Ads

হজ্জ জীবনে একবার কিন্ত প্রভাব সারা জীবনের।। ৩য় পর্ব

।। জামান শামস ।।

হজ্জের জাহেলি রসম রেওয়াজে যেসব সংস্কার আনা হলো সে সম্পর্কে কুরআন বলছে-

১। সর্ব প্রথম কাবা ঘরের মুর্তিগুলো ভেঙ্গে ফেলা হল। আল্লাহ ছাড়া গায়রুল্লাহর যে পুজা সেখানে হতো সব বন্ধ করে দেয়া হলো। মেলা বসায়ে উৎসব হাসি তামাশার যে ব্যাপকতা ছিলো তাও নিষেধ করা হলো। এর ফলে আল্লাহর শেখানো ইবাদাত বন্দেগী অর্থাৎ নামাজ, তাসবিহ, জিকির এর মাধ্যমে তাওয়াফ ছায়ী, উকুফ ও কোরবানী নির্দিষ্ট করা হলো।

لَیۡسَ عَلَیۡکُمۡ جُنَاحٌ اَنۡ تَبۡتَغُوۡا فَضۡلًا مِّنۡ رَّبِّکُمۡ ؕ فَاِذَاۤ اَفَضۡتُمۡ مِّنۡ عَرَفٰتٍ فَاذۡکُرُوا اللّٰهَ عِنۡدَ الۡمَشۡعَرِ الۡحَرَامِ ۪ وَ اذۡکُرُوۡهُ کَمَا هَدٰىکُمۡ ۚ وَ اِنۡ کُنۡتُمۡ مِّنۡ قَبۡلِهٖ لَمِنَ الضَّآلِّیۡنَ

তোমাদের উপর কোন পাপ নেই যে, তোমরা তোমাদের রবের পক্ষ থেকে অনুগ্রহ অনুসন্ধান করবে। সুতরাং যখন তোমরা আরাফা থেকে বের হয়ে আসবে, তখন মাশআরে হারামের নিকট আল্লাহকে স্মরণ কর এবং তাকে স্মরণ কর যেভাবে তিনি তোমাদেরকে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। যদিও তোমরা এর পূর্বে অবশ্যই পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত ছিলে।(সূরা বাকারা ১৯৮)

২। সকল অন্যায় ও বাজে কর্মতৎপরতা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হলো-হজ্বের সময় যৌনাচার, অশ্লীলতা, অন্যায় আচরণ খোদাদ্রোহীতা, যুদ্ধ বিবাদ ঝগড়া ফাসাদ করা যাবে না। হজযাত্রীরা যখন বাড়ি থেকে বেরোয়, তখনই তাদের পার্থিব সব দূষণ, যৌনতা, অশ্লীল কথাবার্তা ও কাজকর্ম থেকে বিরত থাকার আদেশ দেওয়া হয়।

اَلۡحَجُّ اَشۡهُرٌ مَّعۡلُوۡمٰتٌ ۚ فَمَنۡ فَرَضَ فِیۡهِنَّ الۡحَجَّ فَلَا رَفَثَ وَ لَا فُسُوۡقَ ۙ وَ لَا جِدَالَ فِی الۡحَجِّ ؕ وَ مَا تَفۡعَلُوۡا مِنۡ خَیۡرٍ یَّعۡلَمۡهُ اللّٰهُ ؕؔ وَ تَزَوَّدُوۡا فَاِنَّ خَیۡرَ الزَّادِ التَّقۡوٰی ۫ وَ اتَّقُوۡنِ یٰۤاُولِی الۡاَلۡبَابِ

হজের সময় নির্দিষ্ট মাসসমূহ। অতএব এই মাসসমূহে যে নিজের উপর হজ আরোপ করে নিল, তার জন্য হজে অশ্লীল ও পাপ কাজ এবং ঝগড়া-বিবাদ বৈধ নয়। আর তোমরা ভাল কাজের যা কর, আল্লাহ তা জানেন এবং পাথেয় গ্রহণ কর। নিশ্চয় উত্তম পাথেয় তাকওয়া। আর হে বিবেক সম্পন্নগণ, তোমরা আমাকে ভয় কর।(সূরা বাকারা ১৯৭)

