বাংলাদেশের করোনা প্রতিষেধককে স্বীকৃতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

মোস্তফা জামান

বাংলাদেশের তৈরি প্রতিষেধককে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইটে নতুন হালনাগাদ করা তথ্যে উঠে এসেছে বাংলাদেশের গ্লোব বায়োটেকের নাম।

উল্লেখ্য, গ্লোব বায়োটেকের উদ্ভাবিত প্রতিষেধক “ব্যানকোভিড” ইতোমধ্যে প্রাণীদেহে (অ্যানিমেল মডেল) সম্পূর্ণ নিরাপদ ও কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।

বর্তমানে সারাবিশ্বে করোনা আক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। এই সংক্রমণে ডি৬১৪জি ভ্যারিয়েন্টটি শতভাগ দায়ী বলে সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে। বাংলাদেশ শিল্প ও বিজ্ঞান গবেষণা পরিষদও (বিসিএসআইআর) বাংলাদেশে সংক্রমণের জন্য ডি৬১৪জি ভ্যারিয়েন্টকে দায়ী বলে নিশ্চিত করেছে।

বাংলাদেশের নিজস্ব প্রযুক্তিতে উদ্ভাবিত “ব্যানকোভিড” প্রতিষেধকটি ডি৬১৪জি ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে প্রথম ও একমাত্র আবিষ্কৃত টিকা। ইতোমধ্যে অ্যানিমেল মডেল ইঁদুরে নিয়ন্ত্রিত ও পূর্ণাঙ্গ প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে ব্যানকোভিড সম্পূর্ণ নিরাপদ ও কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

গ্লোব বায়োটেক বর্তমানে কন্ট্রাক্ট রিসার্স অর্গানাইজেশনের (সিআরও) সঙ্গে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রটোকল তৈরির কাজ করছে। প্রটোকল তৈরির কাজ হয়ে গেলে খুব শীঘ্রই বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ (বিএমআরসি) এর কাছে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের নৈতিক ছাড়পত্রের জন্য এই আবেদন করা হবে। বিএমআরসি’র নৈতিক অনুমোদন সাপেক্ষে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের কাছেও প্রটোকলসহ ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করার জন্য আবেদন করা যাবে।

উল্লেখ্য, icddr,b ইতোমধ্যে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডকে মানব ট্রায়াল/ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন এবং দুইটি প্রতিষ্ঠান এর জন্য একটি MoU তে স্বাক্ষর করেছেন। বিস্তারিত জানুন কমেন্ট সেকশনে।

আমরা বাংলাদেশের এই সাফল্য “ব্যানকোভিড” গর্বিত হতে চাই। বাংলাদেশ এগিয়ে যাক।

আরও পড়ুন