয়ে আসে।সেম গিফট লুকানো থাকে অফিসের কলিগ কিংবা কাজের মাসির জন্য।আপাত সম্মোহনে সংগ্রামের পথ বর্জন করেছে আজকের মধ্যবিত্ত।যেমন চায় পুঁজির দালালেরা।পুঁজিবাদ গলায় বেল্ট পরিয়ে শিকলে বেঁধে তার পোষা কুকুর বানিয়ে রাখবে মধ্যবিত্তকে।মাংস খাবে শিল্পপতি রা।আর ঘেউ ঘেউ করলে  মুখে হাড় গুঁজে দেবে।তাই অমৃত মনে করে চকাস চকাস করে চুষবে মধ্যবিত্ত।আর ভাববে মুখেশ আম্বানির ১০০ কোটি টাকা বছরে আয় হলে আমার হবেনা কেন।আগে আদর্শ হতো নেতাজী, গান্ধিজী, ভগৎ সিং এখন পাঠ্য করে তোলা হচ্ছে ভীরু ভাই আম্বানি ; গুগল কোম্পানি কিংবা এপেল কোম্পানির মালিকদের।এদের নিয়ে বই লেখা হচ্ছে বায়োপিক সিনেমা বানানো হচ্ছে এবং উদ্দেশ্য একটাই দেখো সাধারণ অবস্থা থেকে কিভাবে তুড়ি মেরে ধনী হলাম।যেন ইচ্ছে করলে তুমিও হতে পারো।এই স্ট্রোমার মধ্যে দিয়ে এগিয়ে চলেছে তৃতীয় বিশ্বের ছাগলের তৃতীয় সন্তানের মত মধ্যবিত্ত।সে শুধু দুধ ভর্তি স্তন দেখে !দেশের রাজনৈতিক ক্ষমতাসীন সরকার ও পুঁজিপতিরা চুষে নেবার পর ছিবড়ে টুকু দুইয়ে খায়। প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি চায় সাধারণ কে নিয়ন্ত্রণ ।আর তা যদি গুলি গালা না চালিয়ে কেবল রঙ্গ ব্যঙ্গে রসেবশে সুগার কোটে ধরে রাখা যায় ক্ষতি কি।

স্বাধীনতা আজও অধরা দাসপ্রথা আজও চলমান।কেবল শাসন, শোষণ ,নিপীড়ন, দাস বানানোর পদ্ধতির পরিবর্তন হয়েছে।এই নপুংসকের ভিড়ে উদ্দিপ্ত হওয়ার মত আলো না দিয়ে নিয়ন বাতির অলোয় কি করে তোমায় শুভ দীপাবলি জানাই বন্ধু। অন্তর্জালের প্রজ্জলিত চোখে তাই রেখে গেলাম আগুনের বীজ । দীপাবলির দীপশিখা আগুন লাগাক চেতনার শিরা উপশিরায়।পুড়ে ছাড়খাড় হয়ে যাক মানুষের অসাড়তা,অজ্ঞানতার,অন্ধকার।

প্রকৃত শিক্ষা

যিনি অ্যাটম বোমা বানিয়েছিলেন তিনিও উচ্চশিক্ষিত; কিন্তু প্রকৃত শিক্ষিত নয়। প্রকৃত শিক্ষা কেবল বিদ্যালয় উচ্চবিদ্যালয় থেকে আসে না; বাবা, মা, আত্মীয়, পরিজন, বন্ধু, সমাজ, সভ্যতা, রাজনৈতিক সামাজিক শুদ্ধতা, উদারতা, মানবিকতা থেকে জন্মায় । প্রকৃত শিক্ষা তাই যা একটা মানুষকে নিজের মতো করে দেখতে শেখায় অপরকে। প্রকৃত শিক্ষা অন্যের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাশীল করে তোলে। করে তোলে সহিষ্ণু। যারা মানুষ মারছে, যারা মানুষকে বিচ্ছিন্ন করে ধর্মের নাম নিয়ে, দলের নাম নিয়ে, দেশের নাম নিয়ে; তারা প্রত্যেকেই অশিক্ষিত! বোকা কালিদাস; যে ডালে বসে সেই ডালটাই কাটছে। এই পৃথিবীটাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সমগ্র পৃথিবীতে মাত্র দুটি শ্রেণী, জাত, দেশ, গোষ্ঠী, ধর্ম; মানবিক আর অমানবিক(Human and inhuman)। খারাপ লোকের কোন জাত হয় না, ধর্ম হয় না, দেশ হয় না, জাতি হয় না, তাই যখন বিশেষ কোন সম্প্রদায়ের নাম করে বা বিশেষ কোন সম্প্রদায়ের মানুষগুলোকেই খারাপ বলে চিহ্নিত করা হয়; বুঝতে বাকি থাকে না চিহ্নিত কারির স্বার্থ আছে। বাংলাকে বার বার বিভাজন করা হয়েছে; আজকের ডিজিটাল মিডিয়ার দৌলতে সব বিভাজন অগ্রাহ্য করে দুই বাংলার মানুষ মিলিত হচ্ছে । স্বাভাবিকভাবে গাত্রদাহ হচ্ছে কুচক্রীদের। নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চলছে। কু-প্রচার চলছে। এদের বানচাল করতে উত্তর দিতে হবে আমাদের। আমার প্রত্যেকটি ভারতীয়, বাংলাদেশী, প্রবাসী বন্ধু ভাই ও বোনেরা আসুন আজ উত্তর দেবার সময় হয়েছে। মুখ খুলুন ভয় পাবেন না। রুখে দাঁড়ান। প্রতিবাদ করুন।

অলক্ষ্যে বসে কেউ তোমায় আমায় লড়িয়ে ফায়দা তুলছে। পণ্যের বাজারে, ক্রিকেটের মাঠে, ভোট-বাক্সে আর আমরা বোকা পাঁঠার মতো লড়ছি। সোসাল মিডিয়ায় সামান্য একটা ফটোসফ যা একটা বাচ্চা ছেলে বানাতে পাড়ে তাই দেখে রে রে করে উঠছি।

প্রকৃত শিক্ষার ঠিকানাটি হচ্ছে আমাদের জীবন, যাপন। শাস্ত্র মতে ; Education is lifelong process. এবং স্কুল কলেজ ও বৃত্তি অর্জনের জন্য মানুষ যে শিক্ষা গ্রহণ করেন তাকে শিক্ষা শাস্ত্র সংকীর্ণ শিক্ষা বলে দাবী করেন। আর আমরা এই সংকীর্ণ শিক্ষায় বলিয়ান হয়ে যারা নিজেদের শিক্ষিত মনে করছি। আসলে অশিক্ষার পরিচয়ই দিচ্ছি।

শুধু সংস্কৃতি নয়; অর্থনীতি, সমাজনীতি, রাজনীতি এর ওপর প্রভাব ফেলে। ঐতিহ্য বংশগতি এগুলোও factor হয়ে দাঁড়ায়। রাসায়নিকে মাটি নষ্ট হয়ে গেলে জমি বন্ধ্যা হয় । যে দশা আমাদের হয়েছে। কৃষককে উর্বরতা ফেরাতে সচেষ্ট হতে হয়। কখনো চাষ বন্ধ করে কখনো বা এমন শস্য চাষ করে যা উর্বরতার পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে।

সংস্কারের নাম করে গোঁড়ামি ঢুকিয়ে দেবার চেষ্টা চলছে যেটা লালন করলে ফল ধরবে বটে; তবে পোকায় খাওয়া। সংস্কার যদি সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত গোঁড়ামি শূন্য হয় গ্রহণ করতে আমরা শুধু নই সমগ্র বিশ্বের কোন অসুবিধা নেই । আবার প্রবল যুক্তিবাদীদের দেখছি যে ভাবে মুক্তমন প্রকাশ করতে গিয়ে; সংস্কার শূন্যতা ব্যক্ত করতে গিয়ে; গোঁড়ামি মুক্তির নাম দিয়ে বসেছে মানুষের সমস্ত ধর্মিক আধ্যাত্মিক চেতনাকে পদাঘাত করা। সংস্কার মুক্তির বদলে তারাও সংস্কার আচ্ছন্ন। তারাও আর এক শ্রেণীর মৌলবাদী। বিঞ্জান আর দর্শন একে অপরের পরিপূরক। আধ্যাত্মিকতা না থাকলে প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ হারাবে। আর যুক্তি মনস্কতা না থাকলে ধর্মকে গ্রাস করবে গোঁড়ামি। Extremely তাই কোনটাই ঠিক নয়। দরকার সমতা ।

ক্রিয়া এবং প্রতিক্রিয়া দুটোই সমান ও বিপরীত মুখি। আমি বলছি না নিউটন সাহেব বলেছেন তৃতীয় সূত্র।

হিন্দু মুসলমানদের সার্বিক কল্যাণ নয় রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের খেলা চলছে:

অমর্ত্য সেন কে নোবেল পুরস্কার টা ভুল করে দেওয়া হয়ে গেছে।ওটা মহা পণ্ডিত দিলীপ ঘোষ ও দক্ষিণ ভারতে বসে এ রাজ্যে ২৭ থেকে ৩০% হয়ে ওঠা মুসলমানদের বাড়বাড়ন্তের পরিসংখ্যানের অংক কষা আর এস এস দের দেওয়া উচিত।

According to 2011 Census of India, West Bengal has over 24.6 million Muslims, who form 27% of the state’s population. It is also said that this rise is due to proximity to Muslim-dominated districts of neighboring state of Bihar and illegal migration from Bangladesh cause demography change in the state.