৩। কুরবাণীর পশুর রক্ত কাবার দেয়ালে লেপে দেয়া এবং গোশত কাবার দরজায় ফেলে রাখার কুপ্রথা বন্ধ করে দেয়া হলো-

لَنۡ یَّنَالَ اللّٰهَ لُحُوۡمُهَا وَ لَا دِمَآؤُهَا وَ لٰکِنۡ یَّنَالُهُ التَّقۡوٰی مِنۡکُمۡ ؕ کَذٰلِکَ سَخَّرَهَا لَکُمۡ لِتُکَبِّرُوا اللّٰهَ عَلٰی مَا هَدٰىکُمۡ ؕ وَ بَشِّرِ الۡمُحۡسِنِیۡنَ

আল্লাহর কাছে পৌঁছে না এগুলোর গোশ্ত ও রক্ত; বরং তাঁর কাছে পৌঁছে তোমাদের তাকওয়া। এভাবেই তিনি সে সবকে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন, যাতে তোমরা আল্লাহর তাকবীর পাঠ করতে পার, এজন্য যে, তিনি তোমাদেরকে হিদায়াত দান করেছেন; সুতরাং তুমি সৎকর্মশীলদেরকে সুসংবাদ দাও। (সূরা হজ্জ ৩৭)

৪। অনাবৃত ও উলংগ হয়ে কাবার চারপাশে তাওয়াফ করা নিষেধ করা হলো-উলঙ্গ হয়ে তাওয়াফ করাকে সওয়াব মনে করা হতো। তারা বলত, ‘আমাদের মায়েরা যেভাবে আমাদের জন্ম দিয়েছে, সেভাবেই আমরা আল্লাহর সামনে হাজির হব।’ ইসলামের আগমনে এসব অসভ্যতা বন্ধ হয়ে যায়। উলঙ্গ হয়ে তাওয়াফ করা নিষিদ্ধ করা হয়।

قُلۡ اِنَّمَا حَرَّمَ رَبِّیَ الۡفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنۡهَا وَ مَا بَطَنَ وَ الۡاِثۡمَ وَ الۡبَغۡیَ بِغَیۡرِ الۡحَقِّ وَ اَنۡ تُشۡرِکُوۡا بِاللّٰهِ مَا لَمۡ یُنَزِّلۡ بِهٖ سُلۡطٰنًا وَّ اَنۡ تَقُوۡلُوۡا عَلَی اللّٰهِ مَا لَا تَعۡلَمُوۡنَ

বল,‘আমার রব তো হারাম করেছেন অশ্লীল কাজ- যা প্রকাশ পায় এবং যা গোপন থাকে, আর পাপ ও অন্যায়ভাবে সীমালঙ্ঘন এবং আল্লাহর সাথে তোমাদের শরীক করা, যে ব্যাপারে আল্লাহ কোন প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি এবং আল্লাহর উপরে এমন কিছু বলা যা তোমরা জান না’।(সূরা আরাফ ৩৩)

আরও পড়ুন-হজ্জ জীবনে একবার কিন্ত প্রভাব সারা জীবনের।। ১ম পর্ব

৫। পথের সামান সঙ্গে না নিয়ে খালি হাতে হজ্বের লম্বা সফরে বের হওয়া কোন বুজুর্গির আলামত নয়। তাই এরূপ করতে নিষেধ করে দেয়া হল।

وَ تَزَوَّدُوۡا فَاِنَّ خَیۡرَ الزَّادِ التَّقۡوٰی ۫ وَ اتَّقُوۡنِ یٰۤاُولِی الۡاَلۡبَابِ

