পলাশীর যুদ্ধ

শাহানারা শারমিনঃ

দুশো বছরের শৃংখলে আবদ্ধ
ছিলেন বাঙালি জাতি
বাংলার সিংহাসনে বসলেন নবাব
আলিবর্দি খানের নাতি।

বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব
সিরাজদৌলা তার নাম
নিজের জীবনের চাইতে বেশি
দিতেন দেশের দাম।

শক্তি-সাহস,সুনাম ছিলো
মনে ছিল তার আশা
ইংরেজ শাসন দমন করবে
দেশটা হবে খাসা।

প্রানের বাজি রেখে করলেন
দেশ বাঁচানোর পণ
সাথে থাকার পরামর্শ দিলেন
আছে যত আপনজন।

কাশিম বাজার কুঠিতে সবাই
গোপন বৈঠক সারে
মির্জাফর আর তার সাথিরা
নবাবকে কিভাবে মারে।

যুদ্ধে নবাবের বিজয় নিশ্চিত
এটায় গেলো জানা
রাতের আঁধারে নবাবের শিবিরে
শত্রুরা দিলো হানা।

আপন জনার হাতেই নবাব
হারালেন নিজের প্রাণ
মির্জাফর মুকুট ছিনিয়ে নিলেন
বাড়াতে নিজের মান।

স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হলো
রক্তেরঞ্জিত হলো মাটি
ইংরেজ শাসনের ভিত্তি হলো
গড়লো বাংলায় ঘাটি।

লেখকঃ কবি, সাহিত্যিক ও সহ-সম্পাদক, মহীয়সী।

আরও পড়ুন