ধর্ষণ

ধর্ষণ
চলছে অবাধে ধর্ষণ,
না, না
আমি এটাকে ধর্ষণ বলি কেনো?
এটা তো যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলা
একদল দু-দাঁত উঁচু প্রাণীদের মতো সভ্যতা।

ওদের তো কোনো হায়াও নেই,
আর থাকবেই বা কী করে?
ওদের রক্তের সাথেই তো এই সংস্কৃতি।

না, ভুল করবেন না
আমি কোনো বাঙালির কথা বলছি না,
আমি বীরের দেশের কোনো সন্তানের কথাও বলছিনে
ওরা তো বাঙালি হতেই পারে না।
না, ওরা বীরের সন্তানও ময়।

ওরা তো চতুষ্পদ সেই জানোয়ার,
সেই নরপশু।
আরে, আমি ওদের নামের পাশে “নর” বসালেম কেনো?
এটা অনুচিত।
ওদের বিশেষনে, আমি নর ব্যবহার করতে পারি না,
ওরা শুধু মাত্রই,
রাত্র পাহারাদার সেই চার পেয়ে জানোয়ার।

ওদের তো শরম নেই,
ওরা,না চেনে মা, না চেনে বোন, না চেনে কোনো আবাল কিশোরি আর বয়সের ভাড়ে নুয়ে পড়া কোনো দিদিমাকে।

খেয়াল করে দেখুন,
ওরা যেখানে সেখানে ওদের নিকৃষ্ট যৌন চাহিদা পেশ করে

কেনো মনে নেই বুঝি?
ঢাকার বিশ্বরোডের পাশে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সেই ছাত্রীর কথা,
আপনি হতো ভুলে গেছেন,
সেই হীরামনের কথা,এই তো সেদিন ১৪ জুনে ধর্ষিত হলো।

কেনো শুনেননি,
বাসে গার্মেন্টস কর্মীর কথা?
ওই যে, আরও সেই হাসপাতালের নার্সের কথা?

কেনো?
এক সন্তানের জননী, বয়স্ক বৃদ্ধার কথা আপনি অবশ্যই শুনেছেন।
কিন্তু আমলে নেননি,এতোদিনে।

আপনি কি এমসি কলেজের কথা শুনেছেন?
সেই গুরু বিদ্যাপীঠের কথা?
এইতো, সেদিন কয়েকটা কুকুর ক্ষেপে গিয়েছিলো,
কয়েকটা বেজন্মা,
কয়েকটা কুলাঙ্গার,
ওই বেজন্মারা ৭ সংখ্যার ছিলো।

এই কুলাঙ্গার, বেজন্মাগুলোর
হয়তো জন্ম পরিচয় শুধুই সামাজিক ভাবেই রয়েছে।
নয়তো মানুষ করতে পারেনি।

আসলে এরা কয়েকজনের হয়তো,,,,
জানেন,
আমার মস্তিষ্ক হতে এই বাক্যগুলোই বের হলো,
মাফ করবেন।

মাফ করবেন ধর্ষিতা বলার জন্যে
এরা আমারই বোন, আমারই মা
হয়তো আপনারও কেউ, নয় তো কেউ না।

চলুন গর্জে উঠি,
এই কুলাঙ্গার, বেজন্মাদের বিতাড়িত করি,

চলুন না, গলা মিলিয়ে বলি,
“””””””” আসুন ধর্ষণকে না বলি””””””””

লেখকঃ এম আর মাহমুদ,কবি ও সাহিত্যিক।

আরও পড়ুন