Ads

নীতি-নৈতিকতার উপর যেভাবে অটল ছিলেন তারা

।। ড. মো. নূরুল আমিন ।।

বয়স বেড়ে গেলে অনেকেই কথা বেশি বলেন। আবার অনেকের স্মৃতিপটে অতীত জীবনের অনেক ঘটনা এসে জট বাঁধে এবং তারা মানুষকে তা শোনানোর জন্য অস্থির হয়ে পড়েন। এই অবস্থায় যারা পড়েন বলা হয় তারা নষ্টালজিয়ায় ভোগেন। নষ্টালজিয়া একটি ইংরেজি শব্দ, যার আভিধানিক অর্থ দুটি, একটি গৃহকাতরতা এবং আরেকটি হচ্ছে অতীত স্মৃতি বিধুরতা। ছাত্রজীবনে গ্রাম থেকে শহরে এসে যখন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করতাম অথবা পরিবার-পরিজন ছেড়ে শিক্ষা প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে বিদেশে প্রবাস জীবনে আমাকে একা থাকতে হতো তখন আমি গৃহকাতর হয়ে পড়তাম বলে আমার মনে আছে। বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এ ধরনের গৃহকাতর শিক্ষার্থীদের জন্য টিউটর নিয়োগ করেন যাদের কাজ হচ্ছে গৃহকাতর শিক্ষার্থীদের মনোরঞ্জনের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি প্রণয়ন ও ক্ষেত্রবিশেষে তাদের স্ত্রী-পরিজনদের ভিসার ব্যবস্থা করা। নষ্টালজিয়াকে এখানে একটা মানসিক রোগ হিসেবে গণ্য করা হয়। আমার এখন গৃহকাতরতা নেই, তবে প্রায়ই অতীত স্মৃতি বিধুরতায় ভুগি। এটাকে আমার নষ্টালজিয়া বলা যেতে পারে। এতে কিছু মধুর স্মৃতি আছে, শিক্ষার কিছু উপকরণও আছে।

চাকরি জীবনে এবং সাংগঠনিক জীবনে আমার অনেক মহৎ ব্যক্তির সান্নিধ্যে আসার সুযোগ হয়েছে। তাদের আচরণ ও কথাগুলোর গুরুত্ব জীবনে আমি গভীরভাবে অনুভব করেছি।

প্রথম ঘটনা দিয়েই শুরু করি। ঘটনাটি নীতি-সংক্রান্ত। মেজর জেনারেল সাদেকুর রহমান চৌধুরী, এরশাদ আমলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন জাদরেল কর্মকর্তা ছিলেন। তার এক নিকটাত্মীয় ছিলেন সোলায়মান চৌধুরী। সিলেট এমসি কলেজের অধ্যক্ষ তার আমলে এমসি কলেজের নিয়ম ছিল তৃতীয় বিভাগ প্রাপ্ত কোনো ছাত্র বা ছাত্রীকে তারা ঐ কলেজে ভর্তি করতেন না। প্রশাসনের প্রভাবশালীদের সুপারিশেও না। একবার অধ্যক্ষ চৌধুরী আপন শ্যালক এসএসসিতে তৃতীয় বিভাগ পেল এবং এমসি কলেজে ভর্তির আবেদন করল। অধ্যক্ষ সাহেব তা নাকচ করে দিলেন। তার স্ত্রী বাধ সাধলেন এবং তার ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করলেন। সোলায়মান চৌধুরীর এক দুর্বল মুহূর্তের সুযোগ নিয়ে ভাইয়ের ভর্তির আবেদন পুনর্বিবেচনায় তিনি তাকে রাজি হতে বাধ্য করলেন। অধ্যক্ষ সোলায়মান চৌধুরী তার স্ত্রীকে বললেন, এক শর্তে আমি তোমার ভাইকে ভর্তি করতে রাজি আছি। শর্তটি হচ্ছে ঐ দিন আমি দুইটি সই করব, একটি তোমার ভাইয়ের ভর্তি আবেদনপত্রে, আরেকটি তোমার তালাকনামায়। এতে মানুষ জানবে যে সোলায়মান চৌধুরী তার নিজের শ্যালকের জন্য তার কলেজের একটি প্রতিষ্ঠিত নীতি ভঙ্গ করেছেন এবং বিনিময়ে নিজের স্ত্রীকেও তালাক দিয়েছেন। একেই বলে নীতি-নিষ্ঠতা। যদ্দূর জানা গেছে এই শর্তের পর তার স্ত্রী আর সামনে এগুননি।

