Ads

মসজিদে মহিলাদের সালাতের ব্যবস্থায় অনীহা কেন?-১ম পর্ব

।। জামান শামস ।।

আপনারা যাঁরাই হজ্জের সফরে গিয়েছেন নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন যে তাদের প্রত্যেকটি মসজিদেই পুরুষ সালাতের রুমের পাশে ভিন্ন রুমে সালাত আদায়ের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে। অযু ও টয়লেটও পৃথক। এমনকি সালাতের রুমটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত। মক্কা মদীনা রুটে আমি যতবার যতস্থানে যাত্রাবিরতি করেছি সবখানে পুরুষের পাশাপাশি নারীদের সালাতের ব্যবস্থা বিদ্যমান।মূল মসজিদের সাথে শক্ত দেয়ালের পর্দাঘেরা পৃথক রুম কিংবা পৃথক এন্ট্রি এক্সিটসহ আলাদা অযুখানা ও টয়লেট। এটা তারা মসজিদ নির্মাণকালেই এভাবে ডিজাইন করে যাতে কোনভাবেই নারী পুরুষ সাক্ষাৎ না ঘটে।

তারা হাম্বলী মাযহাব অনুসরণ করেন। ফিকাহ শাস্ত্রে কোন সন্দেহ নেই মাযহাবগতভাবে হানাফী মাযহাব থেকে হাম্বলী মাযহাব তুলনামূলক কঠোর। তাদের মেয়েদের পর্দার প্রকৃতি দেখেই তা অনুমান করা যায়। তা সত্তেও তাদের দেশসহ আরব মুলুকের মসজিদসমূহে নারীদের সালাত আদায়ের জন্য তারা মসজিদগুলোতে অবাধ যাতায়াত নিশ্চিত করেছে। ফিতনার আশংকা তো সেখানেও আছে। সেখানকার পুরুষগণও বীর্যধারী, নারী সংস্পর্শ কামনার অতীত নয়। আবার মেয়েরাও আমার অনুমান,আমাদের মেয়েদের চেয়ে আরো সুন্দরী।তারা মসজিদে মেয়েদের আসতে তথাপিও বারণ করেন না এবং মেয়েদের সালাত আদায়ে কোন বাঁধার দেয়াল তৈরী করেন নি।

আল কুরআনে সালাত কায়েম করার অর্থাৎ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাতের সাথে আদায়ের বাধ্যবাধকতা বর্ণিত হয়েছে নারী-পুরুষ সকলের জন্য। “রুকুকারীদের সাথে সম্মিলিতভাবে রুকু করো” কুরআনের এ হুকুম শুধু পুরুষের জন্য নয়। আর নারীদের ঈদের জামাতে অংশ গ্রহণ করার ব্যাপারে রাসূলের (সাঃ) নির্দেশনা রয়েছে। এর ভিতর দিয়ে কল্যাণে, ধর্মীয় জ্ঞান আহরণে ও ইসলামী বিধান পালনে তারা পুরুষের মতো নিজেদের এগিয়ে রাখার সুযোগ নিশ্চিত করতে পারে।

ফিতনার কথা বলে নারীদের ধর্মীয় কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখা রাসূলের (সাঃ) হাদীসকে অবজ্ঞা বা বাদ দেওয়ার ধৃষ্টতা প্রদর্শন কখনো সহীহ তরীকা হতে পারে না। আর নারীরা আজকাল কোথায় নাই? সর্বত্র সবখানে অবাধ যাতায়াত নারীদের রয়েছে। নারীরা ইসলামের পর্দার বিধান সঠিক ভাবে মেনে সব বৈধ ও জনকল্যাণমূলক কাজেই অংশ গ্রহণের শরয়ী বিধান ইসলামে রয়েছে। সুতরাং তারা মসজিদে নিয়মিত অংশ গ্রহণ ও যাতায়াত নিরাপদ করার সংস্কৃতি চালু করা রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব। নিরাপত্তা বা ফেতনা সৃষ্টির ঠুনকো অজুহাত দাড় করানোর মাধ্যমে ইসলামের বিভিন্ন বিধান জানা ও মানার মসজিদ ভিত্তিক কার্যক্রমে তাদের বঞ্চিত করার হীন প্রচেষ্টা শুধু আপত্তিকরই নয় বরং ইসলামের অপব্যাখ্যা ও বিভ্রান্তিকর। এতে করে নারীরা ইসলামের আলোকে নিজেদের গঠন করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

নারীদের মসজিদে নামাজ ও আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহার হাদীসের ভুল ব্যাখ্যা