আর তোমরা তোমাদের সাথে পাথেয় নিয়ে নাও। বস্ত্ততঃ উৎকৃষ্ট পাথেয় হচ্ছে তাকওয়া বা আত্মসংযম। সুতরাং হে জ্ঞানবানগণ! আমাকে ভয় কর। হজ্ব গমনকালে অবশ্যই পথের সম্বল সাথে নেবে। তাকওয়ার সম্বল হচ্ছে সবচে উত্তম সম্বল।(সূরা বাকারা ১৯৭)

এ আয়াতে ঐ সমস্ত ব্যক্তির সংশোধনী পেশ করা হয়েছে যারা হজ ও উমরাহ করার জন্য নিঃস্ব অবস্থায় বেরিয়ে পড়ে। অথচ দাবী করে যে, আমরা আল্লাহর উপর ভরসা করছি। পক্ষান্তরে পথে ভিক্ষাবৃত্তিতে লিপ্ত হয়। নিজেও কষ্ট করে এবং অন্যকেও পেরেশান করে। তাদেরই উদ্দেশ্যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে, হজের উদ্দেশ্যে সফর করার আগে প্রয়োজনীয় পাথেয় সাথে নেয়া বাঞ্ছনীয়, এটা তাওয়াক্কুলের অন্তরায় নয়।

৬। অভিজাত শ্রেণীর লোকেরা আরাফার ময়দানে সাধারণ লোকদের সাথে অবস্থান করতনা, অহমিকাবশতঃ মুযদালিফায় একটা স্বতন্ত্র উপত্যকা নির্দিষ্ট করে রেখেছিল আল্লাহ পাক এরূপ অহংকারও চূর্ণ করতে দ্বিধা করেননি। এর পরিবর্তে নির্দেশ দেওয়া হল সকলের সাথে আরাফাতে অবস্থান করতে-

فَاِذَاۤ اَفَضۡتُمۡ مِّنۡ عَرَفٰتٍ فَاذۡکُرُوا اللّٰهَ عِنۡدَ الۡمَشۡعَرِ الۡحَرَامِ ۪ وَ اذۡکُرُوۡهُ کَمَا هَدٰىکُمۡ ۚ وَ اِنۡ کُنۡتُمۡ مِّنۡ قَبۡلِهٖ لَمِنَ الضَّآلِّیۡنَ ﴿۱۹۸﴾ ثُمَّ اَفِیۡضُوۡا مِنۡ حَیۡثُ اَفَاضَ النَّاسُ وَ اسۡتَغۡفِرُوا اللّٰهَ ؕ اِنَّ اللّٰهَ غَفُوۡرٌ رَّحِیۡمٌ

সুতরাং যখন তোমরা আরাফা থেকে বের হয়ে আসবে, তখন মাশআরে হারামের নিকট আল্লাহকে স্মরণ কর এবং তাকে স্মরণ কর যেভাবে তিনি তোমাদেরকে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। যদিও তোমরা এর পূর্বে অবশ্যই পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত ছিলে। অন্যান্য সকল লোকেরা যেখান থেকে ফেরে তোমরাও সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন কর।( সূরা বাকারা ১৯৮-১৯৯)

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, কুরাইশ ও তাদের মতানুসারীরা মুযদালিফায় অবস্থান করত এবং নিজেদেরকে ‘হুমুস’ নামে অভিহিত করতো। আর বাকী সব আরবরা আরাফায় অবস্থান করতো। অতঃপর যখন ইসলাম আসলো তখন আল্লাহ তাঁর নবীকে আরাফাতে যেতে, সেখানে অবস্থান করতে এবং সেখান থেকেই প্রস্থান করতে নির্দেশ দান করেন। এ জন্যই এ আয়াতে মানুষের সাথে ফিরে আসার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। [বুখারী ৪৫২০, মুসলিম: ১২১৯]

৭। হজ্বের সময় ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ করে দেয়া এমনকি হজ্জের উদ্দেশ্যে বের হলে রুজি রোজগারের জন্য কিছু বেচাকেনা থেকে বিরত থাকা এবং একেবারে কপর্দকহীন মুসাফির বনে যাওয়া বড় ছওয়াবের কাজ মনে করা হত। আল্লাহ পাক এ ভুল ধারনারও অপনোদন করলেন-

