এলাচ

 

একখানা চিঠি এলো আমার ঠিকানায়, খুলতেই দেখি বিদেশ যাত্রার একটি আমন্ত্রণ পত্র। ইন্দোনেশিয়া যেতে হবে আমার গল্প চূড়ার সেই দারুচিনি দ্বীপের দেশ। মনটা ভরে উঠল এলাচ ফুলের গন্ধে। অপেক্ষা করতে থাকলাম, ১০ ডিসেম্বর টিকিট মিলল।
তারিখ টা মনে ধরেনি,কারন ঐ দিন আমার জন্ম তারিখ। মসলার দেশ আগ্রহ বেশি থাকায় খুশিতে আত্ম হারা।
ওয়ামি সকল ব্যবস্থাপনা করেছিল তাই কোন কিছুতে আমার বেগ পেতে হয়নি।
সকাল ১১ টায় বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্স এর একটি বিশেষ বিমানে আমাদের দেশের ৫০ জন গুণীজন এ ভ্রমনে ছিলাম।
দুই দফায় ৫০+৫০=১০০ মার্কস এর পরীক্ষাও দিতে হয়েছিল আমাদের। কিভাবে যেন এ ছেঁড়া ফাটা কপালের লোকটাকে বাছাই করেছিল।১০ দিনের ভ্রমন।
বিমানে বেল্ট পরার পর উড়াল দিল দশ দিগন্ত পাড়ি দিয়ে আমার জন্ম ভূমির পূর্ব দিকে। প্রথমে আমার দু চোখ প্রসারিত সবুজ অবলোকন করল, এর পর আকাশের রঙ বদলাতে শুরু করল।
বাহারি ডিজাইনের মেঘের খেলায় মন ভরে গেল, মনে হল আমার ক্ষুদ্র এ জীবন স্বার্থক। অপূর্ব রূপে ঢাকা মেঘ মালা যেন মহান সৃষ্টিকর্তার শুকরিয়া করছে। যখন মেঘের স্তর ভারী আর ঘন থাকে তখন অদ্ভুত শব্দ আর শরীরে আন্দোলন শুরু হয়। এ যেন হাইওয়েতে খারাপ রাস্তায় বাস যাত্রা।
এভাবেই এগিয়ে যেতে থাকল আমার প্রত্যাশিত যাত্রা।

সাদা মেঘের ভেলায় ভাসতে ভাসতে একটি বই পড়লাম। বইয়ের নাম মসলা যুদ্ধ। মসলা যুদ্ধ লিখেছেন সত্যেন সেন যিনি একাধারে সাহিত্যিক, গবেষক, রাজনীতিবিদ আর ইতিহাসবেত্তা।
আমার পাশের আসন ছিল বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের সাবেক প্রধান বিচার পতি আব্দুর রউফ, উনি প্রধান নির্বাচন কমিশনারও ছিলেন।
স্যারের সাথে কথা হচ্ছিল মসলা যুদ্ধ নিয়ে।
পর্তুগাল তখন বিশ্ব বানিজ্যে টগবগে তরুণ। সামরিক সেক্টর অতি চৌকস আর বিদ্যা লালনে অনেকটা এগিয়ে।
পূর্ব ভারতের সীমান্ত ঘেঁষা ইন্দোনেশিয়া তখন মসলা চাষে বিশ্ব নজর কেড়েছিল। ইন্দোনেশিয়া দ্বীপ পুঞ্জে ললুপ দৃষ্টি পড়েছিল ভ্যাস্কো দ্যা পূর্ব ভারতের সীমান্ত ঘেঁষা ইন্দোনেশিয়া তখন মসলা চাষে বিশ্ব নজর কেড়েছিল। ইন্দোনেশিয়া দ্বীপ পুঞ্জে ললুপ দৃষ্টি পড়েছিল ভ্যাস্কো দ্যা গামার।
পরিকল্পনা করলেন কিভাবে এ অঞ্চলের মসলা পন্য হস্তগত করা যায়।
সীমান্ত নৌ বন্দরে ফ্যান্সের এক ক্যাপ্টেন ছিল, গামার পরিকল্পনার কথা স্বদেশে পৌঁছে দিলেন। যাতে মসলা লুট থেকে ইন্দোনেশিয়া রক্ষা পাই।
সোরগোল পড়েছিল মসলা চাষীদের মাঝে।
একসময় ভাস্কো দ্যা গামা আক্রমন করে ইন্দোনেশিয়া। মসলা চাষীরা গোলমরিচ, দারুচিনি, এলাচ…… রক্ষায় এগিয়ে এলো। প্রতিপক্ষকে আক্রমন করল মরিচ গুড়া আর লাঠি দিয়ে।
ভাস্কো দ্যা গামা পলায়ন করল।
পর্তুগালে ফিরে রাজা ডোনের সাথে আলোচনা করল সে। এবার পর্তুগালে নৌ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হলো। ৭ বছর পর সমরাস্ত্র সহ বিশাল নৌবাহিনী অংশ নিল মসলা যুদ্ধে। কি করুন দশা বিশ্বাস করতেও কষ্ট হয়, এবার মসলা হস্তগত করতে সক্ষম হলো ইংল্যান্ডের মদদে পর্তুগাল( ভাস্কো দ্যা গামা)।
কত সম্পদ লুট করেছিল তা অনুমান করা যায় কারন রাজা ডোনকে ২০ হাজার স্বর্নমুদ্রা উপঢৌকন দেয়া হয়েছিল।
বই আলোচনা আর গল্পের মধ্য দিয়ে পৌঁছে গেলাম জার্কাতা ইন্টান্যাশনাল এয়ারপোর্টে।
বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া, স্বপ্ন স্বার্থক হতে থাকল আস্তে আস্তে।