মাত্র তিন হাজার টাকা দিলে বাংলাদেশ থেকে ইন্ডিয়াতে অবৈধ প্রবেশ করায়ায় দাবি করেছেন একজন বাংলাদেশী (প্রবাসী) ব্লগার।

বডার সুরক্ষার ভার তো কেন্দ্রীয় বাহিনী বিএসএফ এর হাতে তাই না।

Bengali Muslims are minority in all districts of Bengal except Uttar Dinajpur (49.92%) , Maldah (51.27%) and Murshidabad (66.28%).According to Wikipedia; Islam is also the second largest and the fastest growing religion in the Indian state of West Bengal.In West Bengal capital Kolkata Muslim’s Population is 926,414 making up 20.6% of the city population as of 2011 census.

নব্য উপনিবেশিকতাবাদ:

রাঘব বোয়াল টাটা বিড়লা টাকা রাখেন সুইস ব্যাংকে।যার টিকিটাও মোদী ছুঁতে পারবেন না।আর বাকিটা খাটবে বাজারে।মধ্যবিত্ত সহসা পয়সা পিটে নেওয়া নব্য কালোবাজারি দের নাভি শ্বাস উঠবে।আর মহাজনের মহাজন বহুজাতিক কোম্পানিগুলো গাইবে আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে।নব্য উপনিবেশিকতাবাদ জিন্দাবাদ।আমার মাঠে গম ফলবে খরিদ করবে তারা।তারপর তা ভাঙ্গিয়ে আটা করে আমাকেই বেচবে দুই টাকার রুটি হবে দুইশত টাকা।আমরা চুনোপুঁটিরা স্লোগান দেব মোদী জি অমর রহে।এদিকে রাঘব বোয়াল রা ফিকফিক করে হাঁসবে।

এত ছুঁচো মেরে হাত-গন্ধ :

সাধারণের লাভ কিছু দেখছিনা। লাভ পাবে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো।এদেশের চালকল; তেলকল ,কালো বাজারি ,মজুদদারদের এভাবে রোখা হয়তো যাবে।তবে পথ সাফা হবে বড় বড় শিল্পপতিদের যারা টাকা ঘরে বালিশে তোষকে পায়খানার প্যানে পোষেন না।বিজয় মালিয়ারা আরকি। ন শো কোটি টাকা কোথায় রেখেছে।একটি সার্জিকাল স্ট্রাইক করে বের করুন-দেখি কত বড় বাপের বেটা।এত ছুঁচো মেরে হাত-গন্ধ।ছিচকে চোরদের চুরি বন্ধকরে বড় ধেরে ডাকাত দের বলছে এসো লোটো। ফলে আলু পিয়াজ নিত্য প্রয়োজনীয় যে জিনিস গুলো এখনো কিছুটা সস্তায় বাজার থেকে মিলছে। এসবের ওপরেও একচেটিয়া ব্যবসার অধিকার করে ফেলবে দেশী বিদেশী শক্তিশালী কোম্পানি গুলো।চাষিদের কাছ থেকে কাঁচামাল কম দামে কিনে প্যাকেট করে চড়া দামে বেচবে শপিং মল খুলে।আর এই মল মূত্রে সাধারণে বুঝবে খাল কেটে কুমির আনা হয়েছে।শিব গড়তে গিয়ে বাঁদর গড়েছে।

মাঝ খানে সাধারণ এগোলে সর্বনেশে।পিচুলে নির্বংশে:

পক্ষ বিপক্ষ কার মধ্যে স্বচ্ছতা খুঁজে পাচ্ছি না।দেখছি রাজনৈতিক ভণ্ডামি।সাধারণের জন্য কাঁচ কলা ।উৎকৃষ্ট এবং স্বাস্থ্য  কর এই কালো টাকার কোষ্ঠকাঠিন্যে?ইউপিএ সরকারের নেতৃত্ব দেওয়া কংগ্রেস গরীব দুখিদের হেনস্তার নাম করে কালোবাজারি মজুদদার অসৎ উকিল ডাক্তার ঘুষ খোর নেতাদের শ্রী ধরে রাখার চেষ্টা করছে।আর বিজেপি সরকার বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর নুন খেয়ে তাদের মার খাওয়া মল গুলোতে অক্সিজেন দিতে বেসরকারি ব্যাংকের রমরমা গড়ে দিতে কালো টাকার নামে ভারতীয় অর্থ ব্যবস্থায় বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর পথের কাঁটা খুচরা কারবারির দফারফায় নেমেছে।ক্যাসলেস অর্থনীতির ধ্বজা ওড়াচ্ছে।মুদির মাল ও অনলাইনে কিনুন।মোদীর গদি বাঁচান।সরকারি ব্যাংকে এত টাকা জমা পড়বে যে সরকার সে টাকা খাটানোর জায়গা পাবেনা।ফলে ইন্টারেস্ট তাকে ঘর দিয়ে দিতে হবে।সেটা কত দিন। হরতুকি দিয়ে তো ব্যাংক চলেনা।ফলে সাধারণের সুদের হার কমবে। ব্যাংক বন্ধ্য হওয়া বা সরকারী ব্যাঙ্কের বেসরকারি করন ও অচিরেই সরকারী ব্যাঙ্ক বিদেশী ব্যাঙ্ক হয়ে ওঠাও অমূলক নয়। মানুষ যেখানে টু পার-সেন্ট সুদ বেশি-পাবে সেদিকে যাবে।Cashless Transaction এ ও বেসরকারি ব্যাংক গুলো বিশেষ সহায়ক হবে বলে  মনে করি।ওদিকে দেশের কালো টাকা বিদেশে সাদায় কনভার্ট হয়ে বুড়ো আঙ্গুল দেখাচ্ছে।আর এদিকে ডাক্তারি না পড়ে ডাক্তার মোদী বাবাজির সার্জিকাল স্ট্রাইক দেখছেন ভক্তরা তিনি বাতকর্ম করলেও।যোগী পুরুষ কোন গন্ধ নেই।  আর মাঝ খানে সাধারণ এগোলে সর্বনেশে।পিচুলে  নির্বংশে।

ভারতের সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখতে আমাদের সুজন হতে হবে:

বাবা বিয়ে কেন করছো মায়ের জন্য দাসী আনতে যাচ্ছি।বাবা মৈথুন কেন করছো ?বাবা কে একটা নাতি উপহার দেব।বাবা নতুন ফ্ল্যাট কিনলে? হ্যাঁ মা আনন্দ পাবে আমার উন্নতি দেখে তাই।বাবা গাড়ি কিনলে? বাবার জন্য হাঁটতে তার বড় কষ্ট হয়।

দুঃখের বিষয় ছেলের বৌ মা কে দাসী বানায়; দাদু নাতনির দেখাশুনার লোক হয়।বাবা এখনো পথ হাঁটে পায়ে।বাবা মা পুরনো কুঁড়ে ঘরেই থাকে।সব কিছুই কিন্তু বাবা মার জন্য উৎসর্গীকৃত ছিল।শুধু নিজের সুবিধা নেওয়া হল।

এটাই হলো ধর্মের সাথে ভন্ড মানুষের সহবাস। ধর্মের নাম নিয়ে আখের গোছানো।

ইসলাম বলে: সম্পদের মূল মালিক মহান আল্লাহ, মানুষ সম্পদের আমানতদার এবং অর্থ মানব জীবনের অখণ্ড্য ও অবিভাজ্য বিষয় সমূহের একটি মাত্র। তাই ইসলামের দৃষ্টিতে : “আল্লাহ নির্দেশিত জীবন দর্শনের ভিত্তিতে মানুষের জীবিকা আহরণ, আহরিত সম্পদের ন্যায্য বণ্টন এবং সুষ্ঠু ও সুন্দর ব্যয় ও ভোগ ব্যবহারের নির্দেশনাই অর্থনীতি। ইসলামি অর্থনীতিতে উন্নয়ন ও সমস্যার সমাধান নির্দেশনা প্রদান করা হয় আদর্শ ও ন্যায় নীতির ভিত্তিতে। সুদ খাওয়া ইসলামে হারাম ।আমি দেখেছি ভারতের অনেক মুসলিম সাধারণ ব্যাংকে টাকা রাখেন।সুদের পয়সা কিন্তু ছেড়ে দেয়না ইসলামের নাম নিয়ে।মুসলমান ভোট ধরে রাখতে মোদি এদেশে ইসলামী ব্যাংকের  প্রচলন করবে  বলছেন।সে কথা কেউ বলেনা ।ব্যক্তিগত আইন তুলে দেবার কথায় শরিয়তি আইন পরিবর্তনের আশংখ্যায় গলা ফাটাচ্ছে।কোন কিছুই দেশের আপামর মানুষের চাইতে বড় নয়।

যদি সর্বজনের হিত সাধনে স্বাধীনতার ৭০ বছর পড়েও অসাম্যের এই দেশেএকটি সাম্যবাদী সংবিধানের জন্ম না হয় তাহলে কবে হবে।