لَیۡسَ عَلَیۡکُمۡ جُنَاحٌ اَنۡ تَبۡتَغُوۡا فَضۡلًا مِّنۡ رَّبِّکُمۡ

হজ্ব গমনকালে ব্যবসা করে আল্লাহর অনুগ্রহ স্বরূপ কিছু কামাই রোজগার করলে তাতে কোন অপরাধ নেই।(সূরা বাকারা ১৯৮)

বিভিন্ন বর্ণনায় এসেছে, জাহেলিয়াতের যুগে ওকায, মাজান্নাহ ও যুল মাজায নামে তিনটি বাজার ছিল। ইসলাম গ্রহণের পর হজের সময় সাহাবীরা সেই বাজারগুলোতে ব্যবসা করা গুনাহ বলে মনে করতে থাকলে আল্লাহ তা’আলা উক্ত আয়াত নাযিল করেন। অর্থাৎ হজের মৌসুমে সেসব স্থানগুলোতে ব্যবসা করা কোনো দোষের কাজ নয়। [বুখারী: ১৭৭০, ২০৯৮]

আরও পড়ুন-হজ্জ জীবনে একবার কিন্ত প্রভাব সারা জীবনের।। ২য় পর্ব

৮। জাহেলিয়াতের যুগে হজ্জ সমাপনান্তে মিনার ময়দানে একত্র হয়ে কবিতা, লোক-গাথা ইত্যাদির মাধ্যমে পূর্ব পূরুষদের শৌর্য-বীর্য বর্ণনার প্রথা ছিল সেটা বাতিল করে তার পরিবর্তে নিষ্ঠা ও একগ্রতার সাথে আল্লাহকে স্মরণ করতে বলা হয়েছে।

فَاِذَا قَضَیۡتُمۡ مَّنَاسِکَکُمۡ فَاذۡکُرُوا اللّٰهَ کَذِکۡرِکُمۡ اٰبَآءَکُمۡ اَوۡ اَشَدَّ ذِکۡرًا

তোমরা যখন হজ্জে অনুষ্ঠানাদি সমাপ্ত করবে তখন আল্লাহকে এমন ভাবে সুরণ করবে যেমন তোমরা তোমাদের পিতৃ পুরুষদের স্মরণ করতে এবং তার চেয়ে আরো একনিষ্ঠ ভাবে।(সূরা বাকারা ২০০)

৯। হজ্জ থেকে ফিরে এসে লোকেরা ঘরের সম্মুখভাগ দিয়ে প্রবেশ না করে পশ্চাৎ দিকের দরজা ব্যবহার করত। তাদের ধারনা ছিল সম্মুখ দিক দিয়ে প্রবেশ করলে হজ্ব নষ্ট হয়ে যাবে। আল্লাহ পাক এরূপ অমুলক রেওয়াজও খতম করে দিলেন।

یَسۡـَٔلُوۡنَکَ عَنِ الۡاَهِلَّۃِ ؕ قُلۡ هِیَ مَوَاقِیۡتُ لِلنَّاسِ وَ الۡحَجِّ ؕ وَ لَیۡسَ الۡبِرُّ بِاَنۡ تَاۡتُوا الۡبُیُوۡتَ مِنۡ ظُهُوۡرِهَا وَ لٰکِنَّ الۡبِرَّ مَنِ اتَّقٰیۚ وَ اۡتُوا الۡبُیُوۡتَ مِنۡ اَبۡوَابِهَا ۪ وَ اتَّقُوا اللّٰهَ لَعَلَّکُمۡ تُفۡلِحُوۡنَ

তারা তোমাকে নতুন চাঁদসমূহ সম্পর্কে প্রশ্ন করে। বল, ‘তা মানুষের ও হজ্জের জন্য সময় নির্ধারক’। আর ভালো কাজ এটা নয় যে, তোমরা পেছন দিক দিয়ে গৃহে প্রবেশ করবে। কিন্তু ভাল কাজ হল, যে তাকওয়া অবলম্বন করে। আর তোমরা গৃহসমূহে তার দরজা দিয়ে প্রবেশ কর এবং আল্লাহকে ভয় কর, যাতে তোমরা সফল হও।(সূরা বাকারা ১৮৯)

