ইতালিতে নিরীহ বাংলাদেশিদের বিপদে ফেলার দায় কার?

আন্তর্জাতিক সংবাদঃ
ইতালিতে মৌসুমি দালালের খপ্পরে পড়ে এবং কমিউনিটির কতিপয় অসাধু লোকদের দেয়া আইনের ভূয়া ব্যাখ্যায় বিভ্রান্ত হয়ে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি তাদের একাধিক নাম ও ভিন্ন জন্মতারিখ সংক্রান্ত পাসপোর্টের পুরনো জটিলতার সমাধান না করেই বিভিন্ন শহরে কন্ট্রাক্টের কাজ ছেড়ে দিয়ে অফিসিয়ালি বেকার হচ্ছেন কিংবা অন্য মালিকের সাথে বেহুদাই চুক্তিবদ্ধ হচ্ছেন। যারা এমনটা করছেন তাদের অধিকাংশই ১৭৬ বা ৫০০ ইউরো কোন ক্যাটাগরিতেই  শর্তপূরণ করতে না পারায় নতুন বিপদে পড়তে যাচ্ছেন।

২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবরের আগে কৃষিকাজ, গবাদিপশু কিংবা মৎসখামার, বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের সেবাযত্ন কিংবা গৃহকর্মীর কাজ করেননি এমন অনেকেই ৬ মাসের স্টে পারমিট (সোজ্জর্নো) পেতে পোস্ট অফিসে ১৭৬ ইউরো অপচয় করে বসে আছেন ইতোমধ্যে। দায়িত্ব সচেতন বহু পোস্ট অফিস এ ধরনের আবেদন জমা না নিলেও কোথাও কোথাও জমা হয়েছে অপারেটরের অসাবধানতায়। পুলিশ অফিসে (কস্তুরা) ফিংগার প্রিন্টের পর যাচাই-বাছাইয়ে খারিজ হয়ে যাবে শর্ত পূরণ না করা এসব আবেদন।

উপরোক্ত সুনির্দিষ্ট সেক্টরের কাজের মালিক ধরে অনেকেই এককালীন ৫০০ ইউরো এবং মাসে মাসে সরকারি ট্যাক্স এই ক্যাটাগরিতে আবেদন অনলাইনে জমা করাচ্ছেন। আবেদনকারীদের অধিকাংশই বিগত বছরগুলোতে এদেশে রাজনৈতিক/মানবিক আশ্রয় প্রার্থনা করার সময় যে নাম জন্মতারিখ ব্যবহার করে ফিংগার প্রিন্ট দিয়েছিলেন তার বাইরে গিয়ে এবার নতুন নাম কিংবা ভিন্ন জন্মতারিখ দিচ্ছেন। পুলিশ অফিসের (কস্তুরা) কমপিউটারে একই ব্যক্তির দুই রকমের নাম জন্মতারিখ ধরা পড়ার পরই শুরু হবে হতভাগ্য বাংলাদেশিদের ভোগান্তির নতুন অধ্যায়।

রিপোর্টারঃ মঈনুল ইসলাম নাসিম।

ইতালী প্রবাসী ফ্রিল্যান্সার সাংবাদিক ও অভিবাসন পরামর্শক।

আরও পড়ুন