রাতে আমার হাত পা ছড়িয়ে ঘুমানোর অভ্যাস।খুব ছোট ঘর দুটি খাট রাখার জায়গা নেই।বিয়ের পর আমার কি হবে বলুন-তো।বউ এর সাথে একি বিছানা ভাগ করবো কিভাবে?সোজা হিসেব অভ্যাস বদলাতে হবে। না হলে বৌ পালাবে।

যদি হও সুজন তেঁতুল পাতায় দুজন।সুজন না হলে দুজন একসাথে একি বিছানা ;একি ঘর একি বাথরুম দিনের পর দিন বছরের পর বছর শেয়ার করা যায় না।

ভারতের সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখতে।আমাদের প্রতিটি ধর্মের মানুষকে সুজন হতে হবে।

সাম্প্রদায়িক সংগঠন গুলো কে সাথে নিয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলন করা যায় না :

উদার গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল দলের পক্ষে  সমাজ বাস্তবতায় যতটুকু উন্নয়ন রাজনৈতিকভাবে,অর্থনৈতিক ভাবে করা সম্ভব,ততটুকুতে পৌঁছানো ছাড়া অধিকতর রাজনৈতিক শক্তির আবির্ভাব সম্ভব নয়।বিজেপি নিষিদ্ধ হবার সময় এগিয়ে আসছে।  বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছে নরেন মোদী মাঠে ঘাটে বক্তৃতা করেন।পার্লামেন্ট থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন কেন?গণতন্ত্রের পার্লামেন্টে প্রতিটি প্রশ্নের জবাবে উত্তর দিতে হয়।তিনি দিচ্ছেন না।ঠিক মত উপস্থিত থাকছেন না।তাকি গণতন্ত্রের অবমাননা পার্লামেন্টের অবমাননা নয়?গণমাধ্যম ও নিজের অধিকার সচেতন মানুষ গুলোর কাছে এবার জবাবদিহি করতে হবে তাকে এইঅর্থনৈতিক জরুরী অবস্থা কালোটাকা  মুক্ত করেছে এদেশ কে?কতটা মানবিক ছিল এ সিদ্ধান্ত?কত কোটি কালো টাকা উদ্ধার করলেন তিনি?কতটা গরিবের পক্ষেছিল এ স্বিধান্ত?কতটা দেশী বিদেশী কোম্পানিগুলোর দালালী করলেন তিনি?তার মুক্ত বাজারের সারাৎসার ক্যাশলেস অর্থনীতি কতটা গিলে খাবে খুচরা কারবারিদের?কত গুলো ধুকতে থাকা মল মূত্র Multinational Companies(MNC)গুলোর পথ প্রসস্হ হল?কতগুলো শিল্প প্রতিষ্ঠানের বহু টাকার  ঋণ সরকার মকুব করেছে? বিজয় মালিয়া সুইস ব্যাংকের কালো টাকা কি হলো?

সাম্প্রদায়িক সংগঠন গুলো কে সাথে নিয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলন করা যায় না।সমাজের মধ্যে গণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী মানসিকতা ও সাম্প্রদায়িক চেতনার উন্মেষ ঘটিয়ে গণতন্ত্র রক্ষা হয় না।স্বৈরতন্ত্র স্থাপিত হয়। গণতন্ত্রর সংবিধানে তাই স্বৈরতন্ত্র নিষিদ্ধ।

সাধারণকে নিজের মধ্য লড়িয়ে ব্যস্ত রেখে তার অভাব অভিযোগ থেকে দৃষ্টি ঘোরানো:

লেকটাউন, ভাঙড়, মল্লারপুর, কাটোয়ার পরে ধূলাগড়। গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা বেড়েই চলেছে রাজ্যজুড়ে। সর্বশেষ ঘটনা ধূলাগড়ে। তিন, চার দিন ধরে উত্তপ্ত হয়ে হাওড়ার ধূলাগড়ের দেওয়ান ঘাট।

ঘটনা ঘটার তিন দিন কেটে গেলেও সেভাবে কোনও মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়নি খবরটি। সোশাল মিডিয়ার একাংশ  প্রতিদিন উস্কানিমূলক  পোস্ট দিয়ে চলেছে সেই অপদার্থ দালাল  গুলকে আমাদের বন্ধুর তালিকা থেকে বাদ দেবার আর গ্রুপ গুলোতে  ব্লক করার মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে এ হিংসার রাজ্যজুড়ে প্ররোচনার   প্রতিবাদের আহ্বান  জানাই।। দু’টি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের খবর প্রকাশ করলে তাতে উস্কানিমূলক রিপোর্টিংও হয়ে যেতে পারে।  কোনও উস্কানি মূলক পোস্ট মন্তব্য  কারিকে  সকলে সামাজিক বয়কট  করুন।  সংবাদমাধ্যম গুলকে  সাধুবাদ জানাই  । বিভ্রান্তি  ছড়াবেন না।।বিভ্রান্ত হবেন না।এ ধরনের  কোন্দলে  বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া;বিগত ৩০,৪০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা সেভাবে ঘটেনি। কিন্তু বছর-খানেক ধরে হঠাৎই বাড়ছে এই ধরনের ঘটনা।কারণ  ক্রমশ: রাজনৈতিক দলগুলোর ভণ্ডামি সাধারণের চোখে  ধরা  পড়ছে।।এ ধরনের  গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা সাধারণকে  নিজের মধ্য লড়িয়ে ব্যস্ত রেখে তার  অভাব  অভিযোগ থেকে  দৃষ্টি  ঘোরানো।যাতে সাধারণ তার গরিবি  বেকারত্ব তার উপর  চলা প্রাতিষ্ঠানিক  নির্যাতন  নিয়ে  প্রশ্ন না  তোলে।ধর্মের জাতের নামে বিভাজিত করে দল ভারী করাও  সুবিধাজনক।একটা কথা মাথায় রাখবেন সাধারণে সংগঠিত হোক রাজনৈতিক দালালেরা কখনোই চায় না। মানুষ সংঘটিত হলে তাদের  কেউ পুছবে  না।

এটা দেশহিতৈষীতা নয় রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল:

প্রতিশোধ কার বিরুদ্ধে ?কিভাবে? গণতন্ত্রের প্রতিশোধ  বোতাম টিপে হয়।  তা  হলে গণতন্ত্র  খোয়া গেছে মানুষ  ধরে ফেলেছে।এখন তারা সংঘটিত হতে চাইছে ভন্ড রাজনীতির বিরুদ্ধে।আর তাই তাদের বিচ্ছিন্ন করতে মুরগির লড়াই এর আয়োজন চলছে ।অত্যন্ত  ঘৃণা প্রকাশ  করি  এ  ধরনের নোংরা   রাজনীতিকে।প্রতিদিন উস্কানিমূলক পোস্ট বেড়ে চলেছে স্যোশাল মিডিয়ায় ; প্রতিরোধ করার জন্য কোন রকম উস্কানি মূলক পোস্ট মন্তব্য কারীকে সকলে সামাজিক বয়কট করুন।

কার বিরুদ্ধে লড়াই? কার লড়াই?সিস্টেমের বিরুদ্ধে লড়াই হচ্ছে না।যেটা দরকার।দুটো বানরের দল।একটা এলাকা দখলের লড়াই।একটা দল তন্ত্র গিয়ে আরেকটা দল-তন্ত্রের প্রতিষ্ঠায় সাধারণের কিছু লাভ নেই।আর একটা ক্ষমতার লোভ। ক্ষমতা দখলের রাজনীতি; মানুষের মেরুকরণ করে তাদের দলীয় কর্মী সমর্থক বাড়াতে  চায়।তাই এই মেকি লড়াইয়ে মানুষ ক্ষেপানো।হিংসা দিয়ে কেবল হিংসা ছড়ায়।আর ওই লোক গুলো গণতন্ত্র  ঢাল করে স্বৈরতন্ত্রর পৃষ্ঠপোষকতা করে।ভারতের সার্বভৌমত্ব কে সেকু মাকু  বলে উপহাস করা লোক গুলো আসলে বোঝেনা সেকুলারিজম কে অস্বীকার করলে  ভারতের অস্তিত্ব টেকে  না।কেন্দ্রে ভোট আসন্ন ঘর গুছাতে উঠে পড়ে লেগেছে রাজনীতির কারবারিরা।দিল্লীর সিংহাসন হাতছানি দিয়ে ডাকছে।সর্ব ভারতীয় রাজনীতিতে এখন নিজেদের অবস্থান পোক্ত করার পালা।এটা  দেশহিতৈষীতা  নয়।রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল। যে ক্ষমতা প্রাপ্তির পর দল গুলোর নেতা নেত্রীর শ্রী বৃদ্ধি ঘটে।সাধারণ যেই  তিমিরে ছিল সেখানেই থাকে।

একটা  মানুষের একটা হাত পচে গেলে কি করা উচিত। প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসা করে হাতটি বাঁচানোর চেষ্টা করা উচিত।তারপর তা যদি সম্ভব না হয়। হাতটা কেটে বাদ দেওয়া ছাড়া গতি নেই।কারণ বাকি  শরীরটাও সে পচিয়ে দেবে।to avoid the violence; do refuse the violator. Block them.