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর যুগে নারীরা মসজিদে জামায়াতে সালাত আদায় করার প্রচলন ছিলো। নারীরা রাসূলের (সা:) এর যুগে তাঁরই পেছনে মসজিদে নববীতে তাঁর ইমামতিতে নামাজ আদায় করতেন। রাসুলের ওফাত পর্যন্ত এ অনুশীলন অব্যাহত ছিল। সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমসহ হাদীসের প্রায় সব গ্রন্থে এ সংক্রান্ত বর্ণনা পাওয়া যায়।

আয়েশা (রা) বলেন, ‘রাসূল (সা:) ফজর সালাত আদায় করতেন, তখন তাঁর সাথে মুমিন নারীরা চাদর পেঁচিয়ে নামাজ আদায় করতেন, তারপর তারা ফিরতেন, তাদেরকে কেউ চিনতে পারতো না।’ এ হাদীসটি সহীহ বুখারীতে তিনটি অনুচ্ছেদে উল্লেখিত হয়েছে। [বুখারী, খ. ১, পৃ. ৯৯; পৃ. ২০৮,খ. ৩, পৃ. ১৩০-১৩১]

রাসূল (সা) অধিকাংশ সময়ে সালাত দীর্ঘ করতে চাইতেন কিন্তু মহিলাদের শিশুদের কান্নায় তাদের মায়েরা অস্থির হয়ে পড়ে কিনা এ কথা ভেবে তিনি সালাত সংক্ষিপ্ত করতেন। আব্দুল্লাহ ইবনু আবি কাতাদা তার পিতা হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূল (সা:) বলেছেন, আমি সালাতে দাঁড়িয়ে তা দীর্ঘ করতে চাই; কিন্তু শিশুর কান্না শুনে আমার সালাত সংক্ষিপ্ত করি, পাছে তার মায়ের কষ্ট হয়। বুখারী সালাত অধ্যায়ে চারটি স্থানে এ বর্ণনাটি উল্লেখ করেছেন; দুটি আবু কাতাদাহ (রা:) হতে আর দুটি আনাস ইবনু মালিক (রা:) হতে। [বুখারী খ.১, পৃ. ১৭২; পৃ. ২০৮; তিরমিযি খ.১, পৃ. ২৩৪]

প্রথমদিকে মুসলিমরা নিদারুণ অনটনে ছিলেন। এমনকি তাদের অনেকের দুটো কাপড়ও ছিল না। এ জন্য অনেককে একপ্রস্থ কাপড় কোনমতেই পেঁচিয়ে সালাত আদায় করতে হতো। এ ব্যাপারটা ভাবলে ও গভীরভাবে অনুধাবন করলেই বুঝা যায় যে, কাপড়ের সঙ্কটও নারীদের সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে গমন থেকে বিরত রাখতে পারে নি। পরকালে নারী-পুরুষ সবাইকে যেহেতু জবাবদিহীর কাঠগড়ায় দাড়াতে হবে, নারী কেন সেখানে পিছিয়ে থাকবে। আর এটাই বাস্তব সম্মত ও সঠিক।

রাসূলের যুগে নারীদের সালাত আদায়ের পদ্ধতিই ছিলো এমন যে পুরুষরা সামনে ও মহিলারা পেছনের সারিতে সালাত আদায় করতেন। মহিলাদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল পুরুষরা সেজদা হতে পূর্ণরূপে মাথা তোলার পর যেন তারা মাথা উঠায়। সাহল ইবনু সাদ (রা:) বলেন, রাসূল (সা:) এর সাথে লোকজন সালাত আদায় করতো, সংক্ষিপ্ত হওয়ায় তারা তহবন্দ ঘাড়ে বাঁধতেন। আর তাই নারীদেরকে বলা হলো, তোমরা মাথা তুলবে না পুরুষরা সোজা হয়। [বুখারী, খ.১, পৃ. ১৯৭; মুসলিম, খ. ১,পৃ. ৩৩৭] কোনো কোনো বর্ণনায় দেখা যায় নারীদেরকে দেরীতে মাথা তোলার নির্দেশ রাসূল (সা:) নিজেই দিয়েছিলেন। [আল-মুহাল্লা, খ. ৩, পৃ. ১৩১]

