ডাকাত

কুজাতের ঘরের কুজাতরে কইছিলাম,আরে কুজাত তুই গুড়ামাছ আনিছনা,কুজাত বলে আবার মাছ ছাড়া নলা গিলতারেনা।
উনিশ বছরের শিউলি বেগম তার আট মাসের ছেলে ওমর সানীকে কোলে নিয়ে ছোটমাছ কুটছে আর পঁচিশ বছর বয়সি স্বামী সেলিম মিয়াকে গালাগাল করছে। আর গালি দিবেনা কেন আজ একমাস ধরে তাকে বলছে একটা কম্বল কিনে আনতে।আজ আনব কাল আনব বলে পৌষমাস এসে গেলো।এই শীতে সারা রাত ছেলেটা ঠান্ডায় ঘুমাতে পারেনা কাঁদতে থাকে।একটু পরপর পেশাব করে কাঁথা নষ্ট করে।এতো কাঁথা কোথায় পাবে সে।মুরুব্বীরা বলে ওমে থাকলে বাচ্চা পেশাব কম করে।আরামে ঘুমায়।এতো ওম কোথায় পাবে সে ? তিনটে মোটা কাঁথা আর একটা চাদর নিয়ে চারমাস আগে শহরে এসেছে ওরা।ছেলেটা পেশাব করে আধা রাতেই কাঁথাগুলি ভিজিয়ে ফেলে। মা ছেলের আর ভেজা কাঁথায় ঘুম আসেনা।ছেলেটা তখন ঠান্ডায় কাঁদতে কাঁদতে গলা ভেঙে ফেলে।

সেলিম মিয়া দিনে রাজমিস্ত্রির কাজ করে।প্রতিদিন তার গড়ে সারে চারশো টাকা ইনকাম। এই টাকা দিয়ে শহরে চলা দায়।ইদানিং রাতে মালিকের মালামাল পাহারা দেয়,এতে কিছু বারতি ইনকাম হয়।মাস শেষে ঘর ভাড়া দুইহাজার টাকা।সেলিমের চা সিগারেটের বদ অভ্যাস আছে।এই জন্য বেশ কিছু টাকা খরচ হয়ে যায়।আবার ভাত খেতে গেলেও শুধু শাক সবজি খেতে পারেনা।একটু মাছ নাহলে ভাত খেতে পারেনা সে। তাই প্রতিদিন বাজার থেকে মাছ কিনে আনে।টাকা থাকলে বড় মাছের পোনা কিনে,আর কম টাকা থাকলে গুড়ামাছ কিনে।গুড়ামাছ আনলে বউটা অনেক বিরক্ত হয় ।কারন বাচ্চাটাকে কাঁদিয়ে মাছ কুটতে হয় তখন।আর এই জন্য শিউলি ছোটমাছ আনা একদম পছন্দ করে না।

ইদানিং সেলিমের একজন নতুন বন্ধু হয়েছে রাজন মিয়া।এক জেলার মানুষ তাই বন্ধুত্ব হতে সময় লাগেনি। রাজন মিয়ার বৌ বাচ্চা আছে তবুও সে টাকা হাতে পেলেই হোটেলে গিয়ে হয় মুরগী নয় বড় মাছ দিয়ে ভাত খায়ে ফেলে। সেলিমও দুদিন রাজনের সাথে গিয়ে মুরগি দিয়ে ভাত খেয়েছে কিন্তু বৌটার জন্য খারাপ লাগে। ভাত গলা দিয়ে নামেনা। তাই বাজারে যা পায় তাই কিনে দুজনে মিলে খায়।