নেতা\যে দেশে এই অতিমানব যত বেশি জন্মায় সে দেশের সাধারণ ততো দুর্বল:

যে দেশে এই অতিমানব যত বেশি জন্মায় সে দেশের সাধারণ ততো দুর্বল।কারণ সাধারণ শক্তিশালী হলে অতিমানব কে জন্মাতে হতো না।এটাই ট্রাজেডি ভারতে মহাপুরুষের ছড়াছড়ি।।ব্যক্তি  সংগ্রাম  দিয়ে সংগঠিত  প্রতিষ্ঠান টলানোর  স্বপ্ন ;গাঁজা খেয়ে  রাজা হওয়া।ইতিহাস বলে জনগণের উত্থানই কেবল দিতে  পারে সার্বিক রাজনৈতিক পরিবর্তন।তাই মানুষের ভবিতব্য ভবিষ্যতের  দিকে চেয়ে না থেকে আজি তাকে  নিজহাতে তুলে নিতে হবে।নেতা সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি। হ্যামলীনের বাঁশীওয়ালার মত তার কোন  Supernatural Power বা অতিপ্রাকৃত ক্ষমতা নেই ।জনগনই শক্তির উৎস। একটা দেশের মানবসম্পদ সেদেশের জনগণ।ভারত প্রাকৃতিক ও মানব সম্পদ উভয় সম্পদে সমৃদ্ধশালী  কেবল উভয় সম্পদই লুট হয়ে যায় এ  দেশে।আর লুটেরারা চায় সাধারণ সংগঠিত না হোক।তারা ভাগ্য নিয়তি ভগবান এসবে  একটু বেশি করে আস্থা রাখুক।তাতে সংগঠিত সংগ্রামের বৈজ্ঞানিক চেতনা  খর্ব হয় অতি সহজে।আবার সাধারণের নেতা হিসেবে নিজেদের লোক নিয়োজিত করে সাধারণের নিয়ন্ত্রণ করে  পুঁজি বাদী ,সম্রাজ্য বাদীর দল।যদি ধরে নিই যে কোন আন্দোলনের নেতা বাঞ্ছনীয় তবুও মুখ্য জনগন। যেমন বিবাহে মুখ্য পাত্র পাত্রী ঘটক  নয়।নেতা কেউ হয়ে জন্মায় না। জনগণি তার নেতার জন্ম  দেয়।নেতৃত্বের আভিজাত্য নিয়ে কখনো নেতা হওয়া যায় না। নেতা কেবল  জনগণের ইন্টারপ্রেটার দোভাষী।জনগণের ভাবি তার  ভাব। সে  বিচ্ছিন্ন কিছু নয়।

যে নিজের ধর্মকে সঠিকভাবে জানে সে নিজেকে সঠিক ভাবে জানে:

যে নিজের ধর্মকে সঠিকভাবে জানে সে  নিজেকে সঠিক ভাবে জানে।তার  কখনো অন্যের প্রতি অন্যের ধর্মের প্রতি অশ্রদ্ধা থাকতে পারে না।  মুশকিল টা হলো বেশির ভাগই বোঝেন ধর্ম মানে বিশেষ ভাষা, বিশেষ পোশাক, বিশেষ দেশ , বিশেষ আচার বা আচরণ; বোঝেনা ধর্ম মানে নির্বিশেষে মানবতায় উত্তরণ।  ধর্ম ব্যবসায়ীরা বুঝতে দেয় না তা।ব্যবসা চৌপাট হবার ভয়ে একটা বিশেষ নিগুঢ়ে বেঁধে রাখে মানুষকে।অথচ সাম্য ও মৈত্রী কেবল কমিউনিস্টদের কথা নয় প্রতিটি ধর্মের কথা।

একবার চোখ মেলে দেখ নিজেকে।ঈশ্বর দর্শন হয়ে যাবে:

প্রাকৃতিক ,ভৌগোলিক ,সামাজিক, রাজনৈতিক অভিযোজনের থেকেই এসেছে ধর্মের বিভিন্নতা।সম্পৃক্ততা রয়েছে অন্তরালে। শ্রী চৈতন্য, যীশু, হজরত জীবনের অনেকটা সময় ভ্রাম্যমান থেকেছেন সঞ্চয় করেছে জীবন বোধের উৎকর্ষতা ;কতটা দৈব বা আকাশবাণী ছিল জানিনা তবে মানুষ ও মানবাত্মার ক্রমান্বয়ে সংস্করণ ছিল বলতে পারি। এরা স্থিতো প্রজ্ঞা ছিলেন।একমাত্র স্থিতো প্রজ্ঞ পুরুষই মানবেতর জীবন থেকে অনুভবে সিঞ্চন করতে পারেন মানব জীবন দর্শন। যা আধ্যাত্মিকতা নামে পরিচিত।কে আমি?রেলগাড়িতে বসে যেমন ভ্রান্তি হয় আমরা স্থির দুনিয়া ছুটছে। তেমনি বৈষয়িক সুখে মানুষের একি দশা।যখন সে বস্তুর জড়ত্ব থেকে মুক্ত হতে পারে তখনই তাত্ত্বিক জ্ঞানের জন্ম হয় তার আগে সম্ভব নয়।intellectual world এর সাথে materialistic world এর কোন সম্বন্ধ নেই;দুটি দুই মেরু।এমনটা আমি বিশ্বাস করি না। একটি সূক্ষ্ম সম্পর্ক আছে। যে রাজা যত বেশি প্রজা পালক সে ততো বেশি সমৃদ্ধ।গোরুকে যেমন যত্ন করবে তেমন দুধ দেবে।গৌতম বুদ্ধ জীর্ণ শরীরে সুজাতার পায়েস খেলেন।পেটে খাবার না জুটলে তত্ত্ব বাগীশ মারা পড়বে।পেট মানে না ধর্মের কথা।শীতকালে বনের জলাশয় গাছপালা শুকিয়ে যায়।বনের পশুরা দুর দুরান্তে রহনা হয়।লোকালয়ে ঢুকে পড়ে বাঘ । কেবল খাবার না পেলেই বাঘ মানুষ খায়। মানুষ তাই করছে খেতে না পেয়ে আরেকজনকে ছিড়ে খাচ্ছে। তবে মানুষের কেবল জৈবিক খিদে নেই আরো অনেক প্রকারের খিদে আছে।যা পূরন করা হয় না।যা জিইয়ে রাখতে পারলে এক শ্রেণীর মজা। যারা ধর্ম নিয়ে প্রাণ পাত করছেন;কিংবা রাজনীতি নিয়ে বক্তৃতা ঝাড়ছেন;তারা স্বধর্মে স্বদলের কয়টি গরিব লোক কে অর্থনৈতিক সামাজিক ভাবে তার সমান করে তোলেন।একজন কেও না!কারণ সমান হলে তার কথা শুনবে কেন।স্থিতপ্রজ্ঞ পুরুষই বলতে পেরেছে এসো আমরা সবাই সমান ঈশ্বরের রাজ্যে আমাদের সমান অধিকার।আমি ঈশ্বর নই।তার পুত্র। যেমনটি তুমিও।যেমনটি আমরা সকলে।একবার চোখ মেলে দেখ নিজেকে।ঈশ্বর দর্শন হয়ে যাবে।

গরুর রচনা:

মানুষ এত বোকা নয়………………….. একদল মানুষ দেখি গরুর রচনা মুখস্ত করে দিব্যি সোশাল নেটওয়ার্কে লিখে চলেছেন।যেদিন মানুষের দাবি কয়লার রচনা।সেদিন বলে কয়লা একটি খনিজ সম্পদ।মাটির নিচে থাকে।মাটির উপরে থাকে মাঠ।সেখানে ঘাস ফলে গরু ঘাস খায়।গরুর দুটি শিং চারটি পা একটি লেজ।মাথা ভর্তি গোবর।থুড়ি গোয়াল ভর্তি গোবর দেয়।সেই গোবর দিয়ে ঘুঁটে হয় ইত্যাদি ইত্যাদি।তাদের যদি উড়োজাহাজের রচনা লিখতে বলা হয় তাকেও তারা দিব্যি গরুর ফরমেটে ফেলে দেবেন।উড়োজাহাজ আকাশ দিয়ে উড়ে

দেশ বিদেশে যায়।উড়জাহাজে করে অনেক জার্সি গরু দেশে আসে।জার্সি গরুর সাথে দেশী গরুর প্রজননে যে শংকর গরুর জন্ম হয় তা দীর্ঘদিন বাঁচে অনেক গোবর দেয়।দেশী গরুর মতো দুধ দেয়না।অথচ এই জার্সি গরু নিয়েই আমরা লাফালাফি করি। আমারা এত সুন্দর যোগও গরু স্যরি দেশি গুরু না  থুড়ি গরু হওয়া সত্তেও। আমাদের গরু ওই জাহাজে করেই বিদেশীরা নিয়ে যাচ্ছে। কেটে খাচ্ছে গো মাতাকে।উড়োজাহাজ গরুতে জমে ক্ষীর।অবাক লাগে এরা সাধারণ কে কি ভাবে মুরগি।না ছাগল।

রাম চরিত ও সুগ্রীব চরিত্র:

