“ইনসাফ”

অধ্যাপিকা মৌলুদা খাতুন মলি

“লাকী বদমাইশটা আমার কথা শুনলই না। এবার বুঝুক ঠ্যালা”!!
ভালবাসার রাগে গড়গড় করছে রিয়া। বলতেই আছে-
“পই পই করে বললাম- ভেজা চুলে, হিজাব দিয়ে ক্লাসে যাস না রে লাকী, যাস না ! একদিন হিজাব না পরলে তেমন কিছু অশুদ্ধ হবে না। কে শোনে!! উল্টে আমাকেই বলে কিনা-
“নামায, রোজার ক্বাযা হতে পারে.. কিন্তু, পর্দার কোনো ক্বাযা-ই নেই রে রিয়া”!
বেআক্কেল, বেতমিজ…। ইয়ং মেয়েদের ‘পর্দা পালন’ নাকি- সবচাইতে বড় ফরজ আদায় করা!! বিজ্ঞ আলেমের মতো- আমার উপরই নসিহত ঝাড়ল। বেশি বুঝদার।
এখন এত জ্বর নিয়ে…একা একা বাড়ি যাবে কি করে? রাস্তায় যদি কিছু হয়, তখন? হয়েছে আমার যত জ্বালা!!
দুই হাতে ট্রাভেল ব্যাগ নিয়ে বক বক করতে করতে সিঁড়ি দিয়ে নামছিল রিয়া। পেছনে-মিথিলা, সুমি আর লাকী। একই ক্লাসে পড়ে, একই রুমে থাকে ওরা। তা পড়লে হবে কি? রিয়ার মধ্যে বিশাল এক দায়িত্ব বোধ কাজ করে সবসময়ই । কথা একটু বেশিই বলে। কিন্তু সবার জন্যই ওর দরদ যেন উথলে পড়ে। কাজও করবে–মুখ দিয়ে খৈও ফোটাবে!!
গেটে এসে রিয়া হাক দিল-
ঃ এই রিকশা… এই ছেলে যাবি? এদিকে আয়..আয়। “শাকপালা’ বাস স্ট্যান্ড যাবে। একদম ডাইরেক্ট নাটোরের বাসে তুলে দিবি। ভাড়া কত নিবি বলতো?
ঃ যা ভাড়া, তাই দিয়েন আপা।
ঃ দিয়েন-টিয়েন না। কত নিবি ঠিক করে বল। জলদি বল। তাড়া আছে।
ঃ আশি টাকা দিয়েন আপা।
ঃ ( রিয়া চোখ কপালে তুলে) কি-ইই, আ-শি টাকা!! মগেরমুল্লুক পাইছিস, নাহ্!! এইজন্যই তো তোদের এই দশা। অভাব ঘোচে না, উন্নতিও হয়না। ঠিক করে বল, কত নিবি?
ঃ তাইলে আপনিই বলেন আপা। আপনি বললেই হবে।
ঃ শোন, আমি এক কথার মানুষ । বেশি বকবক পছন্দ করিনা। চল্লিশ টাকা পাবি। এটাই ন্যায্য ভাড়া। যা, নিয়ে যা। ( রিক্সাচালক রাজি)।
রিয়া এবার রিক্সাওয়ালাকে সতর্ক করল–
ঃ দেখেশুনে নিয়ে যাবি। আমাদের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী। ওর গায়ে কিন্তু একশ তিন ডিগ্রী জ্বর। একদম ধীরে ধীরে চালাবি। একটুও যেন ঝাঁকি না লাগে ।
রিক্সা চলতে শুরু করেছে মাত্র..। রিয়া তড়িঘড়ি করে আবারও উপদেশ দিল…
ঃ এই শোন শোন, তোর নাম কিরে?
