চাঁদের কলংক নয়,বরং মহামান্বিত গুন আছে

 

চাঁদ! চাঁদের আলো,চাঁদের জোস্না,চাঁদের অমবশ্যা,চাঁদের কলংক, চাঁদের বুড়ি,এমন আরো অনেক প্রচলিত চাঁদ বিষয়ক কমন বাক্যচয়ন আছে। কিন্তু আমরা চাঁদ নিয়ে যতই ব্যাখ্যা করিনা কেন,এই চাঁদকে কেন্দ্র করেই ইসলামী বারো মাসের গননা কার্যকর হয়। এই চাঁদ নিয়ে আছে ঐতিহাসিক মোজেজা। নবী পাক হযরত মুহাম্মদ সাঃচাঁদকে দ্বিখন্ডিত করে আবার জোড়া লাগিয়ে কাফেরদের একত্ববাদী আল্লাহর কুদরত প্রকাশ করেছেন।
চাঁদ নিয়ে আছে হাজারো রুপকথা,কল্প কথা,খনার বচন।
তবে চাঁদে যেহেতু আমাদের নবীজির আঙ্গুল মোবারকের ইশারা লেগেছে,সুতরাং এটি ধর্মীয় দৃষ্টিকোনে কখনোই কলংকিত হতে পারে না।
এমন অনেকেই আছে,মহত্ব বিচার বিশ্লেষন না করে কথার ছলে একজন আরেক জনকে বলে ফেলেন,চাঁদের নাকি কলংক আছে।
কষ্মিনকালেও চাঁদের মোটেও কলংক নেই। চাঁদের মাঝে দাগ,আরো মানুষের পাপের দাগ এক নয়। চাঁদের দাগ ছিলো,নবীজির একটি অবিস্বাসীদের জন্য মোজেজা! এই মোজেজাকে বিধর্মীদের পাশাপাশি অনেক মুসলমানই গর্বিত কন্ঠে বলে থাকে–“চাঁদের কলংক থাকতে পারে,তবে মানুষের নয় কেন??
যারা চাঁদের সাথে মানুষের কলংকের সাদৃস্য খোঁজে,আমি তাদেরকে বলতে চাই,
প্রিয় ভাই/বোন,আপনি আপনার বিপরীত লিঙ্গের সাথে কলংক জনক কাজ করে কলংকিত হয়েছেন,কিন্তু চাঁদ মশাই তো একটি জড় উপাদান আল্লাহর বড় নিয়ামত, সে তো কোনো কলংকে নিজেকে মগ্ন করেনি। যদি এমনটাই হতো যে,চাঁদ তার নিজ কক্ষপথ অতিক্রম করেছে,তাহলে তো কবেই আল্লাহ চাঁদকে ধ্বংস করে দিতেন। আর চাঁদ ধ্বংস হলে পৃথিবীও ধ্বংস হয়ে যেতো।
আসুন,আমরা চাঁদের মহিমান্বিত মোজেজাকে সম্মান দেখিয়ে সেই কুফরি বাক্যলাপকে আর” না “বলি। বরং গর্ব করে বলতে পারি—-চাঁদের কলংক নয়, বরং চাঁদের মহিমান্বিত গুন আছে।

ইব্রাহীম খলিল – কবি ও সাহিত্যিক

আরও পড়ুন