ইরান-ইসরাইল সংঘাতঃ মধপ্রাচ্যের প্রধান ইস্যু হবে

এম আর রাসেল

মধ্যপ্রাচ্য পৃথিবীর ঝামেলাপূর্ণ অঞ্চলের মধ্যে অন্যতম। এই অঞ্চলে শান্তির পায়রা কবে উড়বে কেউ বলতে পারে না। এক সময় ইসরাইল ফিলিস্তিন ইস্যুই ছিল মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের কেন্দ্রবিন্দু। সময়ের পরিক্রমায় কেন্দ্রের পরিবর্তন ঘটেছে মাত্র। এখন  বলা হচ্ছে ইসরাইলের গোয়ার্তুমি, ইরানের আস্ফালন এবং যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিচারিতা মধ্যপ্রাচ্যকে আরো অস্থিতিশীল করে তুলবে।

মধ্যপ্রাচ্যে এক সময় মূল খেলোয়াড় ছিল যুক্তরাষ্ট্র। নিজের জ্বালানি ক্ষুধা মেটাতে এই অঞ্চলে রক্তের নহর বইয়ে দিতেও দ্বিধা করেনি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে শক্তির উৎস হিসেবে তেলের গুরুত্ব বেড়ে যায়। এ ব্যাপারে যুদ্ধের সময়কার ফরাসি প্রধানমন্ত্রী জর্জ ক্লেমেন্সুর একটি আপ্তবাক্যকে স্মরণ করিয়ে দেই।

তিনি বলেছিলেন, ‘One drop of oil is worth one drop of blood of our soldiers‘। পরবর্তী সময়ে এই তেল নিয়েই মধ্যপ্রাচ্যের মাটিতে রক্তের নহর বইয়ে দেয়া হয়েছে। এখনও সেই নহর থামেনি, নিত্য নতুন উপায়ে ধ্বংসলীলা চলতেই আছে। সিরিয়া, ইয়েমেন, লিবিয়া, ইরাক, লেবানন এক্ষেত্রে পরিচিত কিছু নাম। নতুন খেলোয়াড় হিসেবে মাঠ দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ইসরাইল।

একটু পিছনের গল্প শুনি

মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসের গতিপথে নানা টুইস্ট দেখলে অবাক হতে হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পূর্ববর্তী সময়ে এই অঞ্চলে আরবদের মাঝে জাতীয়তাবাদী চিন্তার জাগরণে পশ্চিমা শক্তি মদদ জুগিয়েছিল। সেই সময় এখানে মাঠ কাঁপিয়েছে ফ্রান্স ও ব্রিটেন৷

১ম বিশ্বযুদ্ধের পর এদের সাথে যুক্ত হয় যুক্তরাষ্ট্র। সাইকট পিকট চুক্তির আলোকে আরব অঞ্চল ভাগ বাটোয়ার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন। অটোমান সাম্রাজ্যের প্রতাপকে বিলীন করে দিতে ফ্রান্স ও ব্রিটেনের কূটকৌশল অজানা কোনো বিষয় নয়। হাশেমীয় ও সৌদ দুই গ্রুপকেই সহযোগিতা করেছে ফ্রান্স ও ব্রিটেন। দুই দলের সামনে মুলো ঝুলিয়ে তারা নিজেদের স্বার্থ আদায় করেছে।

শরীফ হোসেন আরব অঞ্চলে আব্বাসীয় সাম্রাজ্যের পুনঃপ্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন। তিনি ব্রিটেনের সাথে দামেস্ক প্রটোকল স্বাক্ষর করেছিল। অটোমানদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে তাকে সহায়তা করেছিল আল ফাতাত ও আল আহাদ নামের দুটি গুপ্ত সংগঠন। তার ছেলে ফয়সালের উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত হয়েছিল রহস্যময় চরিত্রের অধিকারী লরেন্স অব অ্যারাবিয়া।