আর মুখের মাস্ক খোল তো। ছবি তুলে রাখি। রিক্সাটা এদিকে ঘুরা, নাম্বার দেখি। বিশ্বাস নেই। দিন- জামানা ভাল না। আর তোর মোবাইল ফোনটা সাইলেন্ট কর। রাস্তার মধ্যে কস্মিনকালেও মোবাইল রিসিভ করবি না।
রিক্সাচালক সরল হেসে-
ঃ ভয় নাই আপা। যা ভাবছেন, তা না। এটা ঢাকা শহর না, বগুড়া। ( কাঁচুমাচু করে বলল) — আপা, আমি শিক্ষিত ছেলে। এবার ইন্টারমিডিয়েট ফাইনাল দেব। এসএসসি-তে গোল্ডেন এ প্লাস । সার্টিফিকেট সাথেই আছে। চাইলে- দেখাতে পারব। নেহায়েত পেটের দায়ে…..।।
রিয়া মুখ ভেংচে বলল –
ঃ গোল্ডেন..!!! গোল্ডেন এ প্লাস পেয়ে রিক্সা চালানো হচ্ছে, নাহ্..! আমার সাথে ফাজলামি করিস ব্যাটা! দেখি, বেড় কর তোর গোল্ডেন প্লাস সার্টিফিকেট..!
———
রিয়া, সুমি, মিথিলা- রুমমেটরা মিলে- লাকীকে রিক্সায় তুলে দিতে নিচে-কলেজ গেটে এসেছে। মহিলা কলেজ হোস্টেলে থাকে ওরা। ক’দিন ধরে লাকীর জ্বর। আজ বাড়ি যাচ্ছে। একই ক্লাসে পড়ে । এবার এইচএসসি ফাইনাল দেবে ।
রিক্সাওয়ালা ছেলেটি মুখের মাস্ক খুলে ভাজ করে শার্টের পকেটে রাখল। আলতো করে রিক্সার গদি তুলে পলিথিন দিয়ে সযত্নে মোড়ানো এসএসসি’র সার্টিফিকেট বেড় করতে গিয়ে- মৃদু হাসলো। তারপর একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে গম্ভীরভাবে বলল,
ঃ আপা, আমি মুহাম্মদ বায়েজিদ ইসলাম। বগুড়া সরকারি কলেজে কমার্স বিভাগে পড়ি। বাবা ক্যান্সারে মারা গেছে। আমার বয়স যখন চার আর বোনের এক, তখন। মালতিনগর বস্তিতে ছোট্ট এক ঘর ভাড়া করে – মা, বোন নিয়ে থাকি। সয়-সম্পদ কিচ্ছু নেই আপা। হতদরিদ্র আমরা। মা আশেপাশের মহিলাদের কুরআন পড়া শেখায়। বোনটি মহিলা মাদ্রাসায় হিফজ বিভাগে পড়ে। আমি রিক্সা চালায়। আর.. পাশাপাশি পড়াশোনাও করি। আলহামদুলিল্লাহ্‌ এভাবেই… এবং খুব ভালভাবেই সংসার চলে। মাথার উপর কোনো দ্যানা (ঋণ) নেই আপা।
একনাগাড়ে কথাগুলো বলে- ছেলেটি মাথা নিচু করলো।
রিয়া একটু বিব্রত হয়ে-
ঃ ও…রে আল্লাহ!! না জেনে, না শুনে…ছি,ছি।
সরি বায়েজিদ, সরি। বুঝতে পারিনি। আসলে, বেশি খারাপের মধ্যে আমাদের বসবাসতো । তাই ‘ভাল’কে ‘ভাল’ ভাবতেও ভয় লাগে। যাহোক, আমরা যখন একই ইয়ারে পড়ি…তখন বন্ধু। আমাদের তুমি বন্ধু ভাবতে পারো । লাকীকে দেখেশুনে নিয়ে যেও ভাই। ‘ও’ খুব অসুস্থ।