আরও পড়ুন-

পানি বণ্টনে মমতার অবস্থান ও আন্তর্জাতিক আইন

সাবেক পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মুর্শেদের নাম অনেকেই শুনে থাকবেন। একজন ন্যায়পরায়ণ অকুতোভয় বিচারপতি হিসেবে তিনি যথেষ্ট খ্যাতির অধিকারী ছিলেন। তার পুত্র সৈয়দ মারগুব মুর্শেদ এক সময় আমার বস ছিলেন। তার আমলে আমি বৃহত্তর কুমিল্লায় একটি সরকারি সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছিলাম। তখন কুমিল্লা-চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া এক জেলা ছিল। আমার পূর্বসুরীর কাছ থেকে দায়িত্ব গ্রহণের পর হেড কোয়ার্টারের সাথে ১৮টি উপজেলার আর্থিক লেনদেনের হিসাব মিলাতে গিয়ে বিশাল অংকের একটা ঘাপলা আমার নজরে আসে। তবে এ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য না জানা পর্যন্ত কাউকে সন্দেহ করা বা কারোর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা আমার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ে। এর প্রেক্ষিতে আমি অভ্যন্তরীণ অডিটের ব্যবস্থা করি, তারা এসে প্রথমে Bank Reconciliation Statement তৈরি করে Cash Book ও ব্যাংক হিসাব মিলানোর চেষ্টা করেন এবং তাতে প্রায় কোটি টাকার আত্মসাৎ ধরা পড়ে। রাজস্ব বাজেট ও উন্নয়ন বাজেটভুক্ত বিভিন্ন প্রকল্পে বিভিন্ন উপজেলার তহবিল ছাড়করণের বেলায় দেখা যায় যে, চেক রেজিস্ট্রার এবং নগদায়নকৃত চেকের মিল নেই। চেক রেজিস্ট্রারে যেখানে ৫০,০০০/- টাকা আছে সেখানে ব্যাংকে চেক উপস্থাপনের সময় ৫০,০০০ এর পেছনে আরো একটি পাঁচ বসিয়ে পাঁচ লাখ পঞ্চাশ হাজার করে দেয়া হয়েছে এবং তোলা হয়েছে। হিসাবে প্রদেয় চেকের পরিবর্তে বিয়ারার চেক ইস্যু করা হয়েছে এবং ব্যাংক ও উপজেলার কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশে টাকা তুলে মূল অংক বিতরণ করে অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। চেক এর কাউন্টার ফয়েল অক্ষুন্ন ছিল। এক অদ্ভুত জালিয়াতি।

অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা রিপোর্টের ভিত্তিতে সচিব জনাব মারগুব মুরশেদ এজি অডিটের নির্দেশ দেন। প্রধান হিসাব রক্ষকের দফতর থেকে নিরীক্ষা দল গিয়ে আরো বেশি কিছু ঘাপলা আবিষ্কার করে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে রিপোর্ট পেশ করেন। এই রিপোর্টের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে তিন সদস্যের তদন্ত টিম গঠন করা হয়। তদন্ত দল অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ পান এবং তাকে বরখাস্ত ও আত্মসাৎকৃত অর্থ আদায়ের জন্য ফৌজদারী ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন। নথি মারগুব সাহেবের কাছে আসে, তখন অর্থাৎ নব্বই-এর দশকের প্রথমার্ধে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে কুমিল্লা জেলার বাসিন্দা ১৩ জন কর্মকর্তা সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অভিযুক্ত কর্মকর্তা কুমিল্লা শহরের একজন নামকরা রাজনৈতিক নেতা ও আইনজীবীর জামাতা ছিলেন। তারা জামাই শ্বশুর সকল সচিব ও মন্ত্রীর প্রভাব খাটিয়ে মারগুব মুর্শেদ সাহেবকে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করেন। একদিন মারগুব সাহেব আমাকে তার চেম্বারে ডেকে পাঠান। আমি সেখানে যাবার পর তিনি তার পিএসকে দিয়ে সংশ্লিষ্ট নথিটি তলব করেন। আমাকে বলেই তিনি নথিটি পড়তে শুরু করেন। এর মধ্যে তার কাছে অনেকগুলো টেলিফোন আসে। তিনি ফোনটা ধরে সালাম দিয়ে রেখে দেন আবার ফোনটা ধরার প্রয়োজনই মনে করেননি। তার পিএসকে বলে দেন যে কোনো ফোন যেন তাকে দেয়া না হয়। নথি দেখা শেষে তিনি কলম হাতে নেন এবং মনে হচ্ছিল তিনি আদেশপত্রে স্বাক্ষর করবেন। এই সময় তার পিএস এসে বললেন যে, রাষ্ট্রপতির মিলিটারি সেক্রেটারি তার সাথে কথা বলতে চেয়েছেন। তিনি টেলিফোন দিতে বললেন। মিলিটারি সেক্রেটারি তাকে কি বলেছেন আমি শুনিনি বা বুঝতে পারিনি। তবে মারগুব সাহেব উত্তরে যে কথাটি বলেছিলেন তা হচ্ছে, “It is Gods Prerogative to Pardon somebody and it is an administrators Prerogation is it do justice.” এই কথাটি বলেই তিনি টেলিফোন রেখে দিলেন এবং নথিতে স্বাক্ষর করে বললেন যে, ওমুককে বরখাস্তের সই করেছি এবং আপনাকে জানানোর জন্য ডেকে পাঠিয়েছিলাম। এটা ছিল ন্যায়পরায়ণতা, সততা, নিষ্ঠা, দুর্নীতির প্রতি জিরো টলারেন্স ও চাপের মুখে কর্তব্যে অটল থাকার দৃষ্টান্ত। ব্যক্তিত্বের আরেকটি দৃষ্টান্ত আমি প্রত্যক্ষ করেছি।