নারীর সত্যিকারের স্বাধীনতা আসে যেভাবে

সুতরাং বিতর্কহীনভাবে এটা প্রমাণিত যে, রাসূলের (সাঃ) আমলে নারীরা মসজিদে জামায়াতে সালাত আদায় করতেন। জামায়াতে সালাত শেষে নারীরা খুব দ্রূত বাড়ী ফিরতেন। রাসূল (সা:) নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা রোধ করার জন্য এ পন্থা গ্রহণ করেছেন। যেমন উম্মু সালামা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা:) যখন সালাম ফেরাতেন, নারীরা উঠে দাড়াতো, দাঁড়ানোর আগে তিনি নিজ স্থানে কিছুক্ষণ অবস্থান করতেন। [বুখারী, খ. ১ পৃ. ২০৪,২০৭,২০৮,২০৯] জহুরী বলেন, আমরা মনে করি আল্লাহ তায়ালা আরো ভালো জানেন; তিনি এ জন্য তা করতেন যেন বাসায় ফেরার আগে মহিলাদেরকে কোন পুরুষ নাগাল না পায়।

নারীদের মসজিদে গমনে কি প্রিয় নবী (সাঃ) নিজে নিষেধ করেছেন ? মহানবী (সাঃ) এর আমলে নারীদের সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে সরব উপস্থিতি ছিলো । এমনকি রাসূল (সাঃ) নিজেই নির্দেশনা দিয়েছেন মসজিদে জামায়াতে সালাত আদায় করতে যেতে চাইলে নারীদেরকে বাধা দেয়া যাবে না। কারণ নারীরা আল্লাহর বাঁদি; আর মসজিদ আল্লাহর ঘর। আল্লাহর ঘরে তার বাদীদেরকে যেতে বারণ করা উচিত নয়। তবে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন তারা যেন সুগন্ধি মেখে, সৌন্দর্য ছড়িয়ে মসজিদে না যায়। কারণ এতে এবাদত এর মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। এমন নির্দেশ তো পুরুষের বেলায়ও আছে তারা যেন কাঁচা পিঁয়াজ রসুন খেয়ে মসজিদে না যায়। তাতে আল্লাহর সমীপে আত্মসমর্পণ ও কাকুতি-মিনতি করার পরিবেশ বিনষ্ট হবে।হাদীসের রেফারেন্সগুলো দেখুন-

১. আব্দুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) বললেন, আমি আল্লাহর রসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “তোমাদের মহিলারা যদি মসজিদে যেতে অনুমতি চায়, তাহলে তাদেরকে বাধা দিও না।” এ হাদীস শোনার পর তাঁর ছেলে বিলাল বললেন, ‘আল্লাহর কসম! আমরা ওদেরকে বাধা দেব।’ এ কথা শুনে আব্দুল্লাহ তার মুখোমুখি হয়ে এমন গালি দিলেন, যেমনটি আর কোনদিন শোনা যায়নি। অতঃপর তিনি বললেন, ‘আমি তোকে আল্লাহর রসূল (ﷺ) থেকে খবর দিচ্ছি। আর তুই বলিস, ‘আল্লাহর কসম! আমরা ওদেরকে বাধা দেব।’ (মুসলিম, সহীহ ৪৪২)

২. আমর আন নাকিদ ও যুহারর ইবনু হারব (রহঃ) ….. সলিম থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কারো স্ত্রী তার স্বামীর কাছে মসজিদে যাওয়ার অনুমতি চাইলে সে যেন তাকে নিষেধ না করে।(সহীহ মুসলিম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৭০, ইসলামিক সেন্টারঃ ৮৮৩)

৩.সাহল ইবনু সা’দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পিছনে পুরুষদেরকে তাদের লুঙ্গি খাটো হওয়ার কারণে বালকদের মতো কাঁধের সাথে গিট দিয়ে তহবন্দ গলায় বেঁধে পরিধান করতে দেখেছি। এক ব্যক্তি বলে উঠল, হে নারী সমাজ! পুরুষদের মাথা উঠানোর আগে তোমরা মাথা উঠাবে না (সহীহ মুসলিম,ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৬৯, ইসলামিক সেন্টারঃ ৮৮২)

কন্যা সন্তান আল্লাহর রহমত

৪.আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ পুরুষদের জন্য প্রথম লাইন উত্তম এবং শেষের লাইন মন্দ। মহিলাদের জন্য শেষের লাইন উত্তম এবং প্রথম লাইন মন্দ। ( সহীহ মুসলিম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৬৭, ইসলামিক সেন্টারঃ ৮৮০)* এ নিয়মটা ঐ মসজিদের জন্য যে মসজিদ এককক্ষ বিশিষ্ট এবং ঐ একই কক্ষে পুরুষ ও মহিলাদের সালাতের ব্যবস্থা আছে।