এবার সপ্তাহ শেষে মালামাল পাহারা দেওয়ার টাকা হাতে পেয়েছে।টাকা পেয়েই বাচ্চাটার জন্য কয়টা পায়জামা আর চারটা ফুলহাতা গেঞ্জি কিনেছে চারশ টাকা দিয়ে।তারপর গেল কম্বল কিনতে।কিন্তু একটা কম্বলের দাম হাজার টাকা,এতো টাকা কোথায় পাবে? তাই কম্বলের চিন্তা বাদ দিয়ে বৌএর জন্য তিনশোটাকা দিয়ে একটা চাদর কিনে ফেললো। আর কিছু গুড়ামাছ কিনে ঘরে ফিরে দেখে বৌটা কাঁদছে।

বাচ্চাটার জ্বর উঠেছে।কাশছে ঘন ঘন। মনে হয় শ্বাসকষ্ট হচ্ছে সানীর। সেলিম বাচ্চার গালে হাত দিতেই বাচ্চাটা সারাদিন পর বাবাকে দেখে অভিমানে ঠোঁট ভেঙে কাঁদতে লাগলো। সেলিম বাচ্চাটাকে তার জন্য কিনে আনা পায়জামা আর গেঞ্জি পরালো।বৌটা চোখ মুছছে আর মাছ কুটছে।রাতে খেয়ে সেলিম চলে গেলো ডিউটিতে।তার চোখে ভাসছে ছেলের ঠোঁটভেঙে কান্নার দৃশ্য।সেলিম বুঝতে পারে শহরে থাকতে হলে আরও টাকার দরকার।কিন্তু কী করবে ভেবে পায়না। পরদিন বন্ধু রজব আলীকে জিজ্ঞেস করে একইসমান টাকা রোজগার করেও রজব তিনবাচ্চা সহ কিভাবে এতো ভালো চলে। প্রতিদিন হোটেলে খেতেইতো অনেক টাকা লেগে যায়।পান খাওয়া দাঁত বের করে রজবআলী হাসে।

বলে —দোস্ত হগল কথাতো কয়ন যাইতনা। আমি জাদু জানি জাদু।জাদুদা টেহা আনি আর মৌজ করি।অনেক কডিন জাদু তোমার মতন নরম মানুষ ইতা জাদু ফারতনা।

—–না দোস্ত কও তুমি যত কডিন কাম অউক আমি করুম।আমারে শিহায়া দিলেই অইব।সেলিম বলে।

—– আমি মাঝে মাঝে খেপে যাই তাতে মেলা ইনকাম।একবারের খেপে যে কামাই অয় তাতেই তিন চার মাস ভালো তহন যায়।

সেলিম রজব আলিকে জিজ্ঞেস করে খেপ কি কিভাবে যেতে হয়? তখন রজব আলী বলে এক নিষিদ্ধ কাজের কথা।এই কাজটা শীতের দিনেই ভালো হয়।শীত এলে ওরা দল বেঁধে গ্রামে যায় ডাকাতি করতে। পয়সাওয়ালা বাড়ীগুলো দেখে অনেক আগে থেকেই টার্গেট করে রাখে ওরা।তারপর সময় বুঝে একদিন ডাকাতি করে।আবার এয়ারপোর্টে বিদেশ থেকে আসা গ্রামের নিরিহ লোকগুলোও থাকে টার্গেটে।ড্রাইভারদের সাথে যোগাযোগ করে তারা লুট করে নেয় বিদেশ থেকে আনা দামী সামগ্রী টাকা পয়াসা। সব শুনে সেলিম মিয়ার ভয় লাগে।রজব আলীর উপর ঘৃণা হয়।মানুষ না চিনে বন্ধুত্ব করায় অনুতপ্ত হয় মন।

