ব্যক্তিগত ও সামাজিক পর্যায়ে ধর্ম মানার লক্ষণগুলো কী কী?

লুলু আক্তার বানু সুগন্ধি

আমরা ব্যাক্তিগত পর্যায়ে ধর্ম পালনে যতটা আগ্রহী সামাজিক প্রতিষ্ঠায় ততটা নয়।
আমরা আগ্রহী
*ফজরে সালাত জামাতে বা একাই আদায় করতে
* নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়তে
* সারাক্ষন দোয়া সুরা কিছু একটা জপতে
* লেবাস একেবারে সুন্নতের স্পষ্ট প্রকাশ
*দাঁড়িয়ে পানি পান করে না
* ডান হাত বাম হাতের ব্যাবহারে সদা সতর্ক।
ইত্যাদি আরো অনেক কিছুতে ।
কিন্তু এতে লাভ কি এতে না ইসলামের শান্তির সন্ধান আছে না ইসলামের মুল আবেদন আছে।
কিন্তু আমরা এগুলো শুনতে পছন্দ করি । আমরা এসব করতে কত নিষ্ঠাবান তা প্রকাশ করি উৎসাহ নিয়ে।

কিন্তু শুনতে চাই না সেসব কথা যাতে
আমার আপনার পুরো সমাজের লাভ ।নীচের একথা গুলো বললে লোকে বেশীর ভাগ সময় বিরক্ত হয়। একটূও বুঝতে চান না যে যদি কেউ —
* সত্যবাদী হয় তাহলে আপনার বিপদে মিথ্যা সাক্ষী দিয়ে আপনার বিপদ বাড়াবে না।
* আমানতদার হয় তাহলে তাকে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে পারবেন সব সময় শংকিত থাকতে হবে না এই বুঝি ঠকে গেলাম।
* ন্যায়পরায়ণ হুয় তাহলে তার অন্যায় জুলুমের শিকার হতে হবেনা কাউকে
* যদি মানুষের প্রতি সম্মান বোধ থাকে তাহলে নিশ্চিত থাকা যায় সে কাউকে অপমান করবে না।
এছাড়াও ফাইল আটকে ঘুষ খাবে না — অযাচিত ভাবে আপনার কোন ক্ষতির কারন হবে না নিজে আগে যাওয়ার জন্য আপনার পথ আটকাবেনা। — আপনার বিপদে পাশে দাঁড়াবে —
আর ইসলাম এটার উপর জোর দিয়েছে এটাকে হাই লাইট করেছে। এগুলোই ইমানের মুল। আগে ইমান তার পরে ইবাদাত।
তাহলে আমাদের কি করা উচিৎ ? কিসের দাওয়াত দেয়া উচিৎ? ইসলামের মুল উদ্দেশ্য কি ?

লেখকঃ সাহিত্যিক ও মোটিভেশনাল বক্তা 

আরও পড়ুন