শরিফ হোসেনের স্বপ্ন পূরণ হয়নি। নানা ঘটনা পেরিয়ে জর্দান এখনও শরীফ হোসেনের বংশধররাই শাসন করছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর অটোমান শাসিত অঞ্চলগুলো ব্রিটেন ও ফ্রান্স ভাগ করে নেয়৷ ব্রিটিশদের সহায়তায় জন্মলাভ করে অবৈধ সন্তান ইসরাইল।

ইসরাইলের জন্ম ও বর্তমান অবস্থা

১৯১৭ সালের বেলফোর ঘোষণার সফল বাস্তবায়ন হয় ১৯৪৮ সালে। প্রতিষ্ঠার পর পরই আরব ইসরাইল যুদ্ধ হয়৷ একে একে ৪ টি যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ইসরাইল মধ্যপ্রাচ্যে শক্ত ভিত্তি গড়ে নেয়। দীর্ঘদিনের কৌশলী পরিকল্পনায় ইসরাইল আজ এই অঞ্চলের প্রতাপশালী এক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

বলতে গেলে আজ মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব কয়টি দেশ ইসরাইলের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ বলয়ের মধ্যে ঢুকে পড়েছে। উড়ে এসে জুড়ে বসা দেশটি এখন দন্ডমুণ্ডের কর্তা হয়ে সবাইকে শাসিয়ে বেড়াচ্ছে। আর এই কাজে প্রত্যক্ষ মদদ জুগিয়ে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র।

সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষণীয় বিষয় হলো মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ প্রভাব কমে যাচ্ছে৷ এর স্থলে ইসরাইলের প্রভাব বাড়ছে৷ অনেক বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ঘাটিগুলো থেকে সৈন্য সংখ্যা কমিয়ে আনছে যুক্তরাষ্ট্র। ইসরাইলের প্রভাব বিস্তারে যুক্তরাষ্ট্রের সায় রয়েছে এটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনা প্রমাণ করে আগামীতে মধ্যপ্রাচ্যের ঘটনায় ইসরাইল পূর্বের চেয়ে অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে দেখা দিবে। পূর্বেও প্রতিটি ঘটনায় দেশটি ভূমিকা রাখলেও তা এখনকার মতো এত প্রকাশ্য ছিল না।

ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় প্রতিটি দেশে ইসরাইল একটা শক্ত অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে৷ বিশেষ করে আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের সাথে ইসরাইলের সখ্য এখন চোখে পড়ার মতো বিষয়। কাতারের সাথেও দেশটি সম্পর্ক গড়ে তুলছে। গত বছর ইসরাইলকে বিলিয়ন ডলারের অনুদান দিয়েছে কাতার। মিসরের সিসির সাথেও নেতানিয়াহুর সদ্ভাব রয়েছে।

আব্রাহাম একর্ড চুক্তি ও ইসরাইলের লাভ

গত বছরের আরব আমিরাতের সাথে ইসরাইলের সম্পর্ক স্থাপন নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে অন্যতম একটি দিক হল ইরানের ওপর নজরদারি বৃদ্ধি করা। উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব আমিরাতের বিপরীত পাশেই ইরানের অবস্থান। আরব আমিরাত থেকে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দরের উপর নজরদারি করা যাবে।

আবার আমিরাতের সাথে চুক্তির ফলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ইয়েমেনের সেকোত্রা দ্বীপেও ইসরাইল অবস্থান তৈরির সুযোগ পেয়েছে। এই দ্বীপটি বর্তমানে ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলের বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখান থেকে লোহিত সাগর অভিমুখী জাহাজ ও আরব সাগরের উপর নজরদারি করা ইসরাইলের জন্য সহজ হবে।

অন্যদিকে ইসরাইল ৪০ বছর পর আকাবা উপসাগরের এইলাত বন্দর থেকে উত্তর ইসরাইলের আসকালান বন্দর পর্যন্ত ২৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ আরব পাইপ লাইন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। এই পাইপ লাইন দিয়ে সৌদি ও আমিরাত থেকে ইউরোপে তেল রপ্তানির পথ সুগম হবে। ইসরাইল ধারণা করছে এতে চীনও যোগ দিবে।