পশ্চিমবঙ্গে যে রাম ভক্ত হনুমানেরা আজ সেতু নির্মাণে হাত দিয়াছেন;ইতিপূর্বে তারা সর্বহারা বামদেব এবং ৭১-৭২ কামদেবের সাধক ছিলেন।কাম ও বামে আজ শক্তি নাই।তৃণ মূলে বেজায় ভিড় মেলা বসিয়াছে আহা কত রকমের ম্যাজিক,সার্কাস,তেলে ভাজা শিল্প,গান গাইতেছে ছবি আঁকিতেছে কেবল নাচিতেছে না নাচাইতেছে;পদ্যে গদ্যে সংস্কৃতির বন্যা বহিতেছে।পুরস্কার পাইয়ে দেওয়া চলিতেছে।ভিড় যত বেশি পাইবার সম্ভাবনাও ততো কম।সিভিক পুলিশের চাকুরী ঘুষ দিয়া তাহাও হরকাইবার জো।অগত্যা বালী ভ্রাতা সুগ্রীব সিয়োর শট হইয়া দাড়াইয়াছে।রামচন্দ্র কথা দিয়াছে সীতা কে ফিরিয়া পাইতে সহায়ক হইলে কিষিন্ধ্যার রাজা করিবে সুগ্রীবকে।সুগ্রীব রাজা হইলে বানর সেনার ও হিল্লে হইবে।সাধারণের মিলবে কী?তৃণ মূলে বাঁশের চাষ হইয়াছে নারদা,সারদা,গোলাপ উপত্যকা সাধরণের প্রাণ কেষ্ট হইয়া উঠিয়াছে। আর পদ্মে রাম দেবে এ বাংলার অবশিষ্ট যে টুকু রহিয়াছে যোগের নামে বিয়োগ হইয়া যাইবে।সুগ্রীব একটি মেরুদণ্ডহীন প্রাণী।যেমন রামচন্দ্র ধর্মের ধ্বজাধারী অধর্মের ষাঁড়।কেন কহিতেছি বলিতে গেলে পুরান কাহিনী আবার বলিতে বসিতে হইবে।যাহার দ্বারা রাম ও সুগ্রীব চরিত্র পরিষ্কার হইয়া উঠে।

ঋক্ষরজার গ্রীবায় সূর্যের বীর্যপাতের ফলে জন্ম হইয়াছিল বালীর।যেমন কামের বীর্যে মা মাটি মমতার ঘাস গজাইয়াছে।ঋক্ষরজার মৃত্যুর পর বালী রাজা হইয়াছিল। রাজনীতিতে ক্ষমতার হস্তান্তর ঘটে।কত রাহু কেতুর আগমন ঘটে।বিলোপ ও ঘটে।সিংহ গরু এক ঘাটে জল খায়।বিতর্ক করিয়া সস্তায় লাইমলাইটে থাকিতে চায় অনেকেই।কিছুদিনর মধ্যেই নারী ঘটিত এক কারণে মায়াবী নামক এক অসুরের সাথে বালীর সংঘাত উপস্থিত হইয়াছিল।মায়াবী কিষ্কিন্ধায় এসে বালীকে যুদ্ধে আহ্বান করিলে;বালী ও সুগ্রীব যুদ্ধে অগ্রসর হন।এরপর মায়াবী ভয়ে একটি গহ্বরে প্রবেশ করিলে ;সুগ্রীবকে গহ্বরের মুখ রক্ষা করতে আদেশ করিয়া বালীও উক্ত গর্তে প্রবেশ করেন। এক বৎসর অপেক্ষা করার পরও বালী ফিরে না এলে এবং গর্তের মুখে রক্ত দেখিয়া সুগ্রীব মনে করিলেন তার জেষ্ঠ ভ্রাতা বালীর মৃত্যু হইয়াছে। সুগ্রীবের তো সাপে বর হইলো।রাজ্যে ফিরিয়া রাজপদ এবং বালীর পত্নী তারাকে(বিবাহ করিয়া)অধিকার করিয়া বসিলেন।পরে বালী অসুরকে হত্যা করিয়া ফিরিয়া আসিয়া এই কেলোর কীর্তি দেখিয়া সুগ্রীবকে তিরস্কার করিয়া রাজ্য থেকে কেবল বিতাড়িত করেন তাহাই নয় প্রতিশোধে বালীও সুগ্রীবের স্ত্রী রুমাকে অধিকার করিয়া বসেন।মনের দুঃখে সুগ্রীব তাঁর সহচর বানরদের লইয়া ঋষ্যমুক পর্বতের মাতক্মুনির আশ্রমের কাছে আশ্রয় লইয়া রহিলেন।কারণ বালী মাতক্মুনির অভিশাপের ভয়ে অনিষ্ট করিতে পারিবেনা সুগ্রীব তাহা জানিত।এহেনো মেরুদন্ড হীন পরাশ্রয়ী সুগ্রীবের এখানেই মোলাকাত হয় রাবণ কর্তৃক সীতা অপহৃতা রাম লক্ষণের সাথে।এ রাজ্যের কাম বাম থেকে আশাহত রা যেমনি সব কূল হারাইয়া রাম নাম জপি কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন ভাম ধরিয়াছে ঠিক সুগ্রীবও তেমনি রামকে পাকড়াও করিয়া শক্তিমান হইতে চাহিলো।রাম-লক্ষ্মণের সহায়তা করিবেন প্রতিজ্ঞা করিলেন।কিষ্কিন্ধার সাথে এ রাজ্যের কিছু প্রভেদ নাই।বালী সুগ্রীবের সাথেও অমিল নাই এ রাজ্যের নেতা নেত্রীদের।একটু মিলাইবার চেষ্টা করিলেই বুঝিতে পারিবেন আশা করি।তবে এ কথাও বলা বাহুল্য বালীর তবু পুরুষত্ব রহিয়াছে সুগ্রীবেরতো লবডঙ্কা!কিছুই নাই।থাক সে কথা রাম চরিত্রে আসা যাক। যাহাকে নিজের রাজ্য ছাড়িতে হইয়াছে স্ত্রী কে রক্ষা করিতে পারে নাই।যাহার কোন কান্ড জ্ঞান নাই তিনি কান্ডারী হইয়া বসিলেন।কালো টাকা সোনার হরিণ ধরিতে গিয়া ক্যাশলেস বাণে মারীচ রাক্ষস খুচরা কারবারি মারিয়া বীর বাহু কুটিরে মানে পার্লামেন্টে ফিরিয়া দেখিলেন সীতা মানে সম্মান বিরোধীরা লুট করিয়া লইয়াছেন।রামের পরামর্শে সুগ্রীব কিষ্কিন্ধায় গিয়া উসকাইয়া বালীকে দ্বন্দ্বযুদ্ধে আহ্বান করিলেন।যেমন ভাবে অমিত শাহ নরেন্দ্র মোদীদের পরামর্শে এ রাজ্যের বীর হনুমানেরা সাম্প্রদায়িক উসকানিতে ভোট যুদ্ধ্যে তৃনমূলকে পরাস্ত করিয়া ক্ষমতাদখলের স্বপ্ন দেখিতেছে।বলবো না বলবো না করিয়াও সবারই নাম করিয়া ফেলিলাম। যুদ্ধ চলাকালিন রাম আড়াল থেকে বাণ নিক্ষেপে বালীকে হত্যা করবেন এমন প্রতিজ্ঞা করিলেও ব্যার্থ হইয়াছে।গত নির্বাচনে এ রাজ্যে সিবিআই বাণ ফলপ্রসূ হয় নাই।যুদ্ধ চলাকালে উভয়ের দৈহিক আকৃতির সাদৃশ্য রামচন্দ্রকে বাণ নিক্ষেপে বিরত রাখিয়াছে।তৃণ পদ্ম উভয়ের নেতা নেত্রীর স্ক্যান্ডাল সমানে সমানে বাহির হইয়া আসিয়াছে।রাম এইবার ঠিক করিয়াছেন সুগ্রীবের গলায় গজপুষ্পীলতা বেঁধে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠাইবেন।চাপা পড়ে যাওয়া নারদা ভিডিও আবার বাহির হইয়াছে।এবার গজপুষ্পীলতা’র চিহ্ন দেখিয়া সুগ্রীবকে চিহ্নিত করিবেন এবং বালীকে বাণ মারিবেন।তাহার পর সুগ্রীব রাজ্য দখল করিয়া নিজ স্ত্রী রূমা ও বালী পত্নী তারাকে অধিকার করিবেন।বানর সৈন্য সংগ্রহ করিয়া সীতার অন্বেষণে বের হইবেন।বানরসেনার সাহায্যে সেঁতু তৈরি করিয়া রামের সাথে লঙ্কায় উপস্থিত হইবেন সুগ্রীব।তাহার পর যে যায় লঙ্কায় সেই হয় রাবণ।রামায়ণ পালা এখনো অনেক বাকি রহিয়াছে।তবে কাঠবিড়ালি মিলিতেছে না!মিলিবে না।তাই সেতু বন্ধন অসমাপ্তই থাকিবে।পবন পুত্রদের ফুস ফাঁস বাতকর্মে কিংচিৎ নাক খোসিবার যো হইলে;অম্লশূল বিনাশ জাতীয় ঔষধ ইহাদের সেবন করাইয়া আমাদেরি দ্রুত আরোগ্য করিয়া তুলতে হইবে।

এদের কোন জাত নেই গোত্র নেই;ধর্ম তো থাকতেই পারে না:

