Ads

ব্রাউজিং শ্রেণী

কবিতা

অন্তরীক্ষের ছন্দপতন

মানসুরা শরীফ অসীম উদার আকাশ পানে নিশ্চল কালো দুটি আঁখি নিভে যাওয়া আলোর সন্ধানে দীর্ঘ ছায়াপথ পাড়ি দেয় সঙ্গোপনে অধুনা তারাপতি আঁধার চিঁড়ে গগন মাঝে নব ক্ষণের আলপনা দেয় একে তুষার শুভ্র মেঘেদের দল যায় ছেয়ে নিধন নরপতি কার পানে আসছে…

আমি কেন লিখি

এইচ বি রিতা আমি কেন লিখি? সহজ নয়, কঠিন প্রশ্ন। কেন লিখি! অন্যের সাথে যোগাযোগ স্থাপন, কিংবা পাঠকের আগ্রহ উদ্দীপিত করা? নাহ! তাও নয় তবে কেন লিখি! লিখতেই হবে কেন? এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই তবু লিখি, না লিখলেও হত মন চায় বলে লিখি এই…

খুব কি হবে পুণ্য?

দীপান্বিতা চৌধুরী অবশেষে এখানেও পড়লো চোখ, আদেশ এলো এই সবুজ খর্ব করা হোক। আমরা অভ্যস্ত অমাবস্যা খেতে, তাই পূর্ণিমার স্বাদ চাইনা কভু পেতে । ভুলে যাও কি করে, সবুজের আকালে নগর হয় মরুস্হান এই শিরীষতলার সবুজগুলো প্রাণে আনে গান, দুঃখ…

সেই ছোট্ট নয়নতারা

ড. নাসিমা জোয়ার্দ্দার তুমি এখন উচ্ছল যৌবনা তুমি রূপে রূপবতী সুন্দর তুমি ভোরের আলোতে, ঝকঝকে রোদে, ঝিরিঝিরি বাতাসে, মোহিত আমি তোমার গাঢ গোলাপি রঙে। মুগ্ধ তোমার রূপে, বর্ষার বৃষ্টিতে ----- বৃষ্টিস্নাত দেহে তুমি অপরূপা। ক্লান্ত মন…

বলা দরকার যতটুকু

এইচ বি রিতা স্বচ্ছ আকাশ তলে উঠোন জুড়ে কূয়াশার আড়ালে খড়কুটোদের নীরবতা; ছেঁদ কাটিয়ে যায় বুক পাশের ছাদে রোজ প্রত্যুষে ভেঁজা চুলে বৌদির রোদের সাথে আলিঙ্গন চোখ এড়িয়ে যায় কি? বলা হয় কি বলা দরকার যতটুকু? না না! এসব বলতে নেই বলতে গেলেই…

জাকির আহমদের দুটি কবিতা

জাকির আহমদ শবযাত্রার যাত্রী শবযাত্রায় এখন নিয়মিতই অংশ নিতে হয় অনেকটা সাপ্তাহিক বাজার করার মতই মাথায় টুপি মুখে মাস্ক পরে জানাযা নামাজ শেষে লাশের খাটলির পিছু পিছু পৌঁছে যাই গোরেস্থানে কবরস্থানটা খনিকের জন্য যেন রকমারি বাজারে…

মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের পাঁচটি কবিতা

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ১-আমার ভেতরেই দেশ এই আমাকে দেখো ঠিক যেন বিদ্ধস্ত এক নগরী, ২০৬ খানা হাড় অনায়াসে গুনে বলতে পারবে কতটা দূর্ভিক্ষ দেশ জুড়ে, শীর্ণ বস্ত্র দেখেই বুঝতে পারবে এ শহরটা আজ কতটা উলঙ্গ, কুকুরের ঘেউঘেউ শুনেই বলতে পারবে…

বৃষ্টির দিনে

মেহেনাজ তাবাসসুম বৃষ্টি এলো, বৃষ্টি এলো মেঘের ভেলায় করে, টুপ টুপাটুপ রিম ঝিমাঝিম নানা রকম সুরে । সারা পাড়া উঠল মেতে বৃষ্টি এলো ওই , কোথায় গেলি খোকা-খুকু মুক্তামণি কই ? দৌড়ে এসে জুটল সবাই যে যেখানে ছিল, কাদামাটি মেখে যেন…

কষ্টের আবরণ

বিপাশা হাবিব আরজু কষ্টের আবরণে ছেদ পড়লেই মনে পড়ে একদিন আমি ছিলাম। তন্দ্রাবিলীন করা ভাগাড়ের কবর কথা বলে ওঠে, বিস্মৃত হয়না কিছুই! ধমনিতে বয়ে যায় একই স্রোত তবুও হয় রক্ত ভাগাভাগি! শেয়ালের মাংস বিষাক্ত জেনেও দাম উচ্চে।…

কবর

কবরের পাশ দিয়ে হেটে যদি যাও অনুরোধ করি ভাই একটু দাড়াঁও। নয়নের পানি ফেলে তুলে দুটো হাত মৃতদের কল্যানে করো মোনাজাত। থাকবেনা যেইদিন দুনিয়ার পরে এ মাটিতে মিশে যাবে তুমি চিরতরে। সেইদিন তোমাকেও দোয়া দিবে তারা কবরের পাশ দিয়ে হেঁটে যাবে…