করোনা পরিস্থিতিতে কুরবানীঃ নিজস্ব চিন্তা ভাবনা (প্রথম পর্ব)

জামান শামস

ঈদ উল আজহা বা কুরবানীর ঈদ অল্প কয়েকদিন পরেই ইনশাআল্লাহ।ইতোমধ্যে হাট বসতে শুরু করেছে এবং লোকজনও হাটে ভীড় করছে।ঠাকুরগাঁও এর একটি প্রতিবেদন সম্প্রতি কোন এক চ্যানেলে দেখলাম।বলা হচ্ছে ইজারাদার সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য বিধি মানার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে ক্রেতারা মোটেও তা মানছেন না।এমনকি মুখেও কোন মুখবন্ধ ব্যবহার করতে দেখা যায়নি।

আমরা সব কিছুই খুলে দিচ্ছি,শর্ত দিচ্ছি স্বাস্থ্য বিধি মানতে।কিন্ত বিধিটা যে কি তা জনগণ আদপেই বুঝতে পারছে নাকি বুঝেও হেলা করছে ? আপাততঃ মুখে মুখবন্ধ ব্যবহার করা,হাত সেনিটাইজার দিয়ে পরিস্কার করা এবং সর্বত্র সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা।বলা হচ্ছে এটুকু করলে করোনা সংক্রমন থেকে বাঁচা যাবে।

যাই হোক,মূল আশংকা হলো কুরবানীর হাট বসবে,লোকেরা পশু ক্রয় করবে।কুরবানীর দিন পশু জবেহ হবে,কাটাকুটি হবে এবং অতঃপর বন্টন হবে।এতে লোকেরা বহু বহিরাগত লোকের সাথে মিশবে।ফলে এদের মধ্যে সুপ্ত সংক্রমিত কেউ থাকলে তার সংস্পর্শ পেলে যে কেউ আক্রান্ত হবার আশংকা আছে।ভয়টা এখানেই।ভয় ও আশংকা থেকে অনেকেই বলছেন, এবারের মতো কুরবানী স্থগিত হতে পারে,কুরবানীর অর্থ বিপন্ন মানুষের সেবায় ব্যয়িত হতে পারে ইত্যাদি ইত্যাদি।

এগুলি সবই ব্যক্তি মানুষের ভাবনা।কোন কোনটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত,কোন কোনটিবা আবার চায়ের স্টলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।আমার জানামতে,এ নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের মুসলিম অধ্যুসিত কোন দেশ জাতীয়ভাবে এমন সিদ্ধান্ত জানায়নি কিংবা কোন ইসলামিক স্কলার ব্যক্তিগতভাবেও কোন ফতোয়া বা মতামত আজ অব্দি দেননি।

কুরবানী মুসলিম মিল্লাতের নিকট অতি পরিচিত আবেগময়ী একটি শব্দ যা শুনলে প্রত্যেক মুসলিম ব্যক্তির হৃদয়ে সৃষ্টি করে এক পরম পরিত্রানুভূতি জড়িত কম্পন, মনে পড়ে আল্লাহর প্রিয় খলিল হযরত ইব্রাহীম (আঃ) ও হযরত ইসমাইল (আঃ) এর ঐতিহাসিক সাড়া জাগানো সেই ত্যাগের ঘটনা।কুরবানীর মানেই হলো ত্যাগ স্বীকার করা, স্বেচ্ছায় নিজের স্বার্থকে পরিত্যাগ করা, আত্মত্যাগ বা অপরের জন্য কষ্ট স্বীকার করা।ইসলামী পরিভাষায় কুরবানীর অর্থ হলো ১০ই জিলহজ্জ ঈদের নামাজের পর ১২ই জিলহজ্জ মাগরীবের আগ পর্যন্ত আল্লাহর নামে নির্ধারিত কোন পশু জবেহ করাকেই কুরবানী বলে।

কুরবানী করা আল্লাহর হুকুম।এই হুকুম আল্লাহ কর্তৃক সকল মানব জাতির জন্যই নির্ধারিত ছিলো, সকল নবীর উম্মতগণকেই এই কুরবানী করতে হয়েছে।পবিত্র কুরআন শরীফে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন,

وَلِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنسَكًا لِّيَذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ عَلَىٰ مَا رَزَقَهُم مِّن بَهِيمَةِ الْأَنْعَامِ ۗ فَإِلَـٰهُكُمْ إِلَـٰهٌ وَاحِدٌ فَلَهُ أَسْلِمُوا ۗ وَبَشِّرِ الْمُخْبِتِينَ
আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্যে কোরবানী নির্ধারণ করেছি, যাতে তারা আল্লাহর দেয়া চতুস্পদ জন্তু যবেহ কারার সময় আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে। অতএব তোমাদের আল্লাহ তো একমাত্র আল্লাহ সুতরাং তাঁরই আজ্ঞাধীন থাক এবং বিনয়ীগণকে সুসংবাদ দাও।
(সুরা হজ্জঃ৩৪)

فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ
অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং কোরবানী করুন।
(সুরা কাউসারঃ২)

বুঝাই যাচ্ছে কুরবানী আল্লাহর এমন একটি হুকুম যা সকল নবীর উম্মাহর জন্য পরিপালন করার আবশ্যকতা ছিলো এবং পশু যবেহর এই সিস্টেমটিও আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত।কুরবানী অর্থে পশু যবেহ ব্যতীত উম্মাহর আর কোন অপশান নেই।এর বাইরে অন্য কিছু ভাবা কুরআনে বর্ণিত এই নির্দেশের ভায়োলেশান।অন্যান্য নবীগণের উম্মাহর সেই আবশ্যকতা আল্লাহতা’লা পুনরায় নবী মুহাম্মদ সাঃ এর উম্মাহর জন্যেও সুরা কাউসারে পুনর্ব্যক্ত করেছেন।একই বিষয় একই স্টাইলে।তবে আরো গুরুত্ব দিয়ে নামাজের পর পরই।অর্থাৎ ফরয নামাজকে যতটা গুরুত্বপূর্ণ মনে করো কুরবানীও তাই।

কুরবানীর উদ্দেশ্য কি এ প্রশ্নের উত্তর আল্লাহ নিজেই দিয়েছেন। হযরত ইব্রাহীম (আঃ) যখন একের পর এক আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে শেষ পরীক্ষায় অবতীর্ণ হলেন সেটি ছিলো নিজেরই প্রাণাধিক প্রিয় ছোট্ট হযরত ইসমাইল (আঃ)কে নিজ হাতে কুরবানী করা যখনই তিনি হীরার ধার তুল্য তীক্ষ্ন ছুরি হাতে নিজের প্রিয় পুত্রের গলায় চালাতে উদ্যত হলেন ঠিক তখন আল্লাহর পক্ষ থেকে জান্নাতী পশু ছুরির নিচে ধরে আল্লাহ তায়ালা পরম কুদরতে পশু কুরবানী করিয়ে দিলেন এবং সেই সাথে ঘোষণা দিলেন,

فَلَمَّا أَسْلَمَا وَتَلَّهُ لِلْجَبِينِ وَنَادَيْنَاهُ أَن يَا إِبْرَاهِيمُ قَدْ صَدَّقْتَ الرُّؤْيَا ۚ إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِي الْمُحْسِنِينَ
যখন পিতা-পুত্র উভয়েই আনুগত্য প্রকাশ করল এবং ইব্রাহীম তাকে যবেহ করার জন্যে শায়িত করল। তখন আমি তাকে ডেকে বললামঃ হে ইব্রাহীম, তুমি তো স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করে দেখালে! আমি এভাবেই সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।
(সূরা সাফফাতঃ ১০৪-১০৫)

সুতরাং আল্লাহ যাদেরকে ভালবাসেন, যাদেরকে প্রিয় বান্দা হিসাবে কবুল করেন তাদের নিকট থেকে এইভাবে জান ও মালের কুরবানী নিয়ে থাকেন ।অপর কথায় বলা যায়, যারা আল্লাহর এ ধরনের কঠিন পরীক্ষায় নিজের জান ও মালের কুরবানী দিতে পারে তারাই আল্লাহর প্রিয় বান্দা হিসাবে পরিগণিত হন।

এছাড়া কুরবানীর আরো একটি উদ্দেশ্য রয়েছে এর মধ্যে প্রথমতঃ কুরবানীর মাধ্যমে আল্লাহর একজন বান্দা এ কথা স্বীকার করে নেয় যে, আল্লাহই তার একমাত্র মুনিব এবং তিনিই শ্রেষ্ঠ। সারা দুনিয়ার মানুষের উপাসনা ও ইবাদত পাওয়ার একমাত্র অধিকার তাঁরই , তিনিই সার্বভৌমত্বের মালিক এবং তার বিধান ছাড়া আর কারও বিধান মানা যায় না, মানা যেতে পারে না ।তারই বিধানকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে কোন ত্যাগ কুরবানীর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