জাকার্তায় আলিলা ভিলাসে থাকার ব্যাবস্থা হলো আমাদের। ইন্দোনেশিয়ার প্রসিদ্ধ ১০ টি হোস্টেলের একটি এটি।
ভিতরের ম্যানেজমেন্ট দৃষ্টি আকর্ষণ করল সবার।
জাকার্তা বিশ্বের বড় শহরগুলোর একটি। শহর ঘনবসতিপূর্ণ আর এর আয়তন ৬৬১ কি. মি।
পৃথিবীর দ্বীপের দেশ নামে খ্যাত ইন্দোনেশিয়া। এদেশে ৩১৮১ টি দ্বীপ রয়েছে। দৃষ্টি নন্দিত স্পর্ট হলো- বাটাম, আইল্যান্ড বাতাম, বালি শহর উল্লেখ যোগ্য।
বিকেল থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত আমাদের ৫ জনের গ্রুপ ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা শহর ঘুরে দেখলাম।
যদিও ৬ ঘন্টার এ ঘুরাঘুরি বৃহত্তর এ শহরের ২৫% দর্শন করতে পারলাম কি না তা বোধগম্য নয়।
অবাক শহর আর দেশের সার্বিক পরিবেশ সংক্ষেপে প্রকাশ করা দুরহ ব্যাপার। সোমবার খুব সকালে শয্যা ত্যাগ করে সৃষ্টিকর্তার কাছে কিছু আর্জি পেশ করে অনলাইনে ইন্দোনেশিয়া সম্পর্কে কিছু জানতে চেষ্টা করলাম, নিয়াজ ভাই বললেন, আজ গিরগিটি সফর হবে। উনি আজকের গ্রুপ লিডার। ৫ সদস্য বিশিষ্ট গ্রুপ আজ আব্দুর রউফ স্যার আমাদের সাথে নেই। নিয়াজ সাহেব বর্তমান কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।
কেরিঞ্চি সেলবাত ন্যাশনাল পার্ক। ক্যান্টিনে নাস্তা শেষ হল সকাল ৯ টায়। পরোটা এখানে খুব মোটা মনে হলো সাথে ডিম, ২/১ জনে সুপ বা জুস নিল।
যাই হোক, সকাল ১০ টায় পার্ক গেটে পৌঁছে গেলাম। দুই দিক থেকে আশ্চর্য হলাম। ১. এত সুন্দর কারুকাজ পরিচ্ছন্ন আর পরিপাটি পার্কে এর আগে কোথাও দেখেছি বলে মনে পড়েনা।ভারি চমৎকার! মনটা অদৃশ্য প্রশান্তিতে ভরে উঠল।
২. প্রবেশ পথের টিকিট বাবদ দিতে হলো গাইডার সহ ৬×৫০০= ৩০০০ রুপিয়া যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ৩৫০ টাকা। আগেই জানতাম ইন্দোনেশিয়ায় মুদ্রার মান অনেক কম। নিজ চোখে দেখা হলো বস্তা ভর্তি রুপিয়া নিয়ে বাজারে যেতে হয় তাদের। পার্কের মনমুগ্ধকর পরিবেশ সত্যি আজও চোখে ভেসে বেড়ায়।
বেশ কিছু পাখি চোখে পড়ল, এ পার্কে ৩১০ প্রজাতির পাখি দেখা যায়।
বন্যপ্রাণী দেখা হলো অনেক হাতি,ঘোড়া, বাঘ, গন্ডার, জলহস্তী, কুমির হরিণ, জিরাফ, জেব্রা, সিংহ।
এবার মজার একটি জিনিস চোখে পড়ল কমোডো সরীসৃপ যার লোকাল নাম গিরগিটি।
এ গিরগিটি যেমন বিষাক্ত তেমনই বড়।
পরিসংখ্যানে দেয়া আছে এ গিরগিটির ওজন ৬৫ কিলোগ্রাম। মানে ৬৫ কেজির গিরগিটি রং পরিবর্তন দৃশ্যনীয়।
একজন শিক্ষিত ইন্দোনেশিয়ান বলছিল ” ইট স ওয়েট বি সেভেনটি কিলো” মানে এটি ৭০ কেজি পর্যন্ত ওজন হতে পারে। রঙবে রঙের পশুপাখি দেখে পুরো ৭ ঘন্টা পর বের হলাম পার্ক থেকে।