৫. মসজিদে গিয়ে মহিলাগণ নামাজ পড়বে তবে কোনো মহিলার জন্য এটা জায়েজ নয় যে, সে সুসজ্জিতা হয়ে আতর বা সুগন্ধি মেখে যাবে। কেননা, আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন: “তোমাদের মধ্যে থেকে যখন কোনো মহিলা কোনো মাসজিদে প্রবেশ করবে, তখন যেন সে আতর বা সুগন্ধি ব্যবহার না করে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৪২ – (৪৪৩)]

৬.ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ মহিলাদেরকে রাতের বেলা মসজিদে যেতে বাধা দিও না। আবদুল্লাহ ইবনু উমারের (রাযিঃ) এক ছেলে (বিলাল) বলল, আমরা তাদেরকে বের হতে দিব না। কেননা লোকেরা এটাকে ফ্যাসাদের রূপ দিবে। রাবী বলেন, ইবনু উমর (রাযিঃ) তাকে ধমক দিয়ে বললেন, আমি বলছি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আর তুমি বলছ আমরা তাদেরকে (বাইরে যেতে) ছেড়ে দিব না! ( সহীহ মুসলিম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৭৪, ইসলামিক সেন্টারঃ ৮৮৭) ইবনু হাজার বলেন, রাতে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা বেশি থাকে। রাতেই যদি মহিলাদেরকে মসজিদে গমনের অনুমতি দেয়া হয়, দিনে কোন বাধা থাকার প্রশ্নই আসেনা।

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো নারীদের সালাত আদায়ের প্রসঙ্গ আসলে ফিতনা ও নারীদের নিরাপত্তার কথা তোলা হয়, অন্য সকল ক্ষেত্রে নারীদের সরব উপস্থিতির ক্ষেত্রে কি এই ফেতনা ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবার আশংকা থাকে না ?

তাহলে নারীদের শিক্ষাঙ্গন, ব্যাংক বীমা, অফিস আদালত ও বাজার শপিং এ অবাধ যাতায়াত প্রশ্নবিদ্ধ নয় কেন ? স্কুল মাদ্রাসায়ও তারা দিনের অর্ধেক সময় ব্যয় করতে পারে। ফিতনার আশঙ্কা সত্তেও এগুলোর কোথাও নারী নিষিদ্ধ নয়। নারী মাদ্রাসাগুলোতে ঘন্টার পর ঘন্টা শিক্ষকতা পবিত্র হলে তাদের ঈমাম হয়ে সালাতে বিপত্তি কেন ? কেবল নারীরা আল্লাহর ঘর মসজিদে সিজদা দিতে আসবে সেটা বন্ধ করতে শত বাহানা খোঁজা হয়! নারীদের গায়ে অন্যায্য ফেতনার অপবাদ আরোপ করা হয়। এটি নারীর প্রতি এক ধরনের বৈষম্য ও জুলুম মনে করা অসংগত নয়।

চলবে-

লেখকঃ কলাম লেখক এবং সাবেক এডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি

…………………………………………………………………………………………………………………………

মহীয়সীর প্রিয় পাঠক ! সামাজিক পারিবারিক নানা বিষয়ে লেখা আর্টিকেল ,আত্মউন্নয়নমূলক অসাধারণ লেখা, গল্প  ও কবিতা  পড়তে মহীয়সীর ফেসবুক পেজ মহীয়সী / Mohioshi  তে লাইক দিয়ে মহীয়সীর সাথে সংযুক্ত থাকুন। আর হা মহীয়সীর সম্মানিত প্রিয় লেখক! আপনি আপনার পছন্দের লেখা পাঠাতে পারেন আমাদের ই-মেইলে-  [email protected]  ও  [email protected] ; মনে রাখবেন,”জ্ঞানীর কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়েও উত্তম ।” মহীয়সীর লেখক ও পাঠকদের মেলবন্ধনের জন্য রয়েছে  আমাদের ফেসবুক গ্রুপ মহীয়সী লেখক ও পাঠক ফোরাম ; আজই আপনিও যুক্ত হয়ে যান এই গ্রুপে ।  আসুন  ইসলামী মূূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রজন্ম গঠনের মাধ্যমে সুস্থ,সুন্দর পরিবার ও সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখি । আল্লাহ বলেছেন, “তোমরা সৎ কাজে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে চলো ।” (সূরা বাকারা-১৪৮) । আসুন আমরা বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার মাধ্যমে সমাজে অবদান রাখতে সচেষ্ট হই । আল্লাহ আমাদের সমস্ত নেক আমল কবুল করুন, আমিন ।

ফেসবুকে লেখক জামান শামস

আরও পড়ুন