ব্রাউজিং শ্রেণী

কবিতা

মধুর বাক্য

#মধুর_বাক্য একটা ছোটো বাক্য জীবন বদলে দিতে পারে সাদা কালো জীবন খাতা রঙিন করে ছাড়ে। কোন বাক্য ম্যাজিক জানে রাতকে করে দিন মধুর বাক্যে মন উতলা নাচে তা ধিন ধিন। প্রিয়জনের বাক্যে মনে হাজারো ফুল ফুটে দিনের বেলাও নীল আকাশে চাঁদ…

দিনরাত্রির ভুল

এক লহমায় চুরমার হয়ে গেলো সব, ভুলে ভরা জীবনটাকে শুধরে নেয়ার সময় দিলে না তুমি। একই পৃথিবীর জনারন্যের ভীড়ে স্মৃতি হাতড়ে চলেছি দুজন। একই সূর্যের আলোয়,ক্লান্তি জুড়াতে দু'দন্ড ফুরসৎ নেই কারও।। চন্দ্রমার মোহাচ্ছন্ন পূর্ণিমা…

সঞ্জীবনীসুধা

যে ঊষর হৃদয়খানি বিরানভূমি হয়ে গেছে আজ তাকে উর্বরা করে তোলো ভালোবাসার সিঞ্চনে মরানদীর অস্থিপঞ্জরে জোয়ার আনো কানায় কানায় শুক্লা দ্বাদশী তুমি সঞ্জীবনীসুধা হয়ে আসো একটু বাঁচার আশা এখনো রেখেছি বাকি। তুমি অর্ফিয়ুসের মোহনীয় সুর…

একান্ত ভাবনা

অন্তর অন্দরে স্মৃতির রোমন্থন ফুলে পাপড়িতে রঙিন স্ফুরণ অবাক শিহরণে মুখ রাঙা হয় লাজে, অভিমানি মন আর মানে কতক্ষণ কারো শূন্যতায় যখন বিবাগী সারাক্ষণ আপন মনে কত প্রশ্নের উত্তর খোঁঝে ! এতটা তাচ্ছিল্য অবহেলা পেয়েও কিভাবে এত শ্বাশত…

কবিতায় দেখি নিজের অবয়ব

বহুকাল আমি নিরাকার ছিলাম,শূন্য অবয়বে --- সে আমার আপন অনুভবে! কিছু স্বপ্নের আঁকিবুকি চলে মনের প্রবাহমান জলতরঙ্গে, ওখানেই ছিলাম যেন অস্তিত্বজুড়ে! অতঃপর ছোট ছোট শব্দ বুনি,সেই মনের মালঞ্চে ক্যানভাসে ভেসে বেড়ায় ইচ্ছেগুলো যেনো…

বিদগ্ধ হৃদয়ের ক্রোন্দন

জীবনের সাথে প্রতিযোগিতায় নেমে দুর্গম পথ চলার প্রতিটি পদক্ষেপে দেখেছি কতযে ঢেউ উত্থান পতনে শুনেছি কত গর্জন সমুদ্রের বুকেতে, এদেশ ওদেশ কত দেশ দেশান্তরে এ ঘর ও ঘর প্রতিটি ঘরেতে সভ্য অসভ্য সব’ক’টি সমাজে বিদগ্ধ হৃদয়ের চাপা…

বন্ধু

চল্ বন্ধু হারিয়ে যাই শৈশবের সেই দিনে এক টাকাতে দুটো লজেন্স খেতাম আমরা কিনে। তোর বিপদে আমি সদাই যেতাম কাছে ছুটে একই প্লেটে খানা খেতাম তোর ঘরে যা জোটে। রাত্রি বেলা একলা আমার ঘুম যদি না আসে ডাকলে কেহ নাইবা আসুক তোকে…

ঈদ

হৃদ আকাশে যাচ্ছে বয়ে ঝড়, চমকিছে বাজ শব্দ কড়াৎ কড়। ধুকধুকানি বাড়ছে মনের মাঝে, অস্থিরতা সকাল দুপুর সাঁঝে। মন ঘোড়াটা তালবেতালে ছোটে, শান্তি সুখের গোলাপ নাহি ফোটে। প্রতি ঈদে মা থাকে মোর পাশে, এবার তো আর থাকবে না…

ঈদের খাবার

জামাই অাছে ভীষণ ভয়ে খেয়ে বেজায় পাঁপড় পেটের মাঝে মেঘ ডাকলেই ভুঁড়িতে দেই চাপড়! শব্দ হলেই চমকে বলে কী যে হলো হায়! ভাবে খাবার সামনে হলেই সবগুলো কে খায় ? খাসির গোস্ত, গরুর গোস্ত নুডুলস, পাপড় ক্ষীর আরো নানান…

ঈদ-উল-আযহার অর্ঘ্য বিরচন

নুরে আলম মুকতা ধূ-ধূ মরু প্রান্তর... চারপাশ কাঁপে থর থর জল নেই , নেই জল শুষ্ক কন্ঠ আর প্রেয়সীর ঘোলা চোখ । আশা আর ভালোবাসায় মানব মানবী থমকে থমকে জীবনের পানে ধায় ! এতো মায়াময় জীবন চঞ্চল তরুহীনকায়। কালো পর্বত মালায় উলঙ্গ জমিনে…