সম্পর্ক ও ক্যান্সার ভাবনা

ডাঃ জোবায়ের আহমেদ

মানুষের যখন শরীরের কোন অংশে ক্যান্সার হয়,তখন মানুষ সেই ক্যান্সার কে অপারেশন করে কেটে ফেলে যদিও শরীরের সেই অংশটা খুব প্রিয় হয়।।

তারপর কেমোথেরাপি রেডিওথেরাপির মত কষ্টদায়ক ট্রিটমেন্ট নেয়,এত সব সহ্য করে সুস্থ ও ভালো থাকতে।।।

ঠিক নষ্ট কিছু ছুড়ে ফেলে দিতে হয় নর্দমায় বা ডাস্টবিনে।।

পঁচা জিনিস ডাস্টবিনে ছু্ঁড়ে ফেলে দিলে গন্ধ ছড়াতে পারেনা আর।।।

মানুষ ব্যক্তি, সমাজ, রাজনৈতিক জীবনেও এমন  সিদ্ধান্ত নিতে হয় মাঝে মাঝে।।

ক্যান্সার এর চিকিৎসা যেমন দ্রুত করতে হয়,সময় ক্ষেপণ করলে সেই ক্যান্সার সারা শরীরে ছডিয়ে পড়ে প্রাণনাশের আংশকা দেখা দেয়,ঠিক তেমনই কিছু সিদ্ধান্ত দ্রুত নিতে হয় জীবনে।।

যারা সঠিক সিদ্ধান্ত সঠিক সময়ে নিতে পারেন,তারাই জয়ী হন।
নতুবা ক্যান্সারে প্রাণনাশের মত মানুষের জীবনে অন্ধকার ও হতাশা ও চরম ভোগান্তি নেমে আসে।।

আপনি একটি বিষাক্ত সম্পর্কে আছেন, প্রতিপক্ষ আপনাকে বারবার আঘাতে কাবু করে ফেলছে তারপরও যদি আপনি সয়ে সয়ে ক্ষয়ে যান তবে আপনি বোকাদের দলেই পড়ে রইলেন।।

আপনি বোকা থাকবেন না সাহসী হবেন সেই সিদ্ধান্ত আপনাকেই নিতে হবে।

বোকারা ভাবে মানুষ কি বলবে।
মানুষ কোনদিনও আপনাকে ভালো বলবেনা।
মানুষের বলার শেষ ও নেই।।
কিন্ত জীবন যখন আপনার, ক্যান্সার যখন আপনার শরীরে, তখন চিকিৎসার সিদ্ধান্ত আপনাকেই নিতে হবে।।
সেই চিকিৎসা কষ্টদায়ক, ব্যয়বহুল তা ঠিক কিন্ত এতে জীবন বেঁচে যায়।।

আপনার জীবন একটাই।
একবারই আপনি এই পৃথিবীতে আসতে পেরেছেন।
কিছুকাল পরে আপনাকে চলে যেতে হবে স্থায়ী ঠিকানায়।।
সুতরাং যাত্রা পথে সুখ ও সুন্দর কুড়িয়ে নিতে আপনাকে সচেষ্ট হতে হবে।।

ডাঃ জোবায়ের আহমেদ সাহিত্যিক, কলামিস্ট  ও ডাক্তার।

আরও পড়ুন