বায়েজিদ রিয়ার এই তাৎক্ষণিক আচরণের আমূল পরিবর্তনে অত্যন্ত খুশি হয়ে…হ্যা সূচক মাথা দোলালো শুধু। আনন্দে দু’চোখ বেয়ে পানি ঝরলো কয়েক ফোটা।
রিয়া বুঝলো-
দুর্ব্যবহার, বকাঝকা নয়, বরং ভাল ব্যবহার দিয়েই… মানুষদের দ্রুত সঠিক পথে আনা সম্ভব। বিশেষ করে তরুণদের..।।
চলতে চলতে…. সাতমাথা পার হয়ে এসে- লাকী হঠাৎ বলল,
ঃ বায়েজিদ, তুমি রিক্সা ঘুরিয়ে হোস্টেলের দিকে নিয়ে যাওতো ভাই। আমি বোধহয় যেতে পারব না। প্রচণ্ড জ্বরের সাথে মাথাব্যথা করছে ভীষণ ।
বায়েজিদ কিছুটা উত্তেজিত হয়ে-
ঃ খুব বেশি খারাপ লাগছে আপা? আচ্ছা, ঠিক আছে। ভয় নাই।
তবে, কিছু মনে না করলে… আমার কাছে বক্সে চিড়াগুড় আছে। মা বেঁধে দিয়েছে। খেয়ে- একটা নাপা প্লাস খেয়ে নেন আপা। দেখবেন, খুব ভাল লাগছে। আমাকে বিশ্বাস করতে পারেন।
ঃ রিক্সা সাইড করো বায়েজিদ, আমি নামবো।
ঃ তা করছি আপা। কিন্তু……
এতক্ষণ লাকী’র দিকে ভাল করে তাকায়ই-নি বায়েজিদ। নেকাবসহ কালো বোরকা, হাতে-পায়ে কালো মোজা পরা লাকীকে খেয়ালই করেনি সে।
ঃ দাও। পানি, চিড়া, ঔষধ, ..যা আছে সব দাও তাড়াতাড়ি । কাঁপা কাঁপা গলায় বলল লাকী।
পৌরপার্কের এক পাশে রিকশা দাঁড় করে দু’জনে বসে পড়লো ঘাসের উপর।
বেলা গড়ে সূর্যের তাপ কমতে শুরু করেছে ততক্ষণে…।
একটু সুস্থ হয়ে…ওরা শুরু করলো এলোমেলো, বিক্ষিপ্ত আলাপন…..। যেন, কারও আজ ঘরে ফেরার তাড়া নেই। বায়েজিদই শুরু করলো আগে –
ঃ নাটোর শহরেই আপনার বাসা বুঝি আপা?
ঃ না, শহর থেকে একটু ভেতরে– মাইল তিনেক হবে।
ঃ ও..ও। তা, আজকেই যাওয়াটা কি জরুরি ছিল আপা? এ-ত জ্বর নিয়ে…!!
ঃ আমার বাবা- মা এবার হজ্বে যাচ্ছেনতো..। আগামী পরশু ফ্লাইট, তাই দেখা করা।
ঃ ও..ও আচ্ছা। জানেন আপা, আমার মায়েরও খুবই শখ ছিল- হজ্ব করার । কিন্তু…
ঃ ওমা, সেতো খুব ভালকথা। তুমি রোজগার করে–একদিন নিয়ে যেও। আজই পাক্কা নিয়ত করে ফেল বায়েজিদ। অবশ্যই পুরন হবে একদিন ইনশাআল্লাহ।
ঃ হ্যা, ঠিকই বলেছেন। জানেন আপা, আমার মা খুব বড় ঘরের মেয়ে ছিল। ভাগ্যের ফেরে আজ হতভাগী,পথের ফকির।
কথাটা বলেই জিভ কাটলো বায়েজিদ। বলল,
ঃ না, না আপা, আলহামদুলিল্লাহ্‌ আমরা ভীষণ সুখে আছি, ভীষণ… । ইয়া আল্লাহ, আপনি মাফ করুন, আমার ভুল হয়ে গেছে…।
ঃ কি ব্যাপার বায়েজিদ, অমন অস্থিরপনা করছো কেন? কি হয়েছে?
