Ads

আরাফা দিবসে কোন কোন দোয়া করবেন ?

।। জামান শামস ।।

আগামীকাল হাজীগণ মীনা থেকে আরাফার ময়দানে সমবেত হবেন।হাজীদের জন্য এদিনই ইয়াওমুল আরাফাহ,আরব জাহানেও তাই কিন্ত চাঁদের হিসাবে আমরা একদিন পিছিয়ে। আরাফাহ দিবস ৯ জিলহজ্জ আমাদের জন্য আরব বিশ্বের একদিন পর। সে হিসাবে আমাদের আরাফার দিবস বা ৯ জিলহজ্জ রবিবার ১৬ জুন।

ইসলামের সকল ইবাদাতেরই ফরজ ওয়াজিব ব্যতীত অন্যান্য বিষয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ আছে। তা সত্তেও আমরা আমাদের পূর্বসুরীদের মতো যে যে মত মানেন ও সঠিক মনে করেন তার উপর আমল করে যাচ্ছি। মতভেদ সত্তেও রাসুলের সাহাবীগণও আমলের ক্ষেত্রে পরষ্পর প্রতিযোগীতা করেছেন।

ইখতিলাফী মাসআলার ক্ষেত্রে আপনি আপনার বিবেককে জিজ্ঞাসা করুন কোন মতটি গ্রহন করবেন ? আপনার মন যদি সায় দেয় যে হাজী সাহেবগণের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে আমিও মনে মনে ধরে নিলাম আরাফার মাঠে আছি তাহলে সেদিনই আপনার আরাফাহ দিবস। রাতে সেহেরী খেয়ে কাল রোজা রাখুন।

আর যারা চাঁদের হিসাবে নিজ দেশে অন্যান্য ইবাদাতের মতোই আরব বিশ্ব থেকে একদিন পিছিয়ে পালন করতে চান তারা রবিবার আরাফার রোজা পালন করবেন ইনশাআল্লাহ। যারা ইখতিলাফের বাইরে থেকে দুই দিন রোজা রাখতে চান, কারো কারো মতে তাও বৈধ। অন্য দেশে ঈদ উদযাপন হলেও আপনার তাতে সমস্যা হবে না।

তবে, মুহাক্কিক আলিমগণ বলেন, উকুফে আরাফাহ হাজীদের জন্য আর আরাফার সাওম নন হাজীদের জন্য।এ দুটি পৃথক পৃথক ইবাদাত। রোজার ইবাদত রোজার নিয়মেই হওয়া বাঞ্ছনীয়।

আশা করছি আল্লাহ আমাদের নিয়তের বিশুদ্ধতার জন্য দিন যেটাই হোক আমাদের আমলগুলোকে নিষ্কাম ও ব্যর্থ করবেন না।

আরাফার দিনে আল্লাহর কাছে কুরআন ও হাদীসের এ দোয়াগুলো আপনি পাঠ করতে পারেন।

১.হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা আমাদের নিজেদের প্রতি অন্যায় করেছি, আপনি যদি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন, তবে আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়ব।

২.হে আমার প্রতিপালক! আপনি ক্ষমা করুন আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং যারা মুমিন হয়ে আমার গৃহে প্রবেশ করে তাদেরকে এবং মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে, আর জালিমদের শুধু ধবংসই বৃদ্ধি করুন

আরও পড়ুন-হজ্জ জীবনে একবার কিন্ত প্রভাব সারা জীবনের।। ১ম পর্ব

৩. হে আমার প্রতিপালক! আমাকে নামাজ কায়েমকারী করুন এবং আমার বংশধরদের মধ্য হতেও; হে আমাদের প্রতিপালক! আমার দোয়া কবুল করুন। হে আমার প্রতিপালক! যেদিন হিসাব হবে সেদিন আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং মু‘মিনদেরকে ক্ষমা করুন।

৪. হে আমার প্রতিপালক! আমাকে জ্ঞান দান করুন এবং সৎকর্মপরায়ণদের সাথে আমাকে মিলিয়ে দিন আমাকে পরবর্তীদের মধ্যে বিখ্যাত করুন। এবং আমাকে সুখময় জান্নাতের অধিকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন! এবং আমাকে লাঞ্ছিত করবেন না পুনরুত্থান দিবসে।

৫. হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা তো আপনারই উপর নির্ভর করছি, আপনারই অভীমুখী হয়েছি এবং প্রত্যাবর্তন তো আপনারই নিকট।

৬. হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি আমাদেরকে কাফেরদের পীড়নের পাত্র করবেন না, হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি আমাদেরকে ক্ষমা করুন! আপনি তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

