জেদি নয় কৌশলী হওয়া প্রয়োজন!

সাদিয়া মাহমুদ তামান্না

জেদি হয়েছেন তো একে একে সব হারিয়েছেন!জেদ মানুষকে বিবেক বুদ্ধিহীন অমানুষে রুপান্তর করে! অনেক ক্ষেত্রেই জেদের বসবর্তী হয়ে ভালো বিষয়টিকেও গ্রহণ করা হয় না! যেমন ধরুন একজনের উপর রেগে আছেন সুতরাং সে যদি ভালো বুদ্ধিও দেয় তা গ্রহণ না করা! আবার নিজের জেদ ও ইগো হেরে যাবে তাই ভুল হলেও তা স্বীকার না করে নিজ বিষয়ে অটল থাকা! এতে কিন্তু জেদি মানুষটাই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে! হয়তো আপনি জেদ করে একটি বিষয়ে বা জিনিসে সম্মতি পেয়েও থাকেন তবে সাথে সাথে আপনি একজনের চোখে আপনার প্রতি তার ভরসা, বিশ্বাস নষ্ট করে ফেলেছেন, একটা হৃদয় হারিয়েছেন যে হৃদয় আপনাকে ভালোবাসতো! সাথে অন্য সব সুযোগ সুবিধা হারাবেন যা আপনি ভবিষ্যতে পেতেন! জেদ কারো জন্যই মঙ্গল বয়ে আনে না!

বর্তমানে অধিকাংশ ডিভোর্স হয় জেদ, আর ইগো এর কারণে! ছেলেরা সৃষ্টিগত ভাবেই কঠিন, জেদি; আর মেয়েরা কোমল এবং কৌশলী! যার কারণে জগৎ সংসার টিকে আছে! যে সংসারে দেখবেন স্ত্রী জেদি সে সংসারে কেউ সুখী নয়! একটি সংসারের স্থায়িত্ব টিকে থাকে একজন নারীর উপর! সে যদি জেদি হয় তবে সে সংসার কখনোও টিকে থাকে না । আর যদি টিকেও যায় তবে সে সংসারে শান্তি থাকে না এমন কি সে নিজেও শান্তি পায় না! আর যে সংসারে স্ত্রী কৌশলী সে সংসারে শান্তি ও রব্বুল আলামীনের রহমতও রয়েছে!

একজন কৌশলী মানুষ তার ইচ্ছা পূর্ণ করে । আবার সে কারো বিশ্বাস ও ভরসাও তৈরি করছে  । সাথে কারো হৃদয়ে তার জন্য গভীরভাবে ভালোবাসাও সৃষ্টি করেছে! আল্লাহ রব্বুল আলামীন প্রতিটি জিনিসে সমন্বয় করেছেন! একটি পুরুষ থাকলে একটি মেয়েও থাকে! শুধু কঠিনে কঠিনে বা শুধু কোমলে কোমলে সংসার হয় না, প্রয়োজন ভারসাম্য! তাই ভারসাম্য তৈরি করেছেন! সবচেয়ে কঠিন বস্তু হিরা আর সবচেয়ে ভঙ্গুর হলো কাচ! সেই হীরা কাটতে কাচের প্রয়োজন হয়! আর পুরুষ সেই হিরা আর মেয়েরা কাচ! তাই পুরুষ যতই কঠিন হোক মেয়েদের কাছে তা কিছু নয়! কারণ মেয়েদের আল্লাহ পরম যত্নে কোমল করে তৈরি করেছে যাতে করে সেই কঠিনকেও ভালোবেসে নমনীয় করতে পারে! তাই বলছি জেদ নয় কৌশল দিয়ে নিজের সংসারের শান্তি ধরে রাখুন ।

লেখকঃ কলামিস্ট

 

আরও পড়ুন