তুমি আর আমি (পর্ব-১)

খন্দকার মারিয়াম হুমায়ুন

হাজবেন্ড ওয়াইফের মনমালিন্য হওয়ার একটা কারণ হলো ঠিক মতো কথা বলতে না জানা । অনেকের কাছেই হয়তো অদ্ভুত ঠেকবে কিন্তু ব্যাপারটা খুবই সত্যি! অনেক সময় স্পাউজের সাথে এমনভাবে কথা বলে ফেলেন যা তার রাগকে উস্কে দেয়! কেউ আবার খোঁচা মেরে কথা বলে, কেউ আবার ছোট-নীচু করে কথা বলে, কেউ গালি দেয়, কেউ আবার ঝাঝালো তেজ দেখায়। তখন অপরপক্ষও কম যায় না, তাকে দেখিয়ে দিবো বলে সমান তালে উত্তর দিতে থাকে!

জীবনের কত সমস্যার সমাধান ঠিক ভাবে সম্মানের সহিত কথা বলার মাধ্যমেই ঠিক হয়ে যেতে পারে। কিছু টিপস মেনে চলুন ইনশাআল্লাহ, কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে পরিবর্তন দেখবেন:

১। তার কথায় রিয়াক্ট করা যাবে না।
২। অযথা তর্ক করা যাবে না।
৩। কোন ধরনের ছোট-নীচু করে কথা বলা যাবে না।
৪। অযথা ঘ্যান ঘ্যান করা, আমার এই হয়নাই সেই হয় নাই বলা যাবে না।
৫। কথায় কথায় দোষ ধরা যাবে না।
৬৷ তাকে আমি কথা বলে বলে এক দিনেই শোধরায় ফেলবো এমন মনোভাব থেকে বের হতে হবে। সব সময় দোষ ধরে শোধরানোর চেষ্টা করা যাবে না।
৭। কি দিতে পারলো জীবনে আর না পারলো, অমুকের জামাই ঘোড়া কিনে দিসে আমাকে কেন রকেট কিনে দিলা না এইসব বলা যাবে না।
৮। অলস, কুম্ভকর্ণ, কাজ করে না, স্বাস্থ্যবান বিড়াল(!) এইসব বলে পারসোনাল এট্যাক করা যাবে না!

আজকে বললাম কি কি করা যাবে না। ইনশাআল্লাহ সিরিজটা চলতে থাকবে। একে একে সব জিনিসগুলো আনার চেষ্টা করবো যা মেনে চললে আপনিও একটি সুখি দাম্পত্য জীবন পেতে পারেন।
অনেকেই এখন বলবে আমি তো এইসব করি না/আমার সাথেই উনি এইসব করেন/ আমাকেই কেন ছাড় দিতে হবে/ আমি আমি আমি.. তাদের জন্য বলি আপনারা সবর করেন। ছাড় এক পক্ষকে দিতে বলছি না। কিন্তু একপক্ষ ছাড়েও অনেক সময় অপর পক্ষের উপলব্ধি বাড়ে। এইসব নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হবে।

(চলবে)

লেখকঃ দ্যা নাফস গ্রুপের অ্যাডমিন এবং  আইওইউ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ এবং সাইকোলজি বিভাগের ছাত্রী

আরও পড়ুন