কৃষ্ণচূড়া

মাহমুদা লাভলী

বহু যুগ আগে দেখেছিলাম শকুনের দল কেমন করে চলে।
দেখেছিলাম সেদিন বাড়ির পাশে তালগাছে বসে আছে
অনেকগুলো শকুন।
তারপর বারুদের শব্দে লাশের গন্ধে  খুঁজে খাদ্য।
ভরপেটে ওরা উড়তে না পেরে
তালগাছের নিচে বসে ঝিমোয়।

সেইসব শকুন আজ দেখি না।
ওগুলো ছিল পক্ষীকুল।
আজ চোখ মেললেই দেখি শকুন নামের মানুষের দল কেমন করে চলে।
কৃষ্ণচূড়া বলতে পারো,
কেন এ অবস্থানে গেলে ফেলে আমায়?
কতগুলো শকুনের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করবো।
অপেক্ষার পালা শেষ হবে কবে?

প্রথমে সহানুভূতি তারপর খোঁজে লাশের গন্ধ —-খাদ্য।
আনন্দে আত্মহারা হয়ে খুবলে খেতে চায় তারা।

তবে কি চাও তুমি ?
তুমিই বলো —
শুকুনের খাদ্যে হোক আমার সমাপ্তি।
না আকাশের শুকতারা হয়ে যাবো!!!
রাধাচূড়া।।

লেখকঃ কবি ও সাহিত্যিক এবং চট্টগ্রাম বিসিএসআইআর ল্যাব এর সাবেক পরিচালক।

আরও পড়ুন

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.