ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেনো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো?

আরিফুল ইসলাম

যেরকম নাটকীয় ঘটনার মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো, খুব সম্ভবত পৃথিবীর ইতিহাসে আর কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে এমনটি হয়নি। বর্ণ হিন্দু থেকে শুরু করে কিছু কিছু মুসলমানও চাননি ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হোক। কলকাতার হিন্দু এলিটরা ছিলো এদিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে। তারা লর্ড হার্ডিঞ্জের কাছে ১৮ বার স্মারকলিপি পাঠায় এই মর্মে যে, ঢাকায় যেনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত না হয়।

ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন উঠে বঙ্গভঙ্গ রদের কাউন্টার রি-অ্যাকশন হিশেবে। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হলে পূর্ববঙ্গের মুসলিমরা বঙ্গভঙ্গের মধ্যে আশার সঞ্চার দেখে। অন্যদিকে বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হওয়ায় পশ্চিম বঙ্গের হিন্দু জমিদারশ্রেণী ক্ষেপে যায়। তারা বিভিন্ন সভা-সমিতি করে প্রতিবাদ জানায়। ‘জমিদার’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই সময় ‘রাখী বন্ধন’ উৎসবের ডাক দিয়ে হিন্দু-মুসলিম ভ্রাতৃত্বের আহ্বান করেন।

ব্রিটিশ সরকার প্রতিবাদের মুখে বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয় ১৯১১ সালে। এখন আবার মুসলিমরা অসন্তোষ প্রকাশ করে। বঙ্গভঙ্গের ফলে তাদের ঘরে যে আশার প্রদীপ জ্বলেছিলো, বঙ্গভঙ্গ রদের সাথে সাথে তা দপ করে নিভে যায়। বঙ্গভঙ্গ রদের ‘ক্ষতিপূরণ’ হিশেবে পূর্ববঙ্গের মুসলিম নেতৃবৃন্দ ব্রিটিশ সরকারের কাছে বিভিন্ন দাবি উত্থাপন করে।

১৯১২ সালের ৩১ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জের সাথে ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ, নওয়াব সৈয়দ আলী চৌধুরী, এ কে ফজলুল হক দেখা করেন। বঙ্গভঙ্গ রদের প্রতিক্রিয়া হিশেবে তাঁরা ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান [১]। পূর্ববঙ্গের অনগ্রসর মুসলিম জনগোষ্ঠীর উচ্চশিক্ষার জন্য কেনো একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজন সেটার স্বপক্ষে তারা যুক্তি দেখান।

লর্ড হার্ডিঞ্জ মুসলিম নেতৃবৃন্দের প্রস্তাব মেনে নেন [২]। ব্রিটিশ সরকারের ডিশিসন মেকিং-এর দিকে তাকালে দেখা যায়, মুসলিম-হিন্দু সম্প্রদায় ছিলো তাদের কাছে- জলে কুমির, ডাঙ্গায় বাঘ! হিন্দু জমিদারদের তোপের মুখে পড়ে তারা বঙ্গভঙ্গ রদ করে, এবার মুসলিমরা তাদেরকে জাপটে ধরলো- আমাদেরকে একটা বিশ্ববিদ্যালয় দিতে হবে। ব্রিটিশ সরকার প্রস্তাবকে সমর্থন করলো। এবার হিন্দুরা এসে বললো- মুসলমানদের জন্য আবার কিসের বিশ্ববিদ্যালয়!?

মুসলিম নেতৃবৃন্দের প্রস্তাবের মাত্র ষোলো দিনের মাথায় ১৯১২ সালের ১৬ই ফেব্রুয়ারি ডঃ রাসবিহারী ঘোষের নেতৃত্বে একটা হিন্দু প্রতিনিধি দল ভাইসরয়ের সাথে দেখা করে। তারা আপত্তি জানায়- কৃষক অধ্যুষিত পূর্ববঙ্গে আবার কিসের বিশ্ববিদ্যালয়? [৩] কেউ কেউ ব্যাঙ্গ করে বলে- চাষার দেশে আবার বিশ্ববিদ্যালয়!

‘পূর্ববঙ্গে একটা বিশ্ববিদ্যালয় হবে’ এটা শুনার সাথে সাথে কলকাতায় প্রতিবাদ শুরু হয়। এমনকি সেই প্রতিবাদের সুর ঢাকায়ও আসে। ১৯১২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ শে মার্চ পর্যন্ত কলকাতা, ঢাকাসহ পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ১১ টি প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার মূল প্রতিপাদ্য বিষয়- ঢাকায় কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হতে দেয়া যাবে না [৪]।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথমদিকের শিক্ষক ডঃ রমেশচন্দ্র মজুমদার তার আত্মজীবনী ‘জীবনের স্মৃতিদ্বীপে’ লিখেন-