প্রশ্নাতীত আনুগত্য দাবিটা ধর্মের নয় ধর্মের ব্যবসায়ীদের।যারা এ রাজ্যে বিরোধী শক্তি হতে চাইছে ছুরি কাঁচি নিয়ে রাম নবমী করছে ;বাচ্চা শিশুদের হাতে নির্দ্বিধায় অস্ত্র তুলে দিচ্ছে ;তারা অন্তত পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে কোন ভাল দিনের খবর দিচ্ছেন না।আরো ব্যাপক ভাবে টিএমসি ঘেঁষা একতরফা হয়ে যাবে ভোট।সিপিএম কংগ্রেস ভেঙ্গে অলরেডি একদল চলে এসেছে টিএম সি তে।আর একদল বাম সুবিধাবাদী মানুষ ভাবছে উত্তরপ্রদেশের হাওয়া লেগে নিদেন পক্ষে বিজেপি র কিছু সিট বাড়বে এই সুযোগে ঢুকে পড়ি গেরুয়া তাবুতে।এরাই ঘটা করে লাল থেকে গেরুয়া পরিধান করে কতটা আত্তীকরণ করতে পেরেছে তা দেখাচ্ছে। রাম নাম জপে; অস্ত্র নিয়ে মিছিল করে;ইচ্ছাকৃত ভাবে বিতর্ক তৈরি করে ফুটেজ খেতে চাইছে।দিল্লির পার্টির সু নজরে আসতে চাইছে।বেশি টাই এরা কালোবাজারি সমাজ বিরোধী রাজনৈতিক শেল্টারের অনুসন্ধানী।এদের কোন জাত নেই গোত্র নেই।ধর্ম তো থাকতে পারে না।এই অসভ্য লোক গুলোর একটি গোয়াল চালানোর ক্ষমতা নেই দল চালাবে কি।এটাই আশার কথা এই রাজ্যে এখন যারা বিজেপি করেন নেতা সেজেছেন এদের কোন যোগ্যতাই নেই খিস্তি খেউর আর দাঙ্গা করা ছাড়া।এরা কেউ তথাগত রায় নয়।

বিরোধী অপদার্থ তার সুযোগে দুঃখের কথা এটাই; তৃণমূল কংগ্রেস আরেকটি ভ্রষ্টাচারের দল এ বঙ্গে রাম ভক্ত সুগ্রীবের থেকে চোরা বলি তে ভোট বাড়িয়ে বাংলার দফা রফা অব্যাহত রাখবে।

আগামীতে আরো কঠিন হবে সাধারণের বেঁচে থাকা।কঠিন লড়াই এর দিন আসছে।

অপরাধীর কোন জাত নেই।\যারা অপরাধীর ও জাত খোঁজে তারা আরও বড় অপরাধী:

অপরাধীর কোন জাত নেই।যারা অপরাধীর ও জাত খোঁজে তারা আরও বড় অপরাধী।চোখ বন্ধ করে কার নির্দেশ পালন করছে অথবা আর একটি অপরাধ সংঘটিত হতে সাহায্য করছে।ভারতে ক্রমশ পাকিস্তান কিংবা বাংলাদেশের মত উগ্র মৌলবাদী শক্তি গুলো মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।সংসদীয় গণতন্ত্রে তারা তাদের সমর্থিত দলকে দিয়ে রাজনৈতিক প্রভাব খাটাচ্ছে।তাদের অশ্বমেধের ঘোড়া এখন বাংলার মাটিতে।এই বঙ্গে দুর্বল মৌলবাদ। ঘোড়া আটকা পড়বে।চিরকাল বাংলা সমগ্র ভারতকে পথ দেখিয়েছে।এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।

শুধু এইটুকু বলি ভারত পৃথিবীর সর্ববৃহৎ তম গণতান্ত্রিক সার্বভৌমিক রাষ্ট্র।সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য ভারতীয় সংস্কৃতির প্রধান বৈশিষ্ট্য। এই সংস্কৃতি স্বকীয় ঐতিহ্যরক্ষার পাশাপাশি বৈদেশিক আক্রমণকারী ও বহিরাগত জাতিগুলির থেকে গ্রহণ করা রীতিনীতি, ঐতিহ্য ও ধারণা অঙ্গীভূত করে এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলের সংস্কৃতির উপরর নিজ প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছে।

কাশ্মীরের সত্যি ইতিহাস টা কি?

রাষ্ট্রসংঘ ভারত ও পাকিস্তানকে তাদের অধিকৃত এলাকা খালি করে দিয়ে রাষ্ট্রসংঘের তত্ত্বাবধানে গণভোটের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু ভারত গণভোটে অসম্মত; কেনো?

সাম্রাজ্যবাদের জাত কেবল লুটতরাজ অনৈতিক দখলদারি। এটাই সাম্রাজ্যবাদের চরিত্র।সেখানে হিন্দু জনগোষ্ঠী মুসলমান জনগোষ্ঠীর প্রভেদ দেখিয়ে রাজনীতি মুরগি বানানো।পাকিস্তান-সমর্থিত অনুপ্রবেশকারীরা কাশ্মীর উপত্যকা থেকে ২৫০,০০০ কাশ্মীরি পণ্ডিতকে বিতাড়িত করায় ওই অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর চরিত্র পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছে।এটা যদি সত্যি তাহলে ভারতের অঙ্গ হিসেবে কেন্দ্রশাসিত কাশ্মীরে ভারত সরকার ও কম সময় পাননি। এতগুলো বছর কাশ্মীরি জনগোষ্ঠীর উপর কি ফুল বর্ষণ করে চলেছেন? ভারত সরকার কাশ্মীরি জনগোষ্ঠীর মানুষের আস্থা ভরসা দিতে ব্যর্থ?পুনরুদ্ধারে ব্যর্থ ওই অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর চরিত্র!

ধর্ষক:

বিজেপির দুই মহাপুরুষ কুলদীপ সিং সিঙ্গার ও নরেন্দ্র মোদী একজন নাবালিকা ধর্ষণ করেছেন আর একজন গোটা দেশ ভারতের গণতন্ত্র সার্বভৌমত্ব কে রোজ ধর্ষণ করছেন নিত্য নতুন উপায়ে।আমরা গর্বিত এদের জন্য।বিদেশী বন্ধু দের ইন্ডিয়ার কথা বললে ইনসিকিউরিটি ফিল করে।

অথচ সংসদে এক দল গলা-ফাটাচ্ছে রাহুল গান্ধী ধর্ষকের দেশ বলায়।

দালাল:

Six Chief Ministers in India — Kerala Chief Minister Pinarayi Vijayan, Punjab Chief Minister Capt Amarinder Singh, Madhya Pradesh Chief Minister Kamal Nath, Chhattisgarh Chief Minister Bhupesh Baghel, Maharashtra Chief Minister Uddhav Thackeray and West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee — have declared that they will not be implementing the Citizenship Amendment Act, 2019 in their states.

মিমি নুসরাত পথে হাটতে সময় পেলেন অথচ বিল পাসের দিন দুদিন সময় নিলেন।যেতে পারলেন না টিএমসির আট জন সাংসদ।মানুষ গাধা।…..এরা সব নাটক করছে!

এই এক দালাল টিভি চ্যানেল।মিয়ানমার ভারতের প্রতিবেশী নয়?রোহিঙ্গারা হিন্দু মুসলিম দুই সম্প্রদায়েরই হয়! তারাও সংখ্যালঘু তারাও নির্যাতিত তবে ভারতীয় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল তাদের নাগরিকত্ব দিতে নারাজ।কারণ তারা ঝঞ্ঝাট।কারণ তারা মুসলমান।ঝঞ্ঝাট নরেন্দ্র মোদী।ঝঞ্ঝাট অমিত শাও।ঝঞ্ঝাট আরএসএস।ঝঞ্ঝাট বিজেপি।যারা এদেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট-করছে।সংবিধানটাকে চোদন বিধান বানাচ্ছে।না আমি মমতা ব্যানার্জী কে সমর্থন করছি না মমতা ব্যানার্জী যা করছে নাটক করছে।এখানে নাটক করে দিল্লীতে গিয়ে মোদীর পায়ে পড়ে ভাই ভাইপোদের বাঁচায়।আমি এদেশের গণতন্ত্র-প্রিয় সংবিধানের তলায় আশ্রিত প্রতিটি মানুষকে এই বলি;হ্যাঁ ওরা যদি সংবিধানকে ঢাল করে আপনাদের কুকুর ছাগল বানিয়ে খাল আর বিল বানিয়ে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় আপনারা কুমির হয়ে যান।ওই চারটে লোকের হাতে ১৫০কোটির ভবিষ্যৎ।একটা হাঁচি মারুন উড়ে যাবে।

-যারা rail বা বাসের ক্ষতি করছে,তারা সব একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের লোক মাত্র।

আজ মমতা ওর মিছিলে সবাই কে নিয়ে বেরিয়ে একটা অসাম্প্রদায়িক ছবি তৈরি করবে।জনতা ওতো বোকা কি?

