অদ্ভুত মায়াবী জোছনা চাঁদ: আহম্মেদ মুন্নি

অদ্ভুত মায়াবী জোছনা চাঁদ
আহম্মেদ মুন্নি

প্রতিটি রাত জাগা জোছনা রাতে
তুমিহীনতার তুমুল অভাবে
যেদিন গুমট লাগা রাত থাকে ঘোরে
জোছনা রাতই লাগে,
কেননা ঘোরটাতে জোছনা রাতের থেকেও
বেশি বশ করেছো তুমি।
আচ্ছা আজ কি ত্যাগী হবার মত জোছনা উঠেছে ?
প্রিয়জন ভুলানো জোছনা নয়।
যে জোছনা শহুরে ইটের সুউচ্চ ছাদের রেলিং ধরে
ছুটাছুটি করতে করতে বলবে-
কি সুন্দর চাঁদ !
নবদম্পতির জোছনাও নয়।
যে জোছনা দেখে ঘোর লেগে জাপ্টে থাকা
তুমিটাকেও জীবন্ত করে তুলবে আমার পাশে!
দেখ দেখ চাঁদটা
তোমার লোমসমেত বাশবাগান সাদৃশ্য বুকে
আমাকে টানবে মায়াবী হতে!
কাজলা দিদির জোছনা রাতের চাঁদের আলো ও যেন
ফিকে স্যাঁতস্যাতে জোছনাময় হয়ে যাবে
তোমার আমার আমিময় সেই রকম জোছনা।
যে জোছনা বাসি স্মৃতিপূর্ন ডাস্টবিন উল্টে দেয় আকাশে।
কবির জোছনা নয়।
যে জোছনা দেখে কবি বলবেন-
কি আশ্চর্য রূপার থালার মত চাঁদ !
আমি সিদ্ধার্থের মত গৃহত্যাগী জোছনার জন্য বসে আছি।
যে জোছনা দেখামাত্র গৃহের সমস্ত দরজা খুলে যাবে-
ঘরের ভেতরে ঢুকে পরবে বিস্তৃত প্রান্তর।
প্রান্তরে হাঁটব, হাঁটব আর হাঁটব-
পূর্নিমার চাঁদ স্থির হয়ে থাকবে মধ্য আকাশে।
চারদিক থেকে তুমি হয়ে তোমার কন্ঠস্বরে মিলেমিশে একাকার হয়ে
বিবিধ কন্ঠ ডাকবে- আয় আয় আয়।

আরও পড়ুন