ঃ আপা, সর্বাবস্থায় বান্দার শুকরিয়া করা উচিত। অথচ, একটুতেই আমরা অধৈর্য হয়ে পড়ি। ভুল করে ফেলি। ইশ্। ক-ত্ত বড় ভুল করে ফেললাম!!
ঃ আরে! তোমার কি হয়েছে বায়েজিদ? এমন করছো কেন? খুলে বলো তো সবকিছু?
ঃ না না আপা, কিচ্ছু হয় নাই।
ঃ কিছু তো একটা অবশ্যই হয়েছে। আচ্ছা, তোমাদের আসল বাড়ি কোথায় বায়েজিদ?
ঃ আপা, মায়ের মুখে শুনেছি- নাটোর জেলারই কোনো এক গ্রামে। আমি অবশ্য যাইনি কোনো দিনই।
লাকী অবাক হয়ে-
ঃ বলো কি? এতদিনেও যাওনি কেন? নাটোর জেলার কোথায়, কোন গ্রামে?
ঃ জানিনা আপা। সত্যিই জানিনা। মা বলেননি।
ঃ তোমার বাবার নাম কি?
ঃ মরহুম মুয়াজ্জিন হোসেন।
ঃ আর মায়ের?
ঃ বকুল। সুমাইয়া পারভিন, বকুল।
লাকী মাথা নিচু করে ঝিম মেড়ে থাকলো কিছুক্ষণ। তারপর কাঁদোকাঁদো হয়ে বলল,
ঃ তোমার মা কেমন আছেন, বায়েজিদ?
ঃ ভাল নেই আপা। কিডনিজনিত সমস্যায় ভুগছে। ডায়াবেটিসও আছে।
আচ্ছা, আমার মা’কে আপনি চেনেন নাকি আপা?
বায়েজিদের কথার উত্তর না দিয়ে… লাকি উল্টো প্রশ্ন করলো-
ঃ তোমার নানার নাম …?
ঃ মাহতাব মণ্ডল।
ঃ আর তোমার মামার..?
ঃ সোহরাব মণ্ডল। বিশাল ধনীলোক উনারা। এক ভাই, এক বোন ছিলেন । মায়ের মুখে শুনেছি, নানার নাকি একশ বিঘারও বেশি জমি-জমা,পুকুর ছিল। নানা/নানি মারা যাওয়ার পর.. মামা আমার মা’কে সবকিছু থেকে বঞ্চিত করেছেন । মামা – তাঁর একমাত্র বোন- অর্থাৎ আমার মায়ের কাছ থেকে কৌশলে সবকিছু লিখে নিয়ে… চিরদিনের জন্য মা’কে বাড়ি থেকে অপমান করে, গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়েছেন। আমার বাবাকেও প্রচণ্ড মারধর করে…পঙ্গু করে ফেলেছিলেন…! আমাদের অনেক করুণ ইতিহাস আপা, আপনার শুনে লাভ নেই। আমাদের সাথে- মামাবাড়ির আর কোনো যোগাযোগই নেই। এইটাই দুঃখ।
আর কথা বলতে পারে না বায়েজিদ। কান্নায় ভেংগে পড়ে । সামলে নিয়ে আবার বলতে থাকে-
ঃ আপা, আমার মা কোনো দিনও মামাকে ক্ষমা করবেন না, কোনদিনও না।
ঃ জানি। আমি তোমাদের সব খবরই জানি বায়েজিদ। মায়ের কাছ থেকে সবই শুনেছি।
ঃ আপনি জানেন মানে? কিভাবে আপা?