৭. হে আমার প্রতিপালক! আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন। এবং আমার কর্ম সহজ করে দিন। আমার জিহবার জড়তা দূর করে দিন। যাতে লোকেরা আমার কথা বুঝতে পারে।

৮. হে আমার প্রভু! আপনি যা অবতীর্ণ করেছেন, আমরা তা বিশ্বাস করি এবং আমরা রাসূলের অনুসরণ করছি; অতএব সাক্ষীগণের সাথে আমাদেরকে লিপিবদ্ধ করুন।

৯. হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে এই জালিমদের লক্ষ্যবস্ত বানাবেন না। আমাদেরকে আপনার নিজ রহমতে এই কাফেরদের কবল হতে মুক্তি দিন।

১০. হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের অপরাধ ও অন্যায় আচরনসমূহ ক্ষমা করুন ও আমাদের চরণসমূহ সুদৃঢ় করুন এবং অবিশ্বাসীদের উপর আমাদেরকে সাহায্য করুন।

১১. হে আমার প্রতিপালক! আমাদের প্রতি আপনার সার্বক্ষনিক দয়া বর্ষণ করুন। আপনিই তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।

১২. হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের দুনিয়াতে সেই কল্যাণ দিন যা আখেরাতে অকল্যাণের কারণ হবেনা এবং আমাদেরকে অগ্নির শাস্তি হতে রক্ষা করুন।

১৩. হে আমাদের প্রতিপালক! যদি আমরা বিস্মৃত হই অথবা ভুল করি তবে আপনি আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না। হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের পূর্ববর্তীগণের যেমন গুরু-দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে আমাদের উপর তেমন গুরু-দায়িত্ব অর্পণ করবেন না। হে আমাদের প্রতিপালক! এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই। আমাদের পাপ মোচন করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে জয়যুক্ত করুন।

১৪. হে আমাদের প্রতিপালক! সরল পথ প্রদর্শনের পর আপনি আমাদের অন্তরকে সত্য লঙ্ঘন প্রবণ করবেন না এবং আপনার নিকট হতে আমাদেরকে করুণা দিন, নিশ্চয় আপনি মহাদাতা।

১৫. হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের থেকে জাহান্নামের শাস্তি বিদূরিত করুন,এর শাস্তি তো নিশ্চিত বিনাশ,নিশ্চয় উহা অস্থায়ী ও স্থায়ী আবাস হিসাবে নিকৃষ্ট।

১৬. হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের জন্য এমন স্বামী/স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি দান করুন যারা হবে আমাদের জন্য নয়ন প্রীতিকর এবং আমাদেরকে মুত্তাকিদের জন্য অনুসরণযোগ্য বানান।

১৭. হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে এবং ঈমানে অগ্রণী আমাদের ভ্রাতাগণকে ক্ষমা করুন এবং মু‘মিনদের বিরুদ্ধে আমাদের অন্তরে বিদ্বেষ রাখবেন না। হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি তো দয়ার্দ্র, পরম দয়ালু।

১৮. হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের জ্যোতিকে পূর্ণতা দান করুন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন, নিশ্চয় আপনি সর্ব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

১৯. হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা ঈমান এনেছি আপনার জাঁত ও সত্তার উপর,আপনার গুণরাজির উপর,আপনার শক্তি ও ক্ষমতার উপর।সুতরাং আমাদেরকে আগুনের আজাব হতে রক্ষা করুন।

২০. হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের এ দেশকে নিরাপদ রাখুন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করুন, সকলের মধ্যে দেশপ্রেম ও ঈমানকে বলিষ্ঠ করে দিন। আমাদের নেতৃবৃন্দকে দীন ও ঈমানের পথে পরিচালিত করুন।

আরও পড়ুন-সন্তানকে দ্বীনদার হিসেবে গড়ে তুলবেন যেভাবে

২১. হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে অত্যাচারী সম্প্রদায়ের সঙ্গী করবেন না।আমাদের পরিবারগুলোর সুসংহত করে দিন। পরিবারে ভালোবাসা ও পরষ্পরের প্রতি সহানুভূতি প্রগাঢ করে দিন। আত্মীয়দের মধ্যে সম্পর্ক সুসংহত করে দিন।

২২. আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট,তিনি ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ নেই, আমি তাঁরই উপর নির্ভর করি এবং তিনি মহা আরশের অধিপতি।