-এটা তো সত্যি একটা বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষ নেতৃত্ব দিচ্ছে এই অরাজকতার।

-কারণ তারা ভয়ে আতঙ্কে আপনাদের মত নিশ্চিন্তে ঘুমতে পারছেন না।আপনারা সব বৈধ হবেন তাই আনন্দে ।অপেক্ষা করুন বুঝতে পারবেন যে আপনারাও মুক্ত নয়।যখন ধুকতে থাকা ভাষাটার গলাটিপে শেষ করে-দেবে।অসমে ত্রিপুরায় মেঘালয়ে ভিসা নিয়ে ঘুরতে যাবেন।আর কাশ্মীরে তো যেতেই পারবেন না।শান্তির চোটে।

-আগে তো অনুপ্রবেশ বন্ধ করা দরকার, আমার সাধারণ বুদ্ধি তো তাই বলে।

-মেয়ের দোষ না দেখে জামাইয় কে নিয়ে টানাটানি। বিএসএফ ৩০০ থেকে ৩০০০টাকা হাতে পেলেই ঢুকিয়ে নেয়।বর্ডারে কঠিন কঠোর না হলে তাতো কোনদিনই থামবে না।তানা করে হনুমানের মত মানুষের কোটিকোটি ট্যাক্সের টাকা খরচা করে এনআরসি গন্ধ-মাধব পর্বত।

বাংলাদেশের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাই বাংলাদেশের নাগরিকদের তারা ফিরিয়ে নিতে চেয়েছেন।তবে হিন্দু মুসলিম দুই সম্প্রদায় কেই ফিরিয়ে নেবেন কিন্তু।মানুষকে নিয়ে রাজনীতির খেলা বন্ধ হোক।মোদী হাসিনা গটাপ গেম খেলবেন না।

পোশাক দেখে প্রতিবাদীর জাত খুঁজছে নগ্ন হয়ে প্রতিবাদ হোক।তখন ক্যামেরা জুম করে মোদী আমাদের লিঙ্গের মুণ্ড গুলো দেখবার চেষ্টা করবে।

এরকম গাড়লের হাতে দেশ বলছে পোশাক দেখেই বোঝা যাচ্ছে কারা আগুন লাগাচ্ছে।আগুনে হাওয়া দিচ্ছে দেশটাকে পুড়িয়ে রোস্ট করে খাবে।

হিন্দু মুসলমান আমারা সব ভাই; যারা দাঙ্গা করবেন এই আন্দোলনের অভিমুখ ঘুরতে চাইবে হিন্দু মুসলমানের লড়াইয়ে ; ভারত বাংলাদেশে দুই দেশে আজ আমাদের শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে।যে দাঙ্গা বাঁধাবে পিঠের ছাল তুলে নিন সব দালালের দল।

সারা দেশে আগুন জ্বলছে।এখনও সময় আছে বন্ধ করুন এ ধরনের বিধ্বংসী বিল সাধারণ মানুষের কোন সমর্থন নেই।এমন প্রতিবাদ করবে না যাতে আন্দোলন পথভ্রষ্ট হয়।সাধারণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।আপনার আমার মত মানুষ যারা রেল যাত্রী কেনও পাথর ছুড়বেন? আমার আপনার ট্যাক্সের টাকায় সরকারি সম্মতি কেনও পুড়বেন ভাঙবেন?আন্দোলন সুষ্ঠু সুশৃঙ্খল হোক।আন্দোলন দীর্ঘ হোক।আগুন বড় নির্মম আগুন নিয়ে খেলবেন না।

আমার ঘর পুড়তে এলে ভাইগো আপনার ঘরেও আগুন লাগবে।যারা আঘাত পাচ্ছেন তারাতো ছটফট করবেন ঢিল ছুঁড়বেন গালি দেবেন এমন টাই হয়।কেউ আবার ইনিয়ে বিনিয়ে শিখণ্ডীর মত ঘুরপাক খাবেন।শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করুন ভাইয়েরা।

আপনি যদি অপরকে হিংসা করেন অপরের থেকে কি আশা করবেন।এই বিলটিই একটি অসাংবিধানিক অগণতান্ত্রিক হিংসাত্মক।Violence promotes violence.হিংসা হিংসা ছড়ায়।শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করুন ভাইয়েরা।প্রতিবাদ আরো প্রবলহোক।তীব্র হোক।শান্তিপূর্ণ হোক।

আপনাদের নাটের গুরুরা কি স্বামী বিবেকানন্দর চেয়েও বড় হিন্দু?

কিছু অর্বাচীন পন্ডিতকে গরু গোবর আর গোমূত্রের গবেষণায় দিবারাত্র ব্যাস্ত রাখার উদেশ্য সফল হয়েচে, তা বেশ বোঝা যাচ্ছে।আচ্ছা স্বামী বিবেকানন্দ যে গরুর মাংস খেতেন তা তাকে কি হিন্দু বলবেন না বলবেন না? আপনাদের নাটের গুরুরা কি ওনার চেয়েও বড় হিন্দু?

কেউ জানেনা এটা আপনি জানলেন কি করে।রামকৃষ্ণ মঠে গিয়ে জানুন নরেন যখন কেশবচন্দ্র সেনের ব্রাহ্মসমাজে যেতেন রামকৃষ্ণ কেও ভণ্ড মনে করতেন বুজরুকি মনে করতেন।এরকম প্রশ্নাতীত আনুগত্য তার ছিল না।তাই সে নরেন্দ্র নাথ থেকে স্বামী বিবেকানন্দ হতে পেরে ছিলেন।ব্রিটিশ এর পায়ে পড়ে ক্ষমা চাওয়া বীর সাভারকর তিনি নন।নরেন্দ্র মোদীর সাথে নরেন্দ্রনাথ দত্ত বা স্বামী বিবেকানন্দর তুলনা না করে ঘুটঘুটানন্দের সাথে তুলনা বেশ মেলে।চাঁদে আর পাদে যতটা তফাৎ ততোটাই তফাৎ।

স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন,”এই ভারতবর্ষেই এমন এক দিন ছিল যখন কোন ব্রাহ্মণ গরুর মাংস না খেলে ব্রাহ্মণই থাকতে পারতেন না।

যখন কোন সন্ন্যাসী, রাজা, কিংবা বড় মানুষ বাড়ীতে আসতেন, তখন সবচেয়ে ভালো ষাঁড়টিকে কাটা হতো। (Collected works of Swami Vivekananda, Advaita Asharama,1963, Vol III, page 172)।

বিবেকানন্দ আমেরিকা থেকে  চিঠিতে তাঁর দক্ষিণ ভারতীয় এক শিষ্যকে লিখেছিলেন যে তিনি ওখানে সবই খান। এই সবের অর্থ গরু শুয়োর সব কিছুই।’ গরুর রচনা ‘ নামে একটি বই প্রকাশিত হয়েছে। দে’জ, দে বুক স্টোর এ পাবেন। পড়ে ফেলুন, অনেক তথ্য ও ব্যাখ্যা পাবেন। চোখ খুলে যাবে। ১৭০ টাকা মাত্র দাম।ঋক বেদ থেকে শুরু করে কালিদাস রচিত মেঘদূত কাব্যে নানা উদাহরণ আছে যাতে বোঝা যায় তথাকথিত হিন্দুরা ধর্মীয় উপাচার হিসেবে গোবলি দিতেন এবং মাংস ভক্ষণ করতেন। আবার উল্টো দিকে মুসলমানদের প্রধান নবী সহ অন্যান্য গুরুরা কেউ গোমাংস খাওয়াতো দূরের কথা, দেখেননি পর্যন্ত, কারণ আরবে ঘাস না থাকায় গরু পাওয়া যেত না। তাই ইসলামের ধর্মীয় কর্মের সঙ্গে গরুর কোন সম্পর্ক নেই। যেহেতু কোরানে এর কোন উল্লেখ নেই, মানে হারাম বলে বলা নেই তাই এটি হালাল, খাওয়া চলে। গরু আরবের মুসলমানদের ভোজ্য হিসেবে আজও প্রচলিত নয়। মজার ব্যাপার এদেশে হিন্দুরা কবে এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তা কারো জানা নেই! আবার এদেশের মুসলমান কেন খায় তার ব্যাখ্যা তাঁরা দিতে পারেন না! যেহেতু নবী যা খান নি, বলেন নি বা করেননি তা খাওয়া করা বা বলা সুন্নত বিরোধী কাজ। অর্থাৎ মহা পাপ। এইসব নানা উল্টো পাল্টা ধারণা থেকে মুক্ত করতে নানান বিশেষজ্ঞদের লেখা এই বই।

 

একটা সময় হিন্দু মুনিঋষিরা বা হিন্দু সমাজ গরু খেতো।গরুর উপকারীতা বুঝতে পেরে গরুকে দেবতা বানিয়ে পুজো করতে শুরু করে যাতে করে গরু নামক জীবটা অবলুপ্ত না হয়। বাড়িতে অতিথি সমাগম হলে গরু খেতে দেওয়া হতো তাই অতিথির আর এক নাম গোঘ্ন।

বাংলা দেশের বিদেশ মন্ত্রী সফর ত্যাগ করছে ;এবার জাপানের বিদেশ মন্ত্রী আসতে চাইছে না।

পাতা খোর আর ধর্ম খোর দুটোই এক …..