মঙ্গলবার দিনটা ছিল খুব প্রকৃতিঘন। জাকার্তা থেকে আন্ত ট্রেন যোগে বালির উদ্দেশ্য রওনা দিলাম ভোর ৬ টায়।প্রায় সাড়ে তিন ঘন্টা ট্রেন চলল,ভিতরে নাস্তা পাউরুটি আর জেলী। সাড়ে নয় বাজল বালিতে পৌছাতে। এত সুন্দর আর মায়ার চাদরে জড়ানো বালি দ্বীপপুঞ্জ স্মৃতির পাতায় তা আজও জ্বলজ্বল করে।
বালিকে স্বর্গীয় দ্বীপ বলা হয়।খাচকাটা গঠনে প্রকৃতির রাজ রানী হয়ে ঘিরে আছে বালি। এ অঞ্চলের এক পার্শে টোবা লেক, এ লেকের আয়তনে দীর্ঘ ৪৪২ বর্গকিলোমিটার।রূপে অনন্য এ স্থানে সূর্যদয় আর সূর্যাস্ত বিশ্ব প্রকৃতি প্রেমীদের আকৃষ্ট করে বারবার।
বালি দ্বীপপুঞ্জ ঘেঁষে আয়ুং নদী, এ নদীতে যে মাছ পাওয়া যায় তার পৃথিবীর ১/২ এর মধ্যে একটি।
আয়ুং নদীতে বিকেল ৪ টায় গোসল করলাম। সুমিষ্ট পানি স্বর্গীয় সুধার ন্যায় মনে হলো। কিছুতেই এ নদীর মততা ভুলবার নয়, কিছুতেই ফিরতে ইচ্ছে করছিলনা। সাথে রাকিব, ওয়াসিম, আকরাম, জুলফিকার আর গাইডার মেজবা।
মেজবা ইন্দোনেশিয়া পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স ফাইনাল বর্ষের ছাত্র। বালিতে বাসা থাকেন জাকার্তায়।
পাহাড়ি এ বন্ধু আমাদের আসক্ত করল এর চেয়ে ( বালির) ভাল কিছু দেখাবেন।
মনটা যেন নাচতে শুরু করল, ইন্দোনেশিয়ায় এর চেয়ে ভাল কিছু ওয়েট করছে এতো কল্পনা করা যায় না। সৃষ্টিকর্তা কত সুন্দর নিয়ামত আর বদ্যানতা দিয়ে এ ধরনী সৃজন করেছেন তার প্রতি হৃদয় নুয়ে পড়ছিল বারবার।
বিকেল সাড়ে চার টায় বালি থেকে লম্বক সমুদ্র সৈকত যাত্রা শুরু হলো, মাত্র ৩০ কিলোমিটারের পথ।
লম্বক সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের চেয়ে ছোট হলেও পরিবেশ আর শিল্পে জুড়ি নেই। বিভিন্ন বিনোদন স্পট পয়েন্ট করা রয়েছে। সমুদ্র সৈকত রূপালি আর গোধুলীর সোনালী সৌন্দর্যে নব রূপ ধারন করেছে। আজকের দিন জীবনের ডায়েরিতে চির অম্লান হয়ে থাকবে, স্বপ্ন বিলাসের সিঁড়ি থ্যাংকস গড! ইন্দোনেশিয়া সার্থক এ মুক্ত রবে সন্ধ্যায় লম্বক ছেড়ে আমাদের গাড়ি ছুটছে আলীলা ভিলাসে ।