২৩. হে আল্লাহ, দৃষ্টির অন্তরালবর্তী ও দৃষ্টিগ্রাহ্য সকল বিষয়ে যেন আপনাকে ভয় করতে পারি। হে আল্লাহ, যদি জীবন আমার জন্য কল্যাণকর হয়, তাহলে আমাকে জীবিত রাখুন, আর যদি মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর হয় তাহলে আমাকে মৃত্যু দান করুন।

২৪.আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করি সত্য কথা বলার তাওফিক, খুশি ও ক্রোধ উভয় অবস্থাতেই। আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করি মিতব্যয়িতার, সচ্ছল-অসচ্ছল উভয়াবস্থায়। প্রার্থনা করি এমন নেয়ামত যা শেষ হবার নয়। প্রার্থনা করি যা চক্ষু জুড়াবে অনিঃশেষভাবে। আমি আপনার নিকট চাই তকদিরের প্রতি সন্তুষ্ট ও মৃত্যুর পর সুখময় জীবন।

২৫.আমি আপনার নিকট কামনা করি আপনাকে দেখার তৃপ্তি, আমি কামনা করি আপনার সহিত সাক্ষাৎ লাভের আগ্রহ-ব্যাকুলতা যা লাভ করলে আমাকে স্পর্শ করবে না কোন অনিষ্ট, আর আমাকে সম্মুখীন হতে হবে না এমন কোন ফেৎনার যা আমাকে পথভ্রষ্ট করতে পারে।

২৬.হে আল্লাহ,আপনি আমাদেরকে ঈমানের অলংকার দ্বারা বিভূষিত করুন আর আমাদেরকে বানান সত্য পথের পথ প্রদর্শক ও হেদায়েতের পথিক।

২৭.হে আল্লাহ, আপনিই আমার প্রভু।আপনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই।আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছন আর আমি আপনার বান্দা এবং আমি আমার সাধ্যমত প্রতিশ্রুতিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট হতে আপনার কাছে আশ্রয় ভিক্ষা করি। আমার প্রতি আপনার নিয়ামতের স্বীকৃতি প্রদান করছি, আর আমি আমার গুনাহ-খাতা স্বীকার করছি। অতএব আমাকে মাফ করুন। নিশ্চয়ই আপনি ভিন্ন আর কেউ গুনাহ মার্জনাকারী নেই।

২৮.হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি পদস্খলিত হওয়া থেকে। পথ হারিয়ে ফেলা অথবা অন্য কর্তৃক পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে। কারও উপর জুলুম করা থেকে অথবা কারো নির্যাতিত হওয়া থেকে। কারও সাথে মূর্খতাপূর্ণ আচরণ করা থেকে অথবা অন্যের মূর্খতা-জনিত আচরণে আক্রান্ত হওয়া থেকে।

২৯.হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট উপকারী বিদ্যা, গ্রহণযোগ্য আমল এবং পবিত্র জীবিকা প্রার্থনা করি।

৩০.হে আল্লাহ! আপনার জিকির,আপনার শুকরিয়া জ্ঞাপন করার এবং ইবাদত সঠিক ও সুন্দরভাবে সম্পাদন করার কাজে আমাকে সহায়তা করুন।

৩১.হে আল্লাহ! আপনি ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কোন মা‘বুদ নেই। তিনি এক তাঁর কোন শরিক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা মাত্রই তাঁর। তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ! আপনি যা প্রদান করেন তা বাঁধা দেয়ার কেহই নেই, আর আপনি যা দেবেন না তা দেয়ার মত কেহ নেই। আপনার গজব হতে কোন বিত্তশালী বা পদমর্যাদার অধিকারীকে তার ধন-সম্পদ বা পদমর্যাদা রক্ষা করতে পারে না।

আরও পড়ুন-প্রতিদিনের কাজগুলো যেভাবে সাদাকায়ে জারিয়া হবে

৩২.হে আল্লাহ! আমি আশ্রয় চাচ্ছি কৃপণতা থেকে এবং আশ্রয় চাচ্ছি কাপুরুষতা থেকে। আর আশ্রয় চাচ্ছি বার্ধক্যের চরম পর্যায় থেকে। দুনিয়ার ফিতনা-ফাসাদ ও কবরের আজাব হতে।

৩৩.হে আল্লাহ! আপনি আমাদের গোপন ব্যাপারগুলো আচ্ছাদিত করে রাখুন। ভয়-ভীতি থেকে আমাকে নিরাপত্তা দিন। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপদে রাখুন আমার সম্মুখের বিপদ হতে, পশ্চাতের বিপদ হতে, ডানের বিপদ হতে, বামের বিপদ হতে আর ঊর্ধ্ব দেশের গজব হতে।