সারারাত ডিউটি শেষে সকালে ঘরে আসে সেলিম মিয়া।নাশতা খেয়ে আবার কাজে যাবে। এসে দেখে ছেলেটার জ্বর কমেনি বরং আরও বেড়েছে।মনে হয় ডাক্তার দেখাতে হবে।শ্বাস কষ্ট বেড়ে গেছে সানীর। হাত একদম খালি কিভাবে ছেলেকে ডাক্তার দেখাবে এই কথা ভেবে
কাজে গিয়ে উদাস হয়ে থাকে সেলিম। রজব আলী কাছে এসে বন্ধুর মন খারাপের কারন জিজ্ঞেস করে। আমতা আমতা করে সেলিম বলে ফেলে ছেলের অসুস্থতার কথা। হাত খালি, কোথা থেকে টাকা পাবে এই চিন্তায় অস্থির। সব শুনে রজবআলী একহাজার টাকা দেয়।বলে টাকা পরে ফেরত দিলেও চলবে। বিকালে সানীকে ডাক্তারের কাছে নেয়া হলো।ডাক্তার টেষ্ট করে বললো নিউমোনিয়া হয়েছে সানীর।হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে। ঔষধ কিনতে গিয়ে সেলিম বুঝতে পারে ছেলেকে বাঁচাতে হলে আরও অনেক টাকার দরকার। এতো টাকা কোথায় পাবে?
রাতে সেলিম গেলো তার মালিকের কাছে। সব কিছু শুনে মালিকে একহাজার টাকা দিলো এডভান্স। কিন্তু এই টাকা প্রথমদিনেই শেষ হয়ে গেলো। ভাবনায় পরে গেলো সেলিম।শেষ পর্যন্ত কি রজব আলীর মতো জাদু করতে হবে? জাদু না করলে যে ছেলেটা মরে যাবে। নাহ!ছেলেকে মরতে দেবেনা সে। বাঁচাতেই হবে ছেলেকে।

পরদিন সকালেই সেলিম গেলো রজবআলীর কাছে।মিনতি করে বললো তাকে যেন দলে নেয়া হয়। টাকার দরকার ছেলেকে বাঁচাতে হবে।পয়সাওয়ালাদের কাছ থেকে কিছু পয়সা কেড়ে নিলে কিছু হবেনা।নদীর পানি কি কলসি দিয়ে নিয়ে শেষ করা যাবে?এই কথা বলে মনকে সান্তনা দেয় সেলিম।
ছেলেটা সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরলে রজব আলী সেলিমকে নিয়ে যায় তার উস্তাদের কাছে। উস্তাদ দিনে গাড়ী চালায়,রাতে ছিনতাই আর ডাকাতির কাজ করে।কয়েকদিনেই সেলিম শিখে ফেলে তালা ভাঙা, জানালার গ্রীল কাটার কৌশল।কিভাবে ভয় দেখিয়ে বাচ্চাদের জিম্মি করে মহিলাদের আলমারির চাবি নিতে হয়,গোপন জায়গা থেকে কিভাবে স্বর্ণালংকার নিতে হয় তা শিখলো। কোন বড় কিংবা ভারি জিনিস নেয়া যাবেনা,সেটা যত দামীই হোক।
উস্তাদ আরও কঠিন ভাবে বলে দিলো কোন ভাবেই মহিলাদের গায়ে হাত দেয়া যাবেনা। যে ডাকাত মেয়েদের ইজ্জত নষ্ট করে তাদের ধ্বংশ অনিবার্য।

তারপর একটা বাড়ী টার্গেট করে কয়েকদিন ধরে বাড়ীটার খোঁজ করা হলো নিজেদের লোক দিয়ে।তারপর সুযোগ বুঝে একদিন তারা সেই বাড়ীতে ডাকাতি করলো।এই বাড়ীটাতে শুধু কয়েকজন মহিলা আর একজন বৃদ্ধ থাকে।তারা কোন রকম শব্দ ছাড়া টাকা পয়সা দিয়ে দিলো।বাড়ীতে ঢুকেই দেখে একটা নতুন কম্বল।সেলিমের নজর সেদিকে।উস্তাদের নির্দেশ অমান্য করেই সেলিম আসার সময় কম্বলটা সাথে নিয়ে এলো। উস্তাদ অনেক রাগ করলেন তার উপর। কিন্তু সেলিমের প্রথমদিন বলে মাফ করে দিলেন।বললেন প্রথম প্রথম এমন জিনিস দেখলে লোভ লাগবে,কিন্তু লোভ করে বড় জিনিস নিলে ধরা পরার ভয় বেশি।আর যেন এই রকম ভুল না হয়। সেলিম ওয়াদা করলো আর এমন করবেনা।

