বুক রিভিউঃ প্রোডাক্টিভ মুসলিম

ফারুক হাসানঃ

আলহামদুলিল্লাহ!! অসাধারণ একটি বই পড়ে শেষ করলাম। বইটির প্রতিটি চরণ, প্রতিটি বাক্যই যেন আমাকে শিখিয়েছে কীভাবে প্রোডাক্টিভ হতে হবে। লেখকের দীর্ঘ সময়ের স্টাডি এবং গবেষণালব্ধ ফল হলো এই অসাধারণ বইটি।

প্রতিটি মুসলিমের জন্য বইটি হলো একটুকরো সোনা। কেননা বইয়ের প্রতিটি চ্যাপ্টারে লেখক বুঝিয়ে দিয়েছেন মুসলিম উম্মাহ চাইলেই কতখানি প্রোডাক্টিভ হতে পারে। ইসলামের স্বর্ণযুগের সোনালি মানুষগুলোই ছিলেন সর্বোচ্চ লেভেলের প্রোডাক্টিভ মুসলিম। নবীজির সান্নিধ্যে তাঁরা হয়ে ওঠেছিলেন জীবন্ত কিংবদন্তি। আমরাও যদি তাঁদের মতো প্রোডাক্টিভ হতে চাই তাহলে নবীজির আদর্শ ধারণ করা অতীব জরুরী।

নবীজির সুন্নাহ যে কতটা বিজ্ঞানসম্মত, তা আধুনিক বিজ্ঞান ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছে। প্রতিটি সুন্নাতে রয়েছে নিঃসীম উপকারিতা। সাহাবি (রাদিআল্লাহু আনহুম আজমাঈন) নবীজির সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরেছিলেন বিধায়, তাঁরা হতে পেরেছেন প্রোডাক্টিভিটির মাপকাঠি। তাই আমাদের উচিত তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করার মাধ্যমে প্রোডাক্টিভ হওয়া।

হায়! আমরা আজ প্রোডাক্টিভিটি খুঁজি বিজাতীয় সংস্কৃতির মাঝে। প্রোডাক্টিভিটির মাপকাঠি হিসেবে তাদেরই কোনো ব্যক্তিকে উপস্থাপন করি এবং অনুসরণ করি। অথচ আমাদের পূর্বসূরিদের কথা আমরা বেমালুম চেপে যাই। নবীজির ও সালাফদের জীবনী পড়লে আমরা বুঝতে পারি, তাঁরা পার্থিব-অপার্থিব উভয়ক্ষেত্রে কতটা সফল ছিলেন।

প্র্যাক্টিসিং, প্রোডাক্টিভ এবং ক্রিয়েটিভ মুসলিম হওয়ার মূলমন্ত্র উল্লেখ করা হয়েছে বইটিতে। আপনি যদি সত্যিকার অর্থে প্র্যাক্টিসিং, প্রোডাক্টিভ ও ক্রিয়েটিভ মুসলিম হতে চান তাহলে বইটি আপনার জন্য।

গ্রন্থের নাম ≈ প্রোডাক্টিভ মুসলিম
গ্রন্থপ্রণেতা ≈ মোহাম্মাদ ফারিস
ভাষান্তর ≈ মিরাজ রহমান & হামিদ সিরাজী
প্রকাশনায় ≈ গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
প্রকাশকাল ≈ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
পৃষ্ঠা সংখ্যা ≈ ২৫০

আরও পড়ুন