এভাবে জাহেলিয়াতের সকল প্রকার কুসংস্কার একে একে উৎখাত করে হজ্বকে খাঁটি ইবাদাত হিসাবে পুনরায় ইব্রাহীমের (আঃ) প্রচলিত পবিত্রতা, ভাব গাম্ভীর্যতা ও মর্যাদায় ফিরিয়ে আনা হলো। মনগড়া সব চিন্তা ধারনা চিরতরে বন্ধ করে দেয়া হলো। এমনকি এখন আর হজ্ব ব্যক্তিগত ইচ্ছা অনিচ্ছার উপরও ছেড়ে দেয়া হয়নি।

যেসব মুসলমানের কাবা পর্যন্ত যাতায়াতের আর্থিক সঙ্গতি আছে, বাড়ীতে সফরকালীন অনুপস্থিতির সময়ে পরিবারের ভরণ পোষন মজুদ আছে, শারীরিকভাবেও যারা অসুস্থ বা দুর্বল নয় তাদের জীবনে অন্তত একবার হজ্ব করা ফরজ ঘোষনা হয়েছে। চাকরী ব্যবসা ছেলে মেয়ের বিয়েশাদী যত ঝামেলাই থাকুক না কেন হজ্বকে কোন ভাবেই পিছানো উচিৎ নয়। হতে পারে এ কারণে হজ্বের পূর্বেই মৃত্যু এসে হাজির হবে আর এ মহাসুযোগ হাতছাড়া হয়ে যাবে। আবার অর্থকড়ি আছে বলে বারবার হজ্ব করাকে একটা ফ্যাশনে পরিণত করাও সংগত নয়।

আল্লামা ইউসুফ আল কারযাভীর মতে এক্ষেত্রে অগ্রাধিকারের মাছাআলা হলো ফরজ হজ্ব আদায় হওয়ার পর অর্থসম্পদ বেশী হলে জনকল্যাণে, দরিদ্রতা দূরীকরণে ব্যয় করা অধিকতর ছওয়াবের কাজ। আল্লাহ উত্তম জানেন।

চলবে…

লেখকঃ কলাম লেখক এবং সাবেক এডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি

…………………………………………………………………………………………………………………………

মহীয়সীর প্রিয় পাঠক ! সামাজিক পারিবারিক নানা বিষয়ে লেখা আর্টিকেল ,আত্মউন্নয়নমূলক অসাধারণ লেখা, গল্প  ও কবিতা  পড়তে মহীয়সীর ফেসবুক পেজ মহীয়সী / Mohioshi  তে লাইক দিয়ে মহীয়সীর সাথে সংযুক্ত থাকুন। আর হা মহীয়সীর সম্মানিত প্রিয় লেখক! আপনি আপনার পছন্দের লেখা পাঠাতে পারেন আমাদের ই-মেইলে-  [email protected]  ও  [email protected] ; মনে রাখবেন,”জ্ঞানীর কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়েও উত্তম ।” মহীয়সীর লেখক ও পাঠকদের মেলবন্ধনের জন্য রয়েছে  আমাদের ফেসবুক গ্রুপ মহীয়সী লেখক ও পাঠক ফোরাম ; আজই আপনিও যুক্ত হয়ে যান এই গ্রুপে ।  আসুন  ইসলামী মূূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রজন্ম গঠনের মাধ্যমে সুস্থ,সুন্দর পরিবার ও সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখি । আল্লাহ বলেছেন, “তোমরা সৎ কাজে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে চলো ।” (সূরা বাকারা-১৪৮) । আসুন আমরা বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার মাধ্যমে সমাজে অবদান রাখতে সচেষ্ট হই । আল্লাহ আমাদের সমস্ত নেক আমল কবুল করুন, আমিন ।

ফেসবুকে লেখক জামান শামস

আরও পড়ুন