কম্বল পেয়ে শিউলি খুব খুশি। ছেলেটাকে নিয়ে আর কষ্ট হবে না।মনে মনে বলে শিউলি। সেলিম সেদিনের পর থেকে আর ছোটমাছ আনেনা।বড় মাছ কিনে।শিউলি অবাক হয়,এতো টাকা কই পায়।সেলিমকে জিজ্ঞেস করলেই বলে
— জাদুরে বৌ জাদু। শহরে টেহা বাতাসে উড়ে, হুদা জাদু জানা লাগে।আমি জাদু শিকছিরে বৌ।

সেলিমের উল্টা পাল্টা কথায় শিউলি কিছু মনে করে না।সে এখন খুব সুখে আছে।শীত গিয়া গরম আসতে না আসতেই ঘরে ফ্যান এনেছে সেলিম।শিউলির জন্য একজোড়া কানের দুল কিনে দিয়েছে।একটু পুরানো কে নাকি বিপদে পরে বিক্রি করে দিয়েছে।সস্তায় পেয়ে সেলিম এগুলো কিনে বৌকে দিয়েছে।শিউলি জিনিসগুলো পরেনা।মন খারাপ হয়।
–আহারে! কার এতো বিপদ যে সোনা বেচতে অয়।মনে অয় বাচ্চার বিপদ।মায়েরা বাচ্চার বিপদে সব বেচতে পারে।

সেলিমের দিনগুলি ভালই যাচ্ছিলো।গত দুই বছরে সে পনেরো বার খেপে গিয়েছে। ডাকাতি করে ভাগে পাওয়া কিছু টাকা গ্রামে সুূদের উপর লগ্নি করেছে। সেখানে ভালো আয় হয় তার।
এখন আর এই কাজ ভালো লাগেনা সেলিমের।কাজটা ছেড়ে দিতে ইচ্ছে হয়।আস্তে আস্তে সে বুঝতে পারে সততার সাথেও ভালোভাবে বাঁচা যায়। শুধু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হয়। ধৈর্য না ধরে এই কাজে যাওয়ায় তার আফসোস হয় এখন।
মাঝে মাঝে এই কাজটা ছেড়ে দিতে ইচ্ছে হয়।কিন্তু রজব আলী বলেছে কাজ ছাড়লে উস্তাদ জানে মেরে ফেলবে।জানের ভয় বড় ভয় তাই ভয়ে কিছু বলেনা।