কিছুটা মানষিক অবসাদ নিয়ে ঘুম ভাঙলো। সকালের নবীন সূর্য কিরন চিকচিকে ধার দারুচিনি আর এলাচ চা হয়তো এটিই আমার জীবনের প্রথম।
চা মনে ভাল করে দেয় যেমন ঢাকার তেজগাঁ শান্তা টাওয়ারে গতবছর চা পান করলাম ঐ যে কাতার বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এ – এক কাপ চা দাম নিয়েছিল চা মনে ভাল করে দেয় যেমন ঢাকার তেজগাঁ শান্তা টাওয়ারে গতবছর চা পান করলাম ঐ যে কাতার বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এ – এক কাপ চা দাম নিয়েছিল ৫৫ টাকা।
ভিলাসে চা মুখে দিতেই অদ্ভুত তৃপ্তি অনুভব করছি। সকালের সোনালী রোদ গায়ে নিতে আব্দুর রউফ স্যার তার জানালা টেনে চেয়ারে হেলান দেয়া দেখতে পেলাম, চায়ের কাপ হাতে দেখে হাসছিলেন।
সংগত কারনে আজ ১০ জনের গ্রুপ আর আজ স্যার কাছে থাকবেন জেনে ভালই লাগলো।
একটু লেট করে যাত্রা শুরু নতুন কোন ঠিকানায়।
প্রায় ১০ টা বাজে।
গাড়ি চলে এলো ১২ আসন বিশিষ্ট একটি কার।
মৃদু মৃদু বাতাসে অভ্যন্তরিন আলোচনার মধ্য দিয়ে বেরাস্তাগি পৌঁছে গেছে গাড়ি। শির শির কালো আর মাঝে মাঝে লাল দোরা দাগ মাটির।
ইন্দোনেশিয়ার আরেক রূপ চোখে পড়ল।
নিশ্চয়ই সবাই বুঝতে পারছেন, এটি একটি আগ্নেয়গিরি।
ইন্দোনেশিয়ার এ আগ্নেয়গিরি প্রায় ২ হাজার মানুষের প্রাণ নিয়েছিল। এখন নিরাপদ দুরত্ব মেপে লোকালয় গড়ে উঠেছে।
বেরাস্তাগি আগ্নেয়গিরি সত্যি দৃষ্টি নন্দন। বিধাতার সৃষ্টির আরেক রূপ। দুপুরের খাবার পাশের হোটেলে হলো চিকেন বিরানী।
২০ কিলোমিটার দুরে লোরেন্তজ দ্বীপ ঘেঁষে চিড়িয়াখানা।
এ চিড়িয়াখানাতে দেখা মিলল ১২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৬৩০ প্রজাতির পাখি। ৯৬৭৪ বর্গকিলোমিটার আয়তন এ চিড়িয়াখানার। প্রায় ৫ ঘন্টা সময় পার হলো লোরেন্তজে।
১ কি দূরের সেই দারুচিনি দ্বীপ। হাটা শুরু হলো চা বাগানের মত দৃশ্য অনেকটা।
এ দ্বীপেই রয়েছে দারুচিনি, গোলমরিচ, এলাচ, লবঙ্গ, তেজপাতা আর কত পাহাড়ি গন্ধময় মসলা।১১থেকে ১৪ শতকের সময় সারা পৃথিবীর অর্ধেক মসলা এখান থেকে উৎপন্ন হতো। এলাচের গন্ধ আর সৌন্দর্য স্মৃতির আয়না। বেশ ঘুরাঘুরি হলো মসলা দ্বীপে।
খুব কাছেই ইন্দোনেশিয়ার আইল্যান্ড বাতাম সমুদ্র বন্দর। পুরো বিকেল মসলায় ডুবে থাকার মত অবস্থা, প্রসারিত অবারিত মসলা ক্ষেত কত বড় সম্পদ তা উপলব্ধি করা যায়।
সন্ধ্যায় ফিরলাম পর্যটন স্পটের আরেক রাজকন্যা লাইট হাউজে।
লেঞ্চুয়াসের ১২ তলা বিশিষ্ট এ লাইট হাউজ ইন্দোনেশিয়ার অনন্য সৃষ্টি।
ভিআইপি তো বটেই কিন্তু ব্যবস্থাপনা দেখলে চোখ ছানাবড়া হয়ে যায়।
বিয়ের পর দেশ বিদেশের অসংখ্য যুগল হানিমুন করতে আসে এ লাইট হাউজে।
লাইট হাউজ ইন্দোনেশিয়ার অর্থনৈতিক সেক্টর উন্নতি করার অন্যতম সোপান।
রাজা ওলন্দাজ এটি নির্মান করেছিলেন ১৮৮২ সালে।
রাত্রি যাপন হলো লাইট হাউজে।
পরের দিন জাকার্তা ফিরে এলাম।
গোছাতে হলো স্বপ্ন বাসর। ২০ তারিখ দারুচিনি দ্বীপের দেশ কে গুড বাই জানিয়ে ফিরে এলাম স্বদেশে।

 

আব্দুল মতিন – কবি,সাহিত্যিক ও সহ সম্পাদক মহীয়সী   

আরও পড়ুন