ইসরাইলের জন্য একমাত্র হুমকি ইরান

মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলকে চ্যালেঞ্জ করার মতো একমাত্র ইরানই এখন মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে৷ দেশটি এই অঞ্চলে উঠতি শক্তি। অনেক বিশ্লেষক মত দিয়েছেন ইরান ও ইসরাইল বিরোধই হবে মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান ইস্যু।

মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির লড়াইয়ে আগামীতে পৃথিবী এই দুই দেশের আচকা-আচকির গল্পই শুনবে বেশি। ইসরাইল যেমন প্রভাব বিস্তারের খেলায় মেতে উঠেছে ইরানও তেমনি সেই খেলায় জোর কদমেই এগিয়ে চলেছে৷ দেশটি প্রভাব বিস্তারের খেলায় নানামুখী কাজ করে যাচ্ছে। ইয়েমেন, সিরিয়া, লেবানন, ইরাক প্রভৃতি দেশে প্রভাব বিস্তার করেছে। ইয়েমেনে হুতি, লেবাননে হিজবুল্লাহ দিয়ে ইরান বহুদিন ধরেই ছায়া যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।

আইসিস দমনেও ইরান সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছে। ইরাকে আজ বলতে গেলে ইরানেরই শাসন চলছে। আফগানিস্তান, কাতার, সৌদি সহ প্রতিটি দেশের শিয়া সম্প্রদায়ের কাছে ইরান আজ একটি আশার ফুল। ইরান অনেক বাধা বিপত্তি সত্ত্বেও পরমাণু কর্মসূচিকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। মিসাইল প্রতিরক্ষায় ইরানের শক্তি খোদ ইসরাইলকেও তাক লাগিয়ে দেয়৷

ইরানকে থামাতে মরিয়া ইসরাইল

ইসরাইল ইরানের এই অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে সর্বগ্রাসী কৌশল গ্রহণ করেছে। ইসরাইল ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও এর বিজ্ঞানীদের উপর অন্যায়ভাবে বহু আক্রমণ করেছে। সিরিয়ার ইরানের স্থাপনার উপর অগুনতি এয়ারস্ট্রাইক পরিচালনা করেছে। গত দুই বছর ইরানের ডজন খানেক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা করেছে। কাসেম সুলাইমানি ও সর্বশেষ ফাখরিজাদেহ হত্যাতেও ইরানের হাত ছিল বলে সন্দেহ করা হয়।

এসবের পিছনে একটাই উদ্দেশ্য পরমাণু প্রকল্পকে পিছিয়ে দেয়া অথবা বিনাশ করে সিরিয়া, লেবানন, ফিলিস্তিন ও ইয়েমেনে ইরানের প্রভাব কমিয়ে আনা। আর এই কাজের জন্য ইসরাইল তার নতুন আরব বন্ধুদের ব্যবহার করছে।

ইসরাইলকে মোকাবেলায় ইরান ব্যর্থ

এর প্রতিবাদে ইরান প্রতিশোধের হুমকি দিলেও ইসরাইলের দুই একটা জাহাজে আক্রমণ ব্যতীত বড় কোন কিছুই করতে পারেনি। ইতোমধ্যে দেশটি পরমাণু কর্মসূচি এগিয়ে নিতে ইউরোনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ইসরাইল যে কোন উপায়ে ইরানের এই অগ্রগতি থামিয়ে দিতে বদ্ধ পরিকর।

ইরানের পরমাণূ বিজ্ঞানী হত্যা, বারবার পরমাণু কেন্দ্র আক্রমণ , সিরিয়ার ইরানী অবস্থানে হামলা প্রভৃতি ঘটনার যথোপযুক্ত জবাব ইরান দিতে পারেনি। কাসেম সুলাইমানি হত্যার পর ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনায় কয়েকটা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বাইরে তেমন বড় কিছুই করতে পারেনি। ফাখরিজাদেহ হত্যার পরও হম্বিতম্বির মধ্যে দিয়েই শোক কেটে গেছে।