আরও পড়ুন-

ইতিহাসের অজ্ঞতা গোলামী ডেকে আনতে পারে ।। ১ম পর্ব

শাহ মোহাম্মদ ফরিদ তখন আমার বস। তিনি একজন জাদরেল কর্মকর্তা ছিলেন। সাংবাদিকতা ও লেখাপড়ার প্রতি আমার ঝোঁক প্রবণতাকে উনি পছন্দ করতেন এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে মাঝে মধ্যে প্রবন্ধ-নিবন্ধ লেখা ও বিশিষ্টজনদের প্রকাশিত বইপত্র বা রিপোর্ট পর্যালোচনার ব্যাপারে আমার সহযোগিতা নিতেন। একদিন তার আহ্বানে আমি তার চেম্বারে হাজির ছিলাম। এর মধ্যে আরেকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সেখানে এলেন এবং কিছু কথা বলার অনুমতি চাইলেন। আমি ইতস্তত বোধ করলাম এবং বিদায় নিয়ে পরে আসার অনুমতি চাইলাম। তিনি অনুমতি দিলেন না, বসতে বললেন এবং আমার সামনেই নবাগত ভদ্রলোককে তার কথা শেষ করতে বললেন। তিনি কথা শুরু করলেন এবং তারই সহকর্মী আরেকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) সম্পর্কে এমন কিছু কথা বললেন যা গিবতের পর্যায়ে পড়ে। তিনি কথাগুলো শুনলেন এবং আমার সামনেই ইন্টারকমে ঐ কর্মকর্তাকে ডাকলেন।

তার পিএকে চার কাপ চা পাঠাতে বললেন। কয়েক মিনিটের মধ্যে ভদ্রলোক আসলেন এবং বসলেন। সবাই মিলে আমরা চা খেলাম। ফরিদ সাহেব তখন প্রথমোক্ত ভদ্রলোককে তার কথাগুলো আবার বলতে বললেন, দেখলাম তার চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। তিনি কিছুই বললেন না। পরের ভদ্রলোক তাকে ডাকার কারণ জানতে চাইলেন। ফরিদ সাহেব বললেন, চা খাবার জন্য আপনাকে ডেকেছিলাম। কাজ থাকলে যেতে পারেন। তিনি চলে গেলেন। শাহ ফরিদ তখন প্রথমোক্ত ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে বললেন, যে কথা কারোর সামনে বলতে পারবেন না, তা পেছনে বলবেন না। এটা অন্যায় এবং একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার দায়িত্বহীন আচরণ।