কিন্তু একটা কথা আছে চোরের দশদিন গৃহস্থের নাকি একদিন। সেদিনও ওরা আগে থেকে ঠিক করা বাড়ীটাতে ডাকাতি করতে ঢুকলো।গিয়েই পুরুষ দুজনকে বেঁধে ফেলে বাচ্চাদের জিম্মি করে ফেললো। সব কিছু নিয়ম মতই এগুচ্ছিলো। হঠাৎ দুইবছরের একটা বাচ্চা চিৎকার শুরু করতেই লাগলো ঝামেলা। আসলে বাচ্চাটাকে ওরা দেখেনি।রজব আলী ঐ ঘরে গিয়ে আলমারি থেকে টাকা নিতে গিয়ে দেখে মহিলার গলায় স্বর্ণের একটা ভারি চেইন। চেইনটা নিতে গিয়েই রজবআলীর মনে আসলো অসৎ চিন্তা।সে মহিলাটাকে ধাক্কা দিয়ে বিছানায় ফেলে তার উপর চড়াও হলো।পাশে শোয়া বাচ্চাটা তখনই চিৎকার শুরু করলো।মহিলাও জোড়ে ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার দিতে থাকে। তখন ঘরের সবাই শুরু করলো চিৎকার।সাথে সাথেই আশেপাশের সকলে লাঠিসোটা নিয়ে এগিয়ে এলো।মুহুর্তের মধ্যেই মসজিদের মাইকে গ্রামে ডাকাত এসেছে বলে ঘোষণা দিলো।হৈ হৈ করে গ্রামবাসী এগিয়ে এলো।
ডাকাতরা দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে পালাতে লাগলো।সেলিম মিয়া একদৌড়ে বাড়ীর পিছনে গিয়ে নিঃশব্দে পুকুরে নেমে গেলো।প্রচণ্ডশীতের রাতে কুচুরীপানা ভর্তি পুকুরে ডুব দিয়ে শুধু নাকটা বের করে রাখলো সেলিম। আটজনের দলের সাতজনকে সকাল হওয়ার আগেই পিটিয়ে মেরে ফেললো গ্রামের লোকেরা।সকাল হতেই গ্রাম ভর্তি হয়ে গেলো পুলিশে। সাতটা লাশ দেখে চেনার উপায় রইলনা যে এরা মানুষ ছিলো।শুধু কিছু মাংস আর রক্ত পরে রইল । পালিয়ে যাওয়া আরেকজন ডাকাতকে ঘরে ঘরে তল্লাশি করা হলো। সেলিম যে পুকুরে ডুব দিয়েছে কেউ ভাবেনি। একটু পর পর মাথাটা তুলে দেখে পালানোর পথ আছে কি না। পুকুরটা বাড়ীর পিছনে বলে মানুষের আানাগোনা কম। তার সাথীদেরকে যে মেরে ফেলা হয়েছে এটা ও সে বুঝেতে পেরেছে।

দুপুর গড়িয়ে গেলো।সেলিম এখনো পানির নীচে। মনে হচ্ছে ঠান্ডায় মরে যাবে। আর মনে হয় ছেলেটাকে আর দেখবে না।ছেলের মুখে আর আব্বা ডাক শুনবেনা।সেলিম একমনে আল্লাহকে ডাকতে লাগলো। এমন সময় একটা মেয়ে আসলো পুকুরে কাপড় কাঁচতে।মেয়েটা সকালেই পুকুরে দেখেছিলো তাকে। সাত ডাকাতের যে করুণ মৃত্য সে দেখেছে আর দেখতে চায়না।তাই সে কাউকে বলেনি যে একটা ডাকাত পুকুরে লুকিয়ে আছে। সে সুযোগ খোঁজতে লাগলো কিভাবে তাকে পালাতে সাহায্য করা যায়।হঠাৎ করেই কাপড় কাচার আইডিয়াটা মাথায় এলো তার। মেয়ের জাত মায়াবতীর জাত।একটা ডাকাত প্রাণের ভয়ে লুকিয়ে আছে। এটা তার মনকে নাড়া দিলো।
তাকে পালানোর সুযোগ দিতেই বাবার পাঞ্জাবী পায়জামা আর বড় রুমাল পুকুরঘাটে রেখে গেলো।সাথে একটা গামছা।ইশারায় মেয়েটা দেখালো পালানোর পথ। মেয়েটা চলে যাওয়ার পর একটু নিরব হতেই সেলিম মেয়েটার দেয়া কাপড় পরে পালালো।কিভাবে পালালো এটা শুধু সেই জানে।
সেলিম এখন বুঝতে পেরেছে সে কতবড় অন্যায় করেছে। নিজের ছেলেটাকে আদর করে আর উপলব্ধী করে বেঁচে থাকার স্বার্থকতা।
শেষ।

লেখকঃ  সুস্মিতা মিলি,কবি ও সাহিত্যিক।

আরও পড়ুন