আমার একুশ

জাকারীয়া আব্দুল্লাহ্

‘একুশ’ আমার মায়ের কন্ঠ
ঘুমপাড়ানির যন্ত্র,
একুশ আমার বাবার দেওয়া
উপদেশের সহস্র মন্ত্র।

একুশ আমার দাদুর রাজ্য
রূপকথায় যা আঁকা,
একুশ আমার গুরুর শাস্তি
কান ধরিয়ে রাখা।

একুশ আমার রক্তে রক্তিম
রাজপথের উজ্জ্বল রং,
একুশ সমগ্র শোষণ নিপিড়নের
ক্রোধে ফুলানো টং।

একুশ সমস্ত শান্ত ছেলের
প্রতিবাদের প্রথম অনল,
একুশ আমার প্রথম পাওয়া
কষ্টার্জিত দুর্লভ কমল।

একুশ নামের আন্দোলনটি
বাঙ্গালীর অস্তিত্ব রক্ষার,
একুশ নামের শব্দটি
প্রতিবাদের ভয়ঙ্কর হুঙ্কার।

একুশ নামের অঙ্কটা যে
গাঢ় রক্ত বর্ণে লেখা,
একুশ নামের তারিখটা
স্বাধীনতার সুপ্ত রেখা।

একুশ আমার রক্তে মেশা
চেতনার বজ্রধ্বনি,
“একুশ”, “একুশ” তোর কাছে
আমি ভীষণ ঋণী।

আরও পড়ুন