ধর্মখোর শব্দ অভিধানে নাই! ধার্মিক, অধার্মিক। ধর্ম অপব্যবহারিক – ফানাটিক। অভিধানে তালিকাযুক্ত হতে পারে – ধর্মখোর!Constitution of India is not RSS or BJP manifesto.Generosity is a quality of human being that has no limit.When someone draws the bounds of kindness; In fact, there is an erosion of kindness.Showing kindness.There has contrivance.Here motive is vote politics. Don’t think people of west Bengal are stupid like Bihar, Uttar Pradesh.

However, one should not try to show kindness to anyone. Don’t forget India is secular country. Constitution of India is not RSS or BJP manifesto.

Vinayak Damodar Savarkar can be God for RSS or BJP. Not for all the people of India.Don’t forget; pseudo secularism, bipartisan theory was theory of partition.

 

Indian democracy giving me rights to write my feelings; right to citizenship; which you are going to attack; we will protest. A mass people are ready to fight for second independence.Today Indian people have lost; their economic;social,personal,religious rights.Today is the time for Indian people for second freedom fight against Modi government.Happy to inform you that my next two short animation films will be showing up the naked king.

একটা চাপিয়ে দেওয়া সিস্টেমের বিরুদ্ধে কথা বললে প্রতিবাদ করলে।তোমাকে প্রতিষ্ঠান ফুল ছুড়বে না খিস্তি করবে এটাই স্বাভাবিক।জাত তুলে বাপ মা তুলে খিস্তি।মারও জুটতে পারে।সইতে না পারলে প্রকাশ্যে এসোনা প্রতিবাদ করতে।জবাব দিতে। মুখ ঘুরিয়ে চাঁদ তাঁরা ফুল পাখি নিয়ে প্রেম নিয়ে সুন্দর সুন্দর কবিতা লেখা লোক গুলোর সাথে তোমার কি তফাৎ?

এটা বিজেপি আর এস-এসের সংবিধান নয় ভারতীয় সংবিধান।সেখানে সব ধর্মের সমান অধিকার।আসামে ট্রেলার চলছে পুরো সিনেমাটা এখনো বাকি।মোদী- অমিত শাহ র ভাষণ আজ আর মানুষ বিশ্বাস করছে না।মানুষ বুঝে গেছে এরা লুটেরাদের চৌকিদার তাদের নয়।কয়েকটা রাম ছাগল কে ব্লক করবো বট পাতার বদলে মোটা ভাই পাঁঠা ভাই য়ের অণ্ডকোষ চিবিয়ে সারাদিন আমার টাইমলাইনে জাবর কাটে।

শালা মানুষের চাকরি নেই পেটে ভাত নেই নাগরিকত্ব মারাচ্ছ:

আসামে পুলিশের গুলিতে প্রতিবাদী তিন জনের মৃত্যু।

আগে মানুষের ন্যূনতম অধিকার গুলো সুনিশ্চিত করো তারপর নাগরিকত্বের হিসেব নিতে এসো।আমলকের চাকরি চাই,খাবার চাই,বাসস্থান চাই,শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে সমান অধিকার চাই।ছেলে মেয়ের নিরাপদ ভবিষ্যৎ চাই। হিন্দু মুসলমান চাই না।ভাত দেবার মুরোদ নেই।কিল মারার গোঁসাই।

মার ঝাড়ু মার ঝাড়ু মেরে ঝেঁটিয়ে বিদায় কর।আমাদের ব্যস্ত রেখে ফাঁকতালে কর্পোরেটের হাতে দেশ বেচবেন চৌকিদার।বাজার আগুন সোনার দরে আলু বেগুন (পেঁয়াজ)।এসব প্রশ্ন করো না।যখন মানুষ ভাত খেতে পারছে না বলে ক্ষেপে যাচ্ছে, তখন সেটা ভুলিয়ে দিতে তাঁকে বলছে, আগে তোর ভিটে সামলা!

এনআরসিতে আমার কোন দিন আপত্তি ছিল না। আপত্তি আছে ভোটের খেলায়।নাগরিকত্ব সংশোধনের নামে বিভাজনের রাজনীতিতে।আপত্তি নাগরিকত্ব বিল নিয়ে নয়; আপত্তি বিলের অসাংবিধানিক অপচেষ্টার প্রতি; ভারতের গণতান্ত্রিক সার্বভৌমত্বের আঘাতের চেষ্টার প্রতি।ধর্মের ভিত্তিতে কেনো বিল?ভারত সেকুলার রাষ্ট্র।মানবিক নয় এই বিল।এই বিল ভোট বাক্সে ভোটার ভাগাভাগির বিল। এই বিল হিন্দু রাষ্ট্রের দিকে এক ধাপ এগোনোর বিল।কারণ দ্রুত ভারতের ডেমোগ্রাফি ক পরিবর্তন ঘটাবে এই বিল।এই বিল আমাদের প্রতিবেশী দেশ গুলোর সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর এবং এ দেশের সংখ্যালঘু মুসলমানের ওপর আরো চাপ বাড়াবে।ভারতে যে মুসলিম কে শুনতে হয় এটা তোদের দেশ নয় পাকিস্তান তোদের দেশ।বাংলা দেশে যে হিন্দুকে শুনতে হয় মালাউনের বাচ্চা ইন্ডিয়ার দালাল! আগামীতে সেই ভেদ এতে মোটেই কমবে না বাড়বে।জমি তো বাড়ছে না।ছাগল গরুর মত আমাদের স্থানান্তর ঘটবে এদেশ থেকে ও দেশ।অনেক সহ্য করেছি।এবার মাঠে নামার পালা! বিভেদের বিভাজনের রাজনীতি আপনার অঞ্চলে যে রাজনৈতিক দল করতে আসবে হিন্দু মুসলিম এক হয়ে তাদের প্রতিবাদ করুন।আমাদের ছাগল গরু-বানিয়ে অনেক খেলা হয়েছে আজ এপার ওপার সব পারের মানুষের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙেছে।এরা ভুলে গেছে সাধারণ মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা করলে ধান কাটা কাস্তেটা তাদের গলা কাটতেও জানে।পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের জায়গা পাকা হল।অসভ্য ইতোর উত্তর প্রদেশের রাজনীতিকে এ বঙ্গ কোনদিন সমর্থন করবে না।

কলমের বদলে মেশিনগান হাতে না তুলতে হয়।

বালুচ মুসলমানদের উপর পাকিস্তান বহুদিন হামলা চালাচ্ছে তাদের ভারতীয় নাগরিকতা দেওয়া হোক?তীব্রতি বৌদ্ধদের ওপর চীন অত্যাচার চালাচ্ছে তারবেলা।বাংলাদেশে একদলের হাতে সব অর্থনৈতিক ক্ষমতা অনেক মুসলমান ভাই বোন একটু সচ্ছলতার জন্য কোলকাতা দিল্লী সহ ভারতের বিভিন্ন শহরে কর্ম সংস্থানে আসে।রাজ মিস্তিরি, ছাতা মিস্তিরি ,বাবুর বড়ি কাজে।তারা কি অপরাধ করলেন।রোহিঙ্গা মুসলমানরা কি অপরাধ করলেন এরাও তো নির্যাতিত।নেপালে ভুটানে হিন্দুরা কোন ঢ্যাঁশা তাদের অপরাধ কি।শ্রীলঙ্কার তামিল হিন্দু তারা বাদ কেনও।উত্তর বোধয় ভোট-বাক্স।যা হচ্ছে ভোটের জন্য।ভারতীয় সংবিধান কারো বাপের সম্পত্তি নয়।ভারত কোন শালার একার নয়।আর যেই তার ভাবমূর্তি নষ্ট-করার চেষ্টা করবে ছুড়ে ফেলে দেবে ভারতবাসী।

কেবল অসম নয় সারা দেশ জুড়ে আগুন জ্বলবে।স্বল্প সংখ্যক সংখ্যা লঘু দের উপর পাকিস্তান যা করতে পারে অফগানিস্হান যা করতে পারে বাংলাদেশ যা করতে পারে ইন্ডিয়া পারে না।ইন্ডিয়া একটি উদাহরণ পৃথিবীতে গণতন্ত্রের।মোদী হাটাও দেশ বাঁচাও এর চেয়ে বড় কোন কথা আজ নেই।

অধ্যাপকের যোগ্যতার মাপকাঠি ধর্ম?

বেনারসে সংস্কৃত কলেজের প্রধান অধ্যাপক ফিরোজ খান কে বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করতে হল অনার্য হয়ে তিনি সংস্কৃত পড়াতে পারবেন না।এইযে উত্তর প্রদেশিয় সংখ্যা গরিষ্ঠ ঘাঁটিয়া টিকি গুলোর হাতে ক্রমশ দেশ চলে যাচ্ছে যা না সাংবিধানিক ; না গণতান্ত্রিক।দেশ ঢুকে পড়ছে বিপদ জনক পথে।দেশ জুড়ে এর বিরোধ দরকার।মোদী হাটাও দেশ বাঁচাও এর চেয়ে বড় কোন কথা আজ নেই।

 

মধ্যপ্রদেশে পি উইডিং ভিডিও বানালে ধর্মের মাতব্বরেরা কেলাবে।এবার ফুলশয্যা হবে-কি হবে না তাও ঠিক করে-দেবে গুরুরা।

লেখকঃ সাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র পরিচালক, কলকাতা, ভারত 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আরও পড়ুন