জ্ঞানের সদ্ব্যবহার

সাজেদা হোমায়রা

বিনয়….ভদ্রতা…. কোমলতা এগুলো জ্ঞানেরই বহি:প্রকাশ।কথা বলার সময় কাউকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে কথা বলা বা অপমান করা একজন জ্ঞানীকে মানায় না।

একজন মানুষ হয়তো কম জানতে পারে,
হয়তো তার স্ট্যাটাস বা এডুকেশনাল ব্যাকগ্রাউন্ড আমাদের চেয়ে কম হতে পারে,
হয়তো জ্ঞান লাভের সৌভাগ্য তার হয়নি,
তাই বলে আমরা তাকে ছোট করতে পারি না…হেয় করতে পারি না।

সচেতন ভাবে বা অসচেতন ভাবে আমরা অনেক সময়ই নিজেদের বড় মনে করছি আর অন্যদের প্রতি তুচ্ছ আচরণ করছি।

হোটেল বয় বা রিকশাওয়ালা কে সামান্য ডাকে আওয়াজের অহংকার করছি…..
ছোট খাটো ভুলের জন্যে তাদের গায়ে হাত তুলছি….

রাগ মিশ্রিত কন্ঠে বাবা-মার কথা বলা থামিয়ে দিচ্ছি…

নিজের শ্রেষ্ঠত্বের উদাহরণ তুলে খারাপ ব্যবহার করার পরও অন্যকে সরি বলতে পারছি না….

ইবলিশও জ্ঞানের বড়াই করেছিলো। জ্ঞানের বড়াই করতে গিয়ে সে অভিশপ্ত হয়েছে।

সত্যিকারের জ্ঞানী তো সেই যার জ্ঞান তাকে বিনয়াবনত করে।

” দম্ভ করে মানুষকে অবজ্ঞা করো না। পৃথিবীর বুকে ঔদ্ধত্যের সাথে চলাফেরা করো না। কারণ আল্লাহ দাম্ভিকদের পছন্দ করেন না। নিজের চলাফেরায় ভারসাম্য আনো এবং নিজের আওয়াজ নিচু কর।
নিশ্চয়ই সব আওয়াজের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ গাধার আওয়াজ। ” – সূরা ৩১ লোকমান : ১৮-১৯

লেখকঃ সাহিত্যিক

আরও পড়ুন