৩৪.হে আল্লাহ! ঈমানকে আমাদের নিকট সুপ্রিয় করে দিন এবং তা আমাদের অন্তরে সুশোভিত করে দিন। কুফর, অবাধ্যতা ও পাপাচারকে আমাদের অন্তরে ঘৃণিত করে দিন আর আমাদেরকে হেদায়েত প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত করে নিন।

৩৫.হে আল্লাহ! আমাদেরকে মুসলমান হিসেবে মৃত্যু দিবেন। আমাদের মুসলমান হিসেবে বাঁচিয়ে রাখবেন। লাঞ্ছিত ও বিপর্যস্ত না করে আমাদেরকে সৎকর্মশীলদের সাথে সম্পৃক্ত করে দিন।

৩৬.হে আল্লাহ! আপনারই রহমতের আকাঙ্ক্ষী আমি। সুতরাং এক পলের জন্যও আমাকে আমার নিজের আমার নিজের উপর ছেড়ে দিবেন না।আপনি আমার সমস্ত বিষয় সুন্দর করে দিন। আপনি ভিন্ন আমার কোন মা‘বুদ নেই, সাহায্যকারী নেই এবং কোন পৃষ্ঠপোষকও নেই।

৩৭. হে আমাদের রব, আপনি হিদায়াত দেয়ার পর আমাদের অন্তরসমূহ বক্র করবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন। নিশ্চয় আপনি মহাদাতা।

৩৮.হে আমাদের রব, নিশ্চয় আপনি মানুষকে সমবেত করবেন এমন একদিন, যাতে কোন সন্দেহ নেই। নিশ্চয় আল্লাহ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না।সেদিন আমাদের হিসাব সহজ করে দিন,ডানহাতে আমলনামা দিন এবং আমাদের জন্য জান্নাতের ফয়সালা দিন।

৩৯.হে আমাদের রব! নিশ্চয় আপনি যাকে আগুনে প্রবেশ করাবে, অবশ্যই তাকে অপমান করবেন। আর যালিমদের জন্য কোন সাহায্যকারী নেই’।

৪০.হে আমাদের রব! আমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করুন এবং বিদূরিত করুন আমাদের ত্রুটি-বিচ্যুতি, আর আমাদেরকে মৃত্যু দিন নেককারদের সাথে’।

হে আল্লাহ ! আপনিই একমাত্র মানুষের দোয়া প্রার্থনা শ্রবনকারী।আপনি ব্যতীত কেউ আমাদের মালিক,মা’বুদ নেই যার কাছে আমরা আমাদের আকুতি জানাতে পারি। হে আমাদের রব ! আমাদের দোয়াসমূহ কবুল করুন এবং আমাদের প্রতি আপনার করুণা ও নিয়ামত বিস্তৃত করুন। আমিন! সুম্মা আমিন।

লেখকঃ কলাম লেখক এবং সাবেক এডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি

…………………………………………………………………………………………………………………………

মহীয়সীর প্রিয় পাঠক ! সামাজিক পারিবারিক নানা বিষয়ে লেখা আর্টিকেল ,আত্মউন্নয়নমূলক অসাধারণ লেখা, গল্প  ও কবিতা  পড়তে মহীয়সীর ফেসবুক পেজ মহীয়সী / Mohioshi  তে লাইক দিয়ে মহীয়সীর সাথে সংযুক্ত থাকুন। আর হা মহীয়সীর সম্মানিত প্রিয় লেখক! আপনি আপনার পছন্দের লেখা পাঠাতে পারেন আমাদের ই-মেইলে-  [email protected]  ও  [email protected] ; মনে রাখবেন,”জ্ঞানীর কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়েও উত্তম ।” মহীয়সীর লেখক ও পাঠকদের মেলবন্ধনের জন্য রয়েছে  আমাদের ফেসবুক গ্রুপ মহীয়সী লেখক ও পাঠক ফোরাম ; আজই আপনিও যুক্ত হয়ে যান এই গ্রুপে ।  আসুন  ইসলামী মূূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রজন্ম গঠনের মাধ্যমে সুস্থ,সুন্দর পরিবার ও সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখি । আল্লাহ বলেছেন, “তোমরা সৎ কাজে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে চলো ।” (সূরা বাকারা-১৪৮) । আসুন আমরা বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার মাধ্যমে সমাজে অবদান রাখতে সচেষ্ট হই । আল্লাহ আমাদের সমস্ত নেক আমল কবুল করুন, আমিন ।

ফেসবুকে লেখক জামান শামস

আরও পড়ুন