কুরবানীর দ্বিতীয় উদ্দেশ্য হলো পশু জবাই করার সাথে সাথে নিজের ভিতরের পশুত্বকেও জবাই করে খাঁটি মানুষে পরিণত হতে হবে ।কেবল গতরে মানুষ হলে চলবেনা,তাকে হতে হবে বিশ্বাসী,অনুগত,আল্লাহভীরু এবং চুড়ান্ত ভাবে মুহসিন বা সৎকর্মশীল।এই কথাটিই কুরআনে বলা হয়েছে,

لَن يَنَالَ اللَّهَ لُحُومُهَا وَلَا دِمَاؤُهَا وَلَـٰكِن يَنَالُهُ التَّقْوَىٰ مِنكُمْ ۚ كَذَٰلِكَ سَخَّرَهَا لَكُمْ لِتُكَبِّرُوا اللَّهَ عَلَىٰ مَا هَدَاكُمْ ۗ وَبَشِّرِ الْمُحْسِنِينَ
এগুলোর গোশত ও রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছে না, কিন্তু পৌঁছে তাঁর কাছে তোমাদের মনের তাকওয়া। এমনিভাবে তিনি এগুলোকে তোমাদের বশ করে দিয়েছেন, যাতে তোমরা আল্লাহর মহত্ত্ব ঘোষণা কর এ কারণে যে, তিনি তোমাদের পথ প্রদর্শন করেছেন। সুতরাং সৎকর্মশীলদের সুসংবাদ শুনিয়ে দিন।
(সুরা হজ্জঃ৩৭)

পশু কুরবানীর সাথে সাথে একজন মুসলিম তার অন্তর থেকে সকল খোদাদ্রোহী শক্তির ভয় দূর করে একমাত্র আল্লাহর ভয় হৃদয়ে জাগ্রত রাখবে ।এই রকম আল্লাহভীরু মুত্তাকী লোকদের কুরবানীর আমলই তিনি কবুল করেন।হাবীল ও কাবিল আদম আঃ এর দুই সন্তানের কুরবানীর কথা উল্লেখ করে আল্লাহ বলেন,

۞ وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ ابْنَيْ آدَمَ بِالْحَقِّ إِذْ قَرَّبَا قُرْبَانًا فَتُقُبِّلَ مِنْ أَحَدِهِمَا وَلَمْ يُتَقَبَّلْ مِنَ الْآخَرِ قَالَ لَأَقْتُلَنَّكَ ۖ قَالَ إِنَّمَا يَتَقَبَّلُ اللَّهُ مِنَ الْمُتَّقِينَ
আপনি তাদেরকে আদমের দুই পুত্রের বাস্তব অবস্থা পাঠ করে শুনান। যখন তারা ভয়েই কিছু উৎসর্গ নিবেদন করেছিল, তখন তাদের একজনের উৎসর্গ গৃহীত হয়েছিল এবং অপরজনের গৃহীত হয়নি। সে বললঃ আমি অবশ্যই তোমাকে হত্যা করবো। সে বললঃ আল্লাহ ধর্মভীরুদের পক্ষ থেকেই তো গ্রহণ করেন।
(সূরা মায়িদাঃ ২৭)

কুরবানীর আরো একটা বড় উদ্দেশ্য হলো কুরবানী মুসলিম উম্মার ঐক্যের এক অনন্য নিদর্শন। ঈদুল আজহার নামাজের পর মুসলমানগণ আল্লাহর হুকুমে তারই নিয়ম মেনে কুরবানী করে এর মধ্যে মুসলমানদের ঐক্য এবং ভ্রাতৃত্ববোধ ভালবাসা জাগ্রত হয়ে দুনিয়ার সকল মুসলমান একই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত হয়ে এ কথাই প্রমাণ করে যে, কুরবানীর হুকুম পালন করা মুসলিম উম্মার ঐক্যের প্রতীক, ঐক্যের সাক্ষী।

এগুলো গেলো কুরবানীর হাকীকত।আমাদের পিতা নবী ইব্রাহীম আঃ এর যে ঘটনাটিকে আমরা কুরবানীর প্রারম্ভিক উপমা হিসাবে ধরি,যার রেফারেন্স কয়েক লাইন উপরে দিয়েছি,তার স্পিরিট কি ?