ঃ বলবো। স-ব পরে বলবো। রাস্তায় যেতে যেতে। আমাকে আগে তাড়াতাড়ি ফুপুর কাছে নিয়ে চলো বায়েজিদ। উনার কাছে গিয়ে বাবার জন্য ক্ষমা চাইতে হবে আগে। নইলে বাবার মুক্তি নেই! নাজাত নেই জাহান্নাম থেকে!!
ঃ ফুপু! ক্ষমা! নাজাত!! কি বলছেন আপা?
আমার তো সব তালগোল পেকে যাচ্ছে..!!
ঃ সন্ধ্যে হয়ে এলো। তাড়াতাড়ি চলো।
ঃ আপনি বাড়ি যাবেন না আপা?
ঃ না।
ঃ কিন্তু বললেন যে– আপনার বাবা/ মা নাকি হজ্বে যাচ্ছেন। আগামী পরশুই ফ্লাইট!
ঃ হজ্ব! কিসের হজ্ব!!
ওয়ারিশ…মানে বোনের হক্ব বুঝে না দিয়ে.. ভাই হজ্ব করলে… তুমি মনে করো- সে হজ্ব আল্লাহ কবুল করবেন বায়েজিদ? কক্ষনো না ।
“বান্দার হক্ব” – বান্দাকেই (দুনিয়াতে) মিটমাট করতে হবে। “আল্লাহর জান্নাত”- মামাবাড়ির সস্তা আবদার না। ইবাদত কবুল হওয়ার প্রধান শর্তই হলো-
হক্ব- হালাল, বৈধ উপার্জন, বুঝেছো?
ঃ কিন্তু আপা!!
ঃ কোনো কিন্তু না বায়েজিদ। এখনো সময় আছে। আমার মহাপাপী, যালিম বাবাকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাতে চাই। হাজার হোক – বাবাতো!! প্লিজ, তুমি আমাকে সাহায্য কর ভাই।
———-
লাকীর আবেদনে-
ক্লান্তি না, কি এক অজানা আবেশে বায়েজিদের দেহ-মন যেন অসাড় বোধ হচ্ছে। মহান রবের লীলা বুঝার সাধ্য কার!! বলল,
ঃ কি সাহায্য করব আপা?
ঃ আর আপা নয়, শুধু লাকী বলো। এখনো বুঝতে পারনি বায়েজিদ? আমার যালিম বাবাই তোমার আপন মামা!! যিনি তাঁর একমাত্র বোনের সব জমি-জমা এতদিন অন্যায়ভাবে ভোগদখল করে- শেষ বয়সে এসে- গুনাহখাতা মাফ আর জান্নাত লাভের বৃথা আশায় হজ্বে যাচ্ছেন!! এবার তুমিই বল, এ পরিস্থিতিতে আমার অথবা আমাদের কি করা উচিত?
বায়েজিদ মাথা নিচু করে ধীরে ধীরে বললো,
ঃ ক্ষমা, মীমাংসা,আল্লাহর কাছে- শান্তিকামনা। আত্মীয়তার সম্পর্ককে ছিন্ন না করে দৃঢ়ভাবে জোড়া লাগানো। তুমিতো নিশ্চয় জানো লাকী, আত্মীয়তার সম্পর্ক বিচ্ছিন্নকারী কখনোই জান্নাতে যাবে না। কক্ষনো না!
ঃ হুম।
ঃ লাকী, তোমার মত হীরের টুকরা মেয়ে বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে জন্মগ্রহণ করা দরকার।
ঃ তোমার মত ছেলেরও– বায়েজিদ! তাহলে সমাজ উপকৃত হবে।
গভীর আবেগে লাকী এবার হাউমাউ করে কেঁদে উঠলো।
বায়েজিদ উঠে দাঁড়ালো।
লাকি হাতটা বাড়িয়ে দিল। বায়েজিদের হাত ধরে সেও উঠে দাঁড়াতে চায়…।।
—————–
মলি, বগুড়া।
০৮ অক্টোবর, ২০২০ খ্রিঃ।

আরও পড়ুন