তবে এখানে বলে রাখি, কাসেম সোলাইমানির হত্যার পর ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনায় মিসাইল হামালা চালানোর ঘটনা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে শক্ত বার্তা দিয়েছে। হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ৫২ টি স্থাপনার উপর পালটা হামলার ঘোষণা দিয়েছিল।

এর জবাবে ইরান বলেছিল যুক্তরাষ্ট্র এই হামলা করলে ইরানের পরবর্তী লক্ষ্যবস্তু হবে আরব আমিরাতের দুবাই ও ইসরাইলের বড় শহর ও বন্ধর নগর হাইফা। হাইফাতে আক্রমণের ছক ইরান ও হিজবুল্লাহ উওয়ের কাছেই রয়েছে।

ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ কি আসন্ন?

সাইবার হামলা বা ছায়া যুদ্ধের মধ্যে আপাতত দুই দেশের কর্মকাণ্ড সীমাবদ্ধ থাকলেও দিন দিন উত্তেজনা যে হারে বাড়ছে এতে করে ভবিষ্যৎ দেশ দুটি প্রত্যক্ষ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতিওকেও সামনে রেখেছেন। তিনি বছরের শুরুর দিকে বলেছেন, ‘ ইরান পরামণু অস্ত্র পেতে আগ্রহী। এটা পরিস্কার যে ইসরাইলকে সামরিক হস্তক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।”

তবে যুদ্ধ শুরু হলে ইসরাইল দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক কিছু পাবে না এমন মতামত অনেক বিশ্লেষকের। কারণ ইরানকে বিভিন্ন ফ্রন্টে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে। বিশেষ করে হিজবুল্লাহ ইসরাইলের প্রধান মাথাব্যথা। এর আগে হিজবুল্লাহর সাথে ইসরাইলের পরাজয়ের রেকর্ড রয়েছে। সরাসরি যুদ্ধের সম্ভাবনা কম এরপরও বিষয়টি একেবারে উড়িয়েও দেয়া যায় না।

ইসরাইল কি আসলেই শান্তি চায়?

মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এখানকার প্রতিটি সংকটেই ইসরাইলের ভূমিকা রয়েছে। যখনই কোন আরব দেশ পরমাণু শক্তির উত্তরাধিকার পেতে চেষ্টা করেছে তখনই ইসরাইল তা ধ্বংস করতে সচেষ্ট হয়েছে। এর আগে সিরিয়া ও লিবিয়ার পরমাণু প্রকল্প ধ্বংস করে মোসাদ। মিশরের মিসাইল কর্মসূচি ভেস্তে দিতে পত্রবোমা পাঠিয়ে এই প্রকল্পের সাথে জড়িতদের হত্যা করে মোসাদ।

বাইডেন প্রশাসন যখন ইরানের সাথে একটা সমঝোতার চেষ্টা করছে তখন ইসরাইল সাহায্য না করে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। ইসরাইলি লবির মাধ্যমেও বাইডেন প্রশাসনকে বাধাগ্রস্ত করতেও থেমে নেই ইসরাইল। ইরান পারমাণবিক শক্তির অধিকারী হলে ইসরাইল নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে। এটা মেনে নিলেও এর সমাধান কি অন্য ভাবে করা যায় না? উত্তেজনা ছড়ানো, মানুষ হত্যা, যুদ্ধাবস্থা তৈরি করা এগুলোই কি একমাত্র সমাধান? 

শেষ করার আগে আল জাজিরার রাজনৈতিক বিশ্লেষক মারওয়ান বিশরার কথা শুনিয়ে দেই। তিনি লিখেছেন, ‘আর কত যুদ্ধ এই অঞ্চলে হলে ইসরাইল নিরাপদ হবে? আর কত দেশ অস্থিতিশীল করলে ইসরাইলের অহমিকা চরিতার্থ হবে? মধ্যপ্রাচ্যের সংকট শেষ হওয়ার আগে আর কত মানুষকে মরতে হবে?’

লেখকঃ কৃষিবিদ ও কলামিস্ট 

আরও পড়ুন