কুরআনে কারীমের এই অংশটুকু বিশ্বাসী ব্যক্তিকে আল্লাহর জন্য মজনুন বানিয়ে দেয়।এ এক অনন্ত প্রেমের পরীক্ষা।কল্পনা করুন,বার্ধক্য বয়সে একজন নিঃসন্তান পিতার অন্তরের আকুতি কতটা তীব্র হলে তিনি তার রবের কাছে একজন সন্তান চাইতে পারেনা।নবীগণ আমাদের মতো নন,যখন তখনই যাই কিছু আল্লাহর কাছে চেয়ে বসেন।প্রত্যেক নবীর দোআগুলো বিশ্লেষণ করুন,এমনই পাবেন।কষ্টের পর কষ্ট বুকে পিঠে হযম করেছেন তবু কিছু বলেননি এই ভয়ে না জানি তা নবুয়তের মর্যাদা পরিপন্থি হয়ে যায়।একদমই না পেরে যেটুকু বলেছেন তাতেও ছিলো শতভাগ শিস্টাচার,অফুরন্ত আবেগ আর কথা অতি সামান্য,তাও পরোক্ষভাবে।এখানেও তাই-

‎رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ فَبَشَّرْنَاهُ بِغُلَامٍ حَلِيمٍ
হে আমার পরওয়ারদেগার! আমাকে এক সৎপুত্র দান কর। সুতরাং আমি তাকে এক সহনশীল পুত্রের সুসংবাদ দান করলাম।
فَلَمَّا بَلَغَ مَعَهُ السَّعْيَ قَالَ يَا بُنَيَّ إِنِّي أَرَىٰ فِي الْمَنَامِ أَنِّي أَذْبَحُكَ فَانظُرْ مَاذَا تَرَىٰ ۚ قَالَ يَا أَبَتِ افْعَلْ مَا تُؤْمَرُ ۖ سَتَجِدُنِي إِن شَاءَ اللَّهُ مِنَ الصَّابِرِينَ
অতঃপর সে যখন পিতার সাথে চলাফেরা করার বয়সে উপনীত হল, তখন ইব্রাহীম তাকে বললঃ বৎস! আমি স্বপ্নে দেখিযে, তোমাকে যবেহ করছি; এখন তোমার অভিমত কি দেখ। সে বললঃ পিতাঃ! আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে, তাই করুন। আল্লাহ চাহে তো আপনি আমাকে সবরকারী পাবেন।
(সুরা আস সাফফাতঃ১০০-১০২)

আজ আমি আপনি কুরবানীর মাসআলা তালাশের জন্য পেরেশান হয়ে পড়ছি।কিভাবে কুরবানী এড়ানো যায়,এর কোন বিনিময় কিছু দিয়ে হলেও।একবার ভাবুন ! ঈসমাইলের বয়স তখন মাত্র সাত কি আট বছর।শিশুসুলভ চপলতা তখনো তার চোখের দ্যুতিতে,চন্চলতা মোড়া তার হাত পায়ে,কন্ঠে কেবলই জিজ্ঞাসা হাজার প্রশ্ন,প্রচন্ড উদ্দাম তখনো তার গতিতে।পিতা নাহয় নবী,পরীক্ষার পর পরীক্ষা দিতে দিতে বুঝে নিয়েছেন নবুয়তের দায় ও কর্তব্য।কিন্ত এই সন্তানের বুঝজ্ঞান তো তখনো পক্কতা পায়নি।বাবার প্রস্তাবনা শুনে আহা কী তার তাৎক্ষণিক জবাব !এক লহমার বিলম্বও তার হয়নি।বাবা তুমি ঘাবড়িওনা,আমি প্রস্তত।আল্লাহর ইচ্ছায় নিশ্চয়ই আমাকে তুমি অনুগত পাবে,ধৈর্যশীলই পাবে।”

বান্দা আল্লাহর ইচ্ছাতে সমর্পিত ব্যক্তির নাম।আপনার বাড়ীর গোলামের কি কোন ইচ্ছা থাকে ? আপনি যা তাকে খেতে দেন তাই সে খায়।আপনি যা পোশাক তাকে পরতে দেন তাই সে পরে।আপনি যেদিন তাকে বিশ্রাম রাখেন সেদিনই তো সে বিশ্রাম পায়।তেমনি আমাদের সাথে আমাদের রবেরও এই সম্পর্ক।আমার নিজের মনমতো মর্জিমতো ইসলাম মানলে সেটাকে ইসলাম বলেনা।যখন আমার ইচ্ছাগুলো আল্লাহর হুকুমের কাছে সমর্পিত হবে,আমার চাওয়াগুলো আল্লাহর চাওয়াতে বিলীন হবে কেবল তখনই বলতে পারবো আমি আল্লাহর অনুগত একজন গোলাম হতে পেরেছি।

(চলবে)

লেখকঃ কলামিস্ট ও বিশিষ্ট ব্যাংকার

আরও পড়ুন