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন উঠলে মুসলিমরা খুশি হলেও হিন্দুরা ক্ষেপে যায়। এমনকি কলকাতার যেসব হিন্দুরা কোনোদিন কোনো সভা-সমাবেশে যেতো না, তাদেরকেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরোধীতার প্রশ্নে সভা-সমাবেশে উপস্থিত হতে দেখা যায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সবচেয়ে বড়ো বিরোধী ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি (উপাচার্য) স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়। লর্ড হার্ডিঞ্জ তাকে জিজ্ঞেস করেন- কিসের বিনিময়ে আপনি বিরোধীতা বাদ দিবেন? কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বলেন-যদি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে আরো চারটি অধ্যাপক পদ চালু করেন, তবে আমি বিরোধীতা করবো না।লর্ড হার্ডিঞ্জ সেটা মঞ্জুর করলে আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধীতা থেকে সরে আসেন [৫]।

কলকাতার শিক্ষিতমহল কেনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধীতা করেছিলো? সেটার উত্তর খুঁজেন প্রাবন্ধিক কুলদা রায়। তিনি বলেন- তারা ভেবেছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট বরাদ্দ কমে যাবে [৬]।কলকাতার বেশিরভাগ হিন্দু শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, আমজনতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধীতা করলেও কয়েকজন অবশ্য পক্ষে বলেন। তারমধ্যে ডঃ হীরালাল হালদার ছিলেন অন্যতম। তার মতে- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের চাপ একটু কমবে, সেটা তো ভালোই হবে [৭]।

মুসলিমদের আবদার আর হিন্দুদের বিরোধীতার প্রশ্নে ব্রিটিশ সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার যাচাই-বাছাই করার জন্য একটা কমিশন গঠন করে। কমিশনটির নাম ছিলো নাথান কমিশন। ১৯১২ সালের ২৭ শে মে ১৩ জন সদস্য বিশিষ্ট নাথান কমিশনটি গঠিত হয়।প্রায় দেড় বছর পর ১৯১৩ সালের ডিসেম্বর মাসে নাথান কমিশন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্কিমটি উপস্থাপন করে এবং পাস হয়। কিন্তু কয়েকদিন পর প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে উদ্যোগটি থমকে যায়। তার উপর ১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা নবাব সলিমুল্লাহ ইন্তেকাল করেন।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, নবাব সলিমুল্লাহর ইন্তেকাল আর ব্রিটিশ সরকারের গড়িমসি দেখে মুসলিম নেতৃবৃন্দ এবার ভাবলেন- বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কথা বলে কি তাদেরকে সান্ত্বনা দেওয়া হয়েছে? উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না কেনো?

নবাব সলিমুল্লাহর ইন্তেকালের পর এগিয়ে আসেন নওয়াব আলী চৌধুরী। ১৯১৭ সালের ৭ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় কালবিলম্ব হওয়ায় রাজকীয় আইন পরিষদে তিনি দাবি উত্থাপন করেন। ২০ মার্চ সরকারের কাছে আবার প্রস্তাব পাঠান [৮]।
কোন প্রেক্ষাপটে বা কাদের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে সেই কারণটি স্পষ্ঠভাবে উল্লেখ করা হয় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কমিশন রিপোর্টে। ১৯১৭ সালে প্রকাশিত সেই রিপোর্টে বলা হয়-

“The chief determining factor in the decision of the Government to make Dacca the seat of a university was doubtless, the desire to accede to the demand for further facilities for the Muslim population who form a vast majority of Eastern Bengal.” [৯]

অর্থাৎ, পূর্ববঙ্গের মুসলিমদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হবে। মুসলমানদের উচ্চ শিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যেনো আরবি এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ রাখা হয় সেজন্য মুসলিমরা দাবি জানায়।

মুসলিমদের দাবির কথা কমিশন যে ভুলে যায়নি সে কথা উল্লেখ করে রিপোর্টে বলা হয়েছে- “We do not forget the creation of the university was largely due to the demand of the Muslim community of Eastern Bengal for greater facilities for higher education.” [১০]
রিপোর্টে সুস্পষ্ঠভাবে বলাও হয়-“There might be a faculty of Arabic and Islamic Studies in the University.” [১১]

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠালগ্নে ছিলো মাত্র তিনটি ফ্যাকাল্টি এবং বারোটি ডিপার্টমেন্ট। বারোটি ডিপার্টমেন্টের মধ্যে একটি ছিলো- আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ। সেই ডিপার্টমেন্টের জন্য চেয়ারম্যান কাকে নিয়োগ দেওয়া হবে? সেই ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান যেনো কোনো ওরেয়েন্টালিস্ট না হয়ে একজন ভারতীয় মুসলিম হোন সেই লক্ষ্যে বিবৃতি দেওয়া হয় [১২]।

একজন যোগ্য মুসলিম স্কলার খুঁজতে গিয়ে বাছাই করা হয় তৎকালীন ঢাকা সিনিয়র মাদ্রাসার হেড মাওলানা শামসুল ওলামা আবু নসর ওহীদকে। তিনিই আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ ডিপার্টমেন্টের প্রথম চেয়ারম্যান হোন।৩ টি ফ্যাকাল্টি, ১২ টি ডিপার্টমেন্ট, ৬০ জন শিক্ষক আর ৮৭৭ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে ১৯২১ সালের পহেলা জুলাই যাত্রা শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আদলে, অক্সফোর্ডের ক্যারিকুলাম অনুসারে একে সাজানো হয়েছিলো বলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ্যাতি লাভ করে ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ নামে।

যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আগে বিরোধীতা করেছিলেন, প্রতিষ্ঠার পরও তারা অনেকেই বিরোধীতা অব্যাহত রাখেন। মুসলিমদের স্বার্থে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কলকাতার বাবুরা ব্যাঙ্গ করে ডাকতেন ‘মক্কা বিশ্ববিদ্যালয়’ বলে [১৩]। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন ভিসি পি জে হার্টগ, ভাইসরয় লর্ড রিডিং, স্টেট সেক্রেটারি মন্টেগু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখলে হিন্দুরা তাদেরকে নিয়েও কটুক্তি করতে পিছপা হয়নি। তারা বলতো-‘তিন ইহুদি একত্র হয়েছে’ [১৪]।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি পি জে হার্টগকে হিন্দুরা কথা দিয়ে আক্রমণ করে, সমালোচনা করে। স্বামীর মনোবেদনা নিয়ে স্ত্রী ম্যাবল হার্টগ তার বইয়ে লিখেন [১৫]।

মজার ব্যাপার হলো, হিন্দুদের এতো বিরোধীতা সত্ত্বেও যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়, সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথমদিকে সবচেয়ে বেশি সুযোগ-সুবিধা পায় কিন্তু হিন্দুরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন ৬০ জন শিক্ষকের মধ্যে মাত্র ৮ জন ছিলেন মুসলমান, কয়েকজন ইউরোপীয় বাদে বাকি সবাই ছিলেন হিন্দু!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম পিএচডি লাভ করেন বিনয়তোষ ভট্টাচার্য ১৯২৫ সালে। ১৯২১-১৯৪৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএচডি ডিগ্রি অর্জনকারী ৫৭ জনের মধ্যে মুসলিম ছিলেন মাত্র ৪ জন। বাকিদের বেশিরভাগই ছিলেন হিন্দু [১৬]। প্রথম মুসলিম হিশেবে পিএইচডি অর্জন করেন রজব আলী মীর্জা ১৯৩৯ সালে।

কলকাতাস্থ অনেক হিন্দু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধীতা, ব্যঙ্গ করলেও পূর্ববঙ্গের অনেক হিন্দু জমিদার, নবাব সিরাজুল ইসলাম, স্যার সৈয়দ শামসুল হুদা, আব্দুল করিম, এ কে ফজলুল হকের সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা পালন করেন। মানিকগঞ্জের বালিয়াটির জমিদার কিশোরীলাল চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসেন। তার অবদানের স্বাক্ষর হিশেবে তার বাবার নামে প্রতিষ্ঠালগ্নে একটি হল করা হয়। যা আজো ‘জগন্নাথ হল’ নামে বহাল আছে।

পূর্ববঙ্গের মুসলিমদের উচ্চশিক্ষার জন্য যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে হিজাবীদের সংখ্যা, মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় যারা উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করেন, তারা কি আদৌ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মের ইতিহাস জানেন?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় যারা ভূমিকা রেখেছিলেন, সেই নবাব পরিবার, শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক, ডব্লিউ. এ. টি. আচির্বল্ড থেকে শুরু করে কিরশোরীলাল চৌধুরী, আনন্দচন্দ্র রায় প্রমুখকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

রেফারেন্স:
১। M.A Rahim, The History of the University of Dacca, 4-5
২। C. U Commission Report, Vol IV, RT II, page 133
৩। C. U Commission Report, Vol IV, RT II, page 112
৪। ড. মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ, নওয়াব সলীমুল্লাহ: জীবন ও কর্ম, ১৫৯-১৬০
৫। বিবিসি বাংলা,
৬। কুলদা রায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা ও রবীন্দ্রনাথ।
৭। M.A Rahim, The History of the University of Dacca, page 12.
৮। M.A Rahim, The History of the University of Dacca, page 10.
৯। Calcutta University Commission Report vol Iv, part II, Page 131-132
১০। M. A Rahim, The History of the University of Dacca, 17-18
১১। Calcutta University Commission Report vol Iv, part II, Page 122-213
১২। Vice Chancellor Address at the first meeting of Court, 17 August 1921
১৩। আশুতোষ ভট্টাচার্য (সম্পাদিত) ‘আমাদের সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’, পৃষ্ঠা ৪।
১৪। সৈয়দ মোস্তফা আলী, আত্মকথা, পৃষ্ঠা ১১৫।
১৫। Mable Hartog, P. J. Hartog: A Memoir, page 91.
১৬। Recipients of Doctorate Degree of Dacca University 1925-1947.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: শিকড় থেকে শিখরে

লেখকঃ কলাম লেখক 

আরও পড়ুন