এর পরের ঘটনাটি নারী ঘটিত। স্থানীয় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি সংস্থার একজন জেলা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অধস্তন নারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ উঠে। অভিযোগ উঠে যে, তিনি উপজেলা সফর করতে গিয়ে ডাক বাংলোতে উঠেন এবং প্রায়শঃ নারী কর্মকর্তাদের সেখানে ডেকে এনে অনৈতিক আচরণ করেন। কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস করেন না। একবার তিনি সফরে গিয়ে অনৈতিক উদ্দেশ্যে সুন্দরী এক নারী কর্মকর্তাকে ডাক বাংলোতে ডেকে আনেন। ঐ নারী কর্মকর্তা সেখানে আসার আগে তার সহকর্মীসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করে তার আদেশ মতো ডাক বাংলোতে আসেন। কিছুক্ষণ পরই তার সহকর্মীরা সেখানে এসে ডাক বাংলোর সংশ্লিষ্ট কক্ষে তালা লাগিয়ে দেন এবং নির্বাহী অফিসারকে খবর দেন। বিষয়টি জানাজানি হয়ে জেলা প্রশাসকের নজরে যায় এবং সচিবালয় পর্যন্ত খবর পৌঁছে। কোনো এক অজানা কারণে তিনি মামলার হাত থেকে রক্ষা পান। এর কিছুদিন পরই ছিল এডিপি পর্যালোচনার অভ্যন্তরীণ মিটিং। এতে সভাপতি ছিলেন খ্যাতনামা সিএসপি ও কথাশিল্পী হাসনাত আবদুল হাই। অভিযুক্ত ঐ কর্মকর্তাও রিভিউ মিটিং-এ হাজির ছিলেন। তাকে দেখেই হাসনাত সাহেব বলে উঠলেন এই লোকটাকে এখনো পর্যন্ত কি খাসি করায়ে দেয়া হয়নি। সভায় উপস্থিত অর্থ বিভাগ, পরিবেশ বিভাগ, পানিসম্পদ ও সেচ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ সকল বিভাগীয় কর্মকর্তারা হতবাক। হাসনাত সাহেবের কথা ছিল,

আরও পড়ুন-

নারীবাদ প্রাচ্যকেও যেভাবে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেবে

একজন অপরাধীকে শাস্তি না দিয়ে অবাধে বিচরণ করতে দেয়ার অর্থ হচ্ছে আরো বৃহত্তর পরিসরে অপরাধ করার জন্য তাকে Open general license দিয়ে দেয়া। এতে সমাজ কলুষিত হয়। অপরাধীরা উৎসাহ পায়। আমরা যারা এখন সরকারে আছি বা বিভিন্ন দল ও সংস্থার নেতৃত্ব দিচ্ছি তারা কি বর্তমান এই নীতিমালাগুলো মেনে চলি।

আমি আজকেই আমার স্মৃতির ভাণ্ডার শেষ করতে চাই না। ভবিষ্যতে আরো কিছু স্মৃতি নিয়ে পাঠকদের সামনে ইনশাআল্লাহ হাজির হবার আশা রাখি।

লেখকঃ প্রাবন্ধিক , গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক যুগ্ম সচিব  এবং সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, দৈনিক সংগ্রাম

…………………………………………………………………………………………………………………………

মহীয়সীর প্রিয় পাঠক ! সামাজিক পারিবারিক নানা বিষয়ে লেখা আর্টিকেল ,আত্মউন্নয়নমূলক অসাধারণ লেখা, গল্প  ও কবিতা  পড়তে মহীয়সীর ফেসবুক পেজ মহীয়সী / Mohioshi  তে লাইক দিয়ে মহীয়সীর সাথে সংযুক্ত থাকুন। আর হা মহীয়সীর সম্মানিত প্রিয় লেখক! আপনি আপনার পছন্দের লেখা পাঠাতে পারেন আমাদের ই-মেইলে-  [email protected]  ও  [email protected] ; মনে রাখবেন,”জ্ঞানীর কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়েও উত্তম ।” মহীয়সীর লেখক ও পাঠকদের মেলবন্ধনের জন্য রয়েছে  আমাদের ফেসবুক গ্রুপ মহীয়সী লেখক ও পাঠক ফোরাম ; আজই আপনিও যুক্ত হয়ে যান এই গ্রুপে ।  আসুন  ইসলামী মূূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রজন্ম গঠনের মাধ্যমে সুস্থ,সুন্দর পরিবার ও সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখি । আল্লাহ বলেছেন, “তোমরা সৎ কাজে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে চলো ।” (সূরা বাকারা-১৪৮) । আসুন আমরা বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার মাধ্যমে সমাজে অবদান রাখতে সচেষ্ট হই । আল্লাহ আমাদের সমস্ত নেক আমল কবুল করুন, আমিন ।

ফেসবুকে লেখক ড. মো. নূরুল